ডক্টর আঙ্কেল,আমি ভাইয়াকে একবার দেখতে পারি?🥺(কণিকা)
কণিকার সামনে সেই প্রবীণ ডাক্তার।কিছু একটা চিন্তা করলেন তিনি।
ঠিক আছে।কিন্তু বেশিক্ষণ থাকতে পারবে না।(ডাক্তার)
কণিকা হ্যাঁ'বলে আয়ানের কেবিনে দিকে পা বাড়ালো।
বেডে শুয়ে আছে আয়ান।জ্ঞান নেই। মুখে অক্সিজেন মাস্ক।হাতের বিভিন্ন জায়গা সুঁচ ফটানো।
কণিকা আয়ানের ডান হাতটা ধরলো।
ভাইয়া,এইভাবে শুয়ে আছিস কেন?আমার সাথে গল্প করবি না।তুই না আমাকে সারাজীবন প্রোটেক্ট করবি,উঠ না।জানিস?মা-বাবার জ্ঞান ফিরেছে,তুই দেখা করবি না?🥺(কণিকা)
কোন সাড়া নেই।
কণিকা এবার কাঁদতে শুরু করলো 😭।
আর হঠাৎ,আয়ানের ডান হাতের বুড়ো আঙুল নড়ে উঠলো!
কণিকা আয়ানের দিকে তাকালো।
আয়ান তখন আস্তে আস্তে চোখ খুলছে।
কণিকা খুশিতে ওই অবস্থাতেই আয়ানকে জড়িয়ে ধরে।
My dear brother,i love you,l love you so much ❤️❤️❤️❤️❤️ ❤️❤️❤️❤️(কণিকা)
I love you too,pagli ❤️❤️❤️❤️❤️(আয়ান)
তুই ঠিক আছিস?🥺(কণিকা)
একদম।☺️(আয়ান)
বাহ্!বোনের সংস্পর্শে এসে যে ভাই সুস্থ হয়ে গেলো!☺️
কেবিনের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আছেন সেই ডাক্তার।
ডক্টর আঙ্কেল,ভাই-বোনের সম্পর্ক যে এমনই।মুচকি হেসে জবাব দিলো কণিকা।☺️
ঠিক বলেছো,মা।☺️(ডাক্তার)
ডাক্তার আয়ানকে চেক করে সব নরমাল পেলেন।
অবশ্য,দুই দিন পরে হাসপাতাল থেকে আয়ান ও তার মা-বাবাকে ছাড়া হলো।
প্রায় পুরোটা সময়ই কণিকা হাসপাতালে ছিলো। শুধু মাঝে মাঝে বাড়িতে গিয়েছিলো।
আজ সবাই বাড়ি যাচ্ছে।
গাড়িতে,
আমরা কবে মামা বাড়ি যাবো?☺️(কণিকা)
তোর পরের জন্মদিনে।☺️(আয়ান)
ভাইয়া!!!😑(কণিকা)
আরে,মজা করছে।৩বা৪ সপ্তাহ পরেই যাবো।☺️(আয়শা চৌধুরী)
কণিকা আয়ানের গায়ে একটা চাপড় মারলো।
আ।😩(আয়ান)
লাগলো?কোথায় লেগেছে?😨(কণিকা)
কিছু না।☺️(আয়ান)
সারাটা জীবন দু'জন একে অপরের পাশে থেকো এভাবে।☺️(কণক চৌধুরী)
আয়ান ও কণিকা একে অপরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাঁসলো।
----🌸----🌸----🌸----🌸----🌸----
সমাপ্ত
(গল্পটা শেষ করে দিলাম।
কিন্তু,আয়ান ও কণিকাকে খুব মিস করবো।
ওদের দুষ্টু মিষ্টি ঝগড়া,খুনসুটি।
আসলে ভাই-বোনের সম্পর্ক এমনই হয়।একটি পবিত্র সম্পর্ক ❤️❤️❤️)
My dear brother
170
Views
6
Likes
3
Comments
5.0
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (3)
অসাধারণ গল্প । ভাই বোনের ভালবাসা এমনিতেই সুন্দর , আর গল্পে সেটা আর ভালো লাগছে ।
this is the best story
খুব ভালো লাগলো আপনার গল্প টা 🥰🥰