**চরিত্র**
* পলাশ: এক তরুণ, উদ্যমী লেখক, ভূতুড়ে রহস্য সমাধানে ঝুঁকি নিতে ভয় পায় না।
* রামমোহন রায়: 'মৃত্যু কুণ্ড' নামক পরিত্যক্ত বাড়ির মৃত মালিক।
* কল্যাণ: রামমোহনের ইচ্ছাধীন কর্মী, লোভী এবং রামমোহনের হত্যাকারী।
**গল্প**
পলাশ, এক তরুণ লেখক, ভূতুড়ে রহস্য সমাধানে ঝুঁকি নিতে ভয় পায় না। একদিন, সে 'মৃত্যু কুণ্ড' নামক একটি পরিত্যক্ত বাড়ির রহস্য উন্মোচন করতে নেমে পড়ে। স্থানীয়রা বলে, এই বাড়িতে এক অদ্ভুত প্রেত বাস করে, যে রাত নামলেই ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।
পলাশ ভয়ে কখনোই ভেঙে পড়ত না। সে সাহসের সাথে রাত দুপুরে 'মৃত্যু কুণ্ডে' ঢুকে পড়ে। বাড়ির ভেতরে সে বিভিন্ন অদ্ভুত ঘটনার সাক্ষী হয়। ঠান্ডা বাতাসের ঝাপটা, অস্পষ্ট ছায়া, কান্নার শব্দ - সবকিছু মিলিয়ে এক ভয়াবহ পরিবেশ তৈরি হয়।
হঠাৎ, পলাশের সামনে এক রহস্যময় ব্যক্তি উপস্থিত হয়। সে ব্যক্তি পলাশকে বলে যে, সে এই বাড়ির মালিক 'রামমোহন রায়' এবং তার মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করতে পলাশকে সাহায্য করতে চায়।
রামমোহন বলে যে, তাকে তার ইচ্ছাধীন কর্মী 'কল্যাণ' হত্যা করেছে। কল্যাণ লোভী ছিল এবং রামমোহনের সম্পত্তির লোভে তাকে হত্যা করে।
পলাশ রহস্য উন্মোচনের জন্য নেমে পড়ে। সে কল্যাণের বিরুদ্ধে প্রমাণ সংগ্রহ করে এবং পুলিশের হাতে তুলে দেয়। রামমোহনের আত্মা পলাশকে ধন্যবাদ জানায় এবং শান্তিতে চলে যায়।
**গল্পের শেষে একটি টুইস্ট:**
কয়েক বছর পর, পলাশ আবার 'মৃত্যু কুণ্ডে' ফিরে যায়। সে জানতে চায় যে রামমোহনের আত্মা সত্যিই শান্তিতে চলে গেছে কি না।
রাত নামতেই পলাশ আবার রহস্যময় ঘটনার সাক্ষী হয়। রামমোহনের আত্মা তার সামনে উপস্থিত হয় এবং বলে যে, সে এখনো মুক্তি পায়নি। কল্যাণের আত্মা এখন পলাশের পিছনে লাগে।
পলাশ বুঝতে পারে যে, সে ভুল করেছে। কল্যাণের আত্মা এখন তার প্রতিশোধ নিতে চায়। পলাশ কি বেঁচে থাকতে পারবে?
**গল্পের ভবিষ্যৎ**
পলাশ কিভাবে কল্যাণের আত্মার হাত থেকে রক্ষা পাবে? সে কি রামমোহনের আত্মাকে মুক্তি দিতে পারবে? এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে গল্পের পরবর্তী অংশের জন্য।
পলাশের প্রতিশোধ
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
1.08K
Views
53
Likes
13
Comments
4.4
Rating