শাশুড়ি : বৌমা,বৌমা ও বৌমা,,,,।
বৌমা: কী হয়েছে আম্মা?
শাশুড়ি :চুলায় বরবটি বসায় থুয়ে এসো যাও আজ তোমার হাতের বরবটি রান্না খাব।
বৌমা:আচ্ছা আম্মা।কিন্তু আম্মা আমিতো চুলায় বটি দিতেই পারি।তবে বরকে কীভাবে দেব।তাছাড়া আমি এতটাও স্বার্থপর নয় যে আমার বরকে চুলায় দিয়ে দেব। অন্য কিছু রান্নার কথা বলেন।
শাশুড়ি:থাক থাক। তোমাকে আর রান্না করতে হবে না। তা মা তোমার কথা বলার ধরনটা অনেক সুন্দর তুমি কাউকে ডাকলে তার নামের সাথে জান কথাটা যুক্ত করে দেবে তাহলে শুনতে আরও সুন্দর লাগবে। যেমন : আম্মাজান,আব্বাজান,খালুজান ইত্যাদি।
বৌমা:আচ্ছা আম্মাজান।
(তিনদিন পর শাশুড়ি বৌমাকে জিজ্ঞেস করল)
শাশুড়ি :আজ কল থেকে পানি কেন বের হচ্ছে না একটু দেখবে কী হলো।
বৌমা: অপেক্ষা করুন দেখছি।
(কিছুক্ষণ পর)
বৌমা:আম্মাজান আম্মাজান আপনি কী জানেন।
শাশুড়ি :কী।
বৌমা: ট্যাঙ্কিজানের মধ্যে পানিজান নেই তাহলে কলজান থেকে পানিজান কীভাবে বের হবে?
শাশুড়ি : তুমি এসব কী আবল তাবল বলছ।
বৌমা: কেন আপনিই তো বলেছেন কোনো কিছুর নামের সাথে জান যুক্ত করলে শুনতে সুন্দর লাগে।
শাশুড়ি :হায়! আমার পোড়া কপাল।
শাশুড়ি বৌমার মজার কথোপকথন
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
91
Views
3
Likes
0
Comments
1.0
Rating