ও।😔(কণিকা)
আরে,তুই এতো তাড়াতাড়ি উঠে পড়লি?🤨(আয়ান)
আজ শুক্রবার তো তাই।😔(কণিকা)
ও আজতো একটা বিশেষ দিন।😯(আয়ান)
হুম,তুই কী জানিস?আজ কী?☺️(কণিকা)
অবশ্যই।☺️(আয়ান)
বল তো।☺️(কণিকা)
আজ,আমার বেস্ট ফ্রেন্ড সিয়ামের জন্মদিন।ওকে শুভেচ্ছা জানাতে হবে।☺️(আয়ান)
ভাইয়া!!!😟(কণিকা)
কী হলো?🤨(আয়ান)
কিছু না।😔(কণিকা)
কণিকা ধপ করে সোফায় বসে পড়লো।তার হঠাৎ মনে হলো,তার বাবা হয়তো জানে আজ কী।
বাবা,আজকে কয় তারিখ?☺️(কণিকা)
২২তারিখ।☺️(কণক চৌধুরী)
বলে আবার খবরের কাগজ পড়ায় মন দিলেন কণক চৌধুরী।
বাবা,তুমিও ভূলে গেছো।😔(মনে মনে বলল কণিকা)
তখই রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলেন আয়শা চৌধুরী।
মা,আজ কী?☺️(কণিকা)
কী আবার হবে!২২তারিখ,শুক্রবার।😑(আয়শা চৌধুরী)
কণিকা কিছু বলল না।চুপ করে থাকলো।ভাবলো,সবাই তার জন্মদিন ভূলে গেছে।
খেয়েদেয়ে নিজের রুমে এসে শুয়ে পড়লো কণিকা।আজ তার কিছুই ভালো লাগছে না।মনটা খুব খারাপ।
দেখতে দেখতে দুপুর ২টা বেজে গেলো।
হঠাৎ,কণিকার কানে তার মায়ের ডাক ভেসে এলো।
কণিকা নিচে নামলো।
তার মা,বাবা ও ভাইয়ের সাথে সোফায় বসে গল্প করছে চিনি।
কণিকার মনে হলো হয়তো চিনির মনে আছে,আজ তার বার্থডে।তাই এসেছে।
কণিকা চিনির কাছে গিয়ে ওকে হাগ করলো।
বান্ধবী,তোরে আমি অনেক মিস করছি।☺️(কণিকা)
কালকেই তো দেখা হলো?🤨(চিনি)
আরে,ছাড় তো।তুই কেন এলি বলবি না নাকি?☺️(কণিকা)
ও,তোকে একটা কথা বলবো।☺️(চিনি)
বল বল কী বলবি।☺️(কণিকা)
আরে,এই মাসের ২৭ তারিখে বাবামার বিবাহ বার্ষিকী।আজ শপিং মলে যাবো,গিফট কিনতে। তুইও চল।🤗(চিনি)
আ্যাঁ!!!😟(কণিকা)
এমন কী বললাম?🤨(চিনি)
কিছু না।😔(কণিকা)
যাবি না?🤨(চিনি)
তুই যা।😔(কণিকা)
ওলী চিনির সাথে যা,বেচারী একা একা যাবে?☺️(আয়শা চৌধুরী)
আচ্ছা।😑(কণিকা)
বান্ধবী,তুই আমার বার্থডে ভূলে গেলি?(কণিকা মনে মনে বলল)
আধা ঘন্টা পর চিনি আর কণিকা বেরিয়ে গেলো।গাড়ি নিয়ে চলল মলের দিকে।
গাড়িতে,
চিনি,আর একটু পরে বের হতাম।😒(কণিকা)
হুম,দেরি হয়ে যেতো।☺️(চিনি)
****
উফ্,কিছু পছন্দ কর।আর কতো ঘুরবো?😤(কণিকা)
আরে,একটু সময় তো লাগে।😅(চিনি)
একঘন্টা হয়ে গেলো।😤(কণিকা)
দাড়া।😅(চিনি)
আবার গিফট দেখায় মন দিলো চিনি।এবং প্রায় আরও ১ঘন্টা পর একটা শাড়ি আর একটা ঘড়ি কিনলো।
কণিকা তো এতক্ষণে রেগে ফায়ার🔥।
এতো সময় লাগে?😡(কণিকা)
আরে একটু সময় লাগতেই পারে।😥(চিনি)
এবার চল বাড়ি।😤(কণিকা)
কণি,দেখ কতো গরম!চল আইসক্রিম খেয়ে বাড়ি যাই।😅(চিনি)
আমি চাই না।😤(কণিকা)
আরে,চল।☺️(চিনি)
চিনি টানতে টানতে কণিকাকে আইসক্রিম পার্লারে ঢোকালো।
প্রায় ৪০ মিনিট পর ওরা বেরিয়ে এলো আইসক্রিম পার্লার থেকে।
তুই কী খেতে পারিস না,একটা আইসক্রিম খেতেই ৪০মিনিট লাগিয়ে দিলি।😡(কণিকা)
আরে,চকলেট আইসক্রিম খেয়েও তোর
মাথা ঠান্ডা হলো না!😥(চিনি)
তুই,,,,,,,,,,,,😡
কণিকার কথা শেষ হলো না,বাধ সাধলো চিনি।
চল চল।(চিনি)
কণিকারা গাড়িতে উঠলে,গাড়ি স্টার্ট করা হলো।
কিন্তু,কণিকা কোন কথাই বলছে না চিনির সাথে।
চিনি বুঝলো,কণিকা খুবই রেগে আছে।
দেখতে দেখতে,কণিকাদের বাড়ির সামনে এসে থামলো গাড়ি।
কণিকা গাড়ি থেকে নামার আগেই চিনি আরেকপাশ দিয়ে নেমে দৌড়ে বাড়ির ভেতরে ঢুকে গেলো!
কণিকা অবাক হয়ে গেলো।
কী হলো ব্যাপারটা?(কণিকা)
কণিকা তাড়াতাড়ি গাড়ির থেকে নেমে বাড়িতে ঢুকলো।
কিন্তু,বাড়িটা যে পুরো অন্ধকার!
নিজের হাত ঘড়ি দেখলো,সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা বাজে।
বাবা,মা,ভাইয়া কোথায় গেলো?চিনিই বা কোথায়?(কণিকা মনে মনে বলল)
অন্ধকারের বাড়ির দিকে সে তাকালো।ঢুকবে কিনা ভাবছে।
শেষ ঢুকেই পড়লো।
বাড়ির ভেতর একপা দিতেই কান ফাটানো আওয়াজ শুনতে পেলো সে।
-
Happy birthday 🎉
My dear brother
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
155
Views
4
Likes
0
Comments
4.7
Rating