মেয়েটি: দয়া করে আমাকে ছেড়ে দিন! আপনি যা করছেন, তা অন্যায়। আমার জীবন ধ্বংস হয়ে যাবে।
নেতা: (একটু বিরক্তির সুরে) জীবন? ক্ষমতার সামনে কারও জীবন-মরণ কিছু না! তুই জানিস, আমি কে? আমার কথার অবাধ্য হওয়ার সাহস তোর হলো কী করে?
মেয়েটি: (কান্নাজড়িত কণ্ঠে) নেতৃত্ব মানে রক্ষা করা, ধ্বংস করা নয় আপনি যদি সত্যিকারের নেতা হন, তবে মানুষকে আশ্রয় দিন, ভয় নয়
নেতা: (অহংকারে মুচকি হেসে) রাজনীতি বোঝানোর চেষ্টা করছিস? আমি যা চাই, তাই হবে! ক্ষমতা দুর্বলদের জন্য নয়, যারা ভয় দেখাতে জানে, তাদের জন্য।
মেয়েটি: (চোখের পানি মুছে দৃঢ় কণ্ঠে) ভয় পাওয়ানো আর সম্মান আদায় করা এক জিনিস নয়। আপনি শক্তিশালী নন, আপনি কাপুরুষ! একজন নিরপরাধ মেয়ের ওপর জোর খাটানোর নাম কি শক্তি?
নেতা: (রাগে চোখ রাঙিয়ে) চুপ! বেশি কথা বললে আরও খারাপ হবে! আমি চাইলে তোকে রাতের অন্ধকারে গায়েবও করে দিতে পারি!”
মেয়েটি: (দাঁতে দাঁত চেপে) আপনি ভাবছেন, সবাই চুপ থাকবে? আপনার চারপাশের মুখোশধারীরা হয়তো ভয় পায়, কিন্তু সত্যকে কেউ চিরদিন দমন করতে পারেনি, পারবেও না।
নেতা: (একটু হতবাক) তোর সাহস তো বেড়েই চলেছে! তুই কি জানিস, তোর মতো মেয়েদের কণ্ঠ রোধ করাই আমার কাজ?
মেয়েটি: (চোখে অগ্নি ঝরিয়ে) হয়তো আজ আমি একা, কিন্তু কাল পুরো সমাজ তোমার বিরুদ্ধে দাঁড়াবে। সত্যের শক্তি তুমি জানো না! তোমার মুখোশ খুব শিগগিরই খুলে যাবে।
নেতা: (দ্বিধায় পড়ে গিয়ে গলা শক্ত করার চেষ্টা করে) তোর সঙ্গে যা হবে, তা তুই কল্পনাও করতে পারবি না।
মেয়েটি: (দৃঢ় কণ্ঠে) আমি ভয় পাই না! আমি একা হলেও, আমার কণ্ঠ একদিন গর্জে উঠবে! সমাজ তোমার মুখোশ ছিঁড়ে ফেলবেই।
সমাপ্তি:
সেই রাতেই মেয়েটি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানায়। প্রথমে কেউ শুনতে চায়নি, কিন্তু ধীরে ধীরে সাহসী মানুষেরা তার পাশে দাঁড়ায়। মিডিয়া, সমাজকর্মী, সাধারণ মানুষ একজোট হয়। নেতার আসল রূপ প্রকাশ পায়, তার বিচার হয়, কারাগারের অন্ধকারে সে নিজের ক্ষমতার পরিণতি দেখে।
এই গল্প আমাদের শেখায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে চুপ থাকা মানে অপরাধীদের আরও শক্তিশালী করা। কিন্তু একজনের সাহস অনেককে জাগিয়ে তুলতে পারে। সত্য একদিন প্রকাশ হবেই, কারণ অন্যায় যত বড়ই হোক, ন্যায়ের শক্তি তাকে পরাজিত করবেই।
অন্ধকারের মুখোশ
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
67
Views
0
Likes
2
Comments
0.0
Rating