দাঁড়িয়ে আছে সুয়োরাণী, রাস্তার দিকে চেয়ে।
ঐ যে আসছে ছেলে তার, ঝড়ের মত ধেয়ে।
অশ্রুতে তার বুক ভেসে যায়, দেখে ছেলের দৌড়।
এই বুঝি সে পড়ে গেল, এই নিয়ে মা'র ঘোর।
কোলের শিশু বড় হলো, শিখলো হাটা হাটি,
ব্রুম ব্রুম করত ছেলে নিয়ে বাঁশের লাঠি।
এমনি করে দিন গেলো যে ঝরের মত ধেয়ে।
ছেলে তার বড় হলো দেখলো চেয়ে চেয়ে
ছেলে নিয়ে ঘুরত যখন সুয়োরাণী রোজ।
বাবা তখন ঘরে বসে করত প্রাতঃ ভোজ।
সুয়োরাণী ছেলের নামে ছিলো দুটি গাছ।
গাছে রোজ পানি দেয়া ছিলো ছেলের কাজ।
গাছের প্রতি তার অঢেল প্রেম, অঢেল ভালবাসা।
এই ছেলেটি বড় হয়ে পুরবে মায়ের আশা,
সেই আশাতে বাসা বাধতো সুয়োরাণী রোজ,
ছেলেটি তার স্কুলে যাচ্ছে যাবে নিত্য রোজ।
সুয়োরানীর দুয়োরখানী কাঠে-বাশে ঘেরা।
ঘরখানা তার ভাঙা চালের ভঙা কাঠের বেরা।
বাড়ির পাশের বরই গাছে বসতো টিয়া রোজ,
পাখিটিও রোজ এসে করত ছেলের খোজ
রাস্তার দিকে তাকিয়ে কাদে সুয়োরাণীর চোখ,
আর বুঝি তার হবেনা দেখা ছেলের মলিন মুখ।
ছেলে তার বড় হচ্ছে, হবে নিত্য রোজ,
সুয়োরাণীর কোলের ছেলে হলো যে নিখোঁজ!
সুয়োরাণীর দুয়োর
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
68
Views
0
Likes
0
Comments
0.0
Rating