আমি আবার কী করলাম?😅(কণিকা)
তুই নাকি এক মেয়ের চুলে নকল চুইঙ্গাম লাগিয়ে মজা করেছিস।আর একটু হলে নাকি সেই মেম নিজের চুলই কেটে ফেলতেন।😡(আয়শা)
আরে ওই মেম না ভালো না,খালি বকে।😢(কণিকা)
আরও আছে,তুমি নাকি এর আগেও সেই মেয়ের গায়ে নকল টিকটিকি ফেলে দিয়েছিলে?🤨(কণক চৌধুরী)
ইয়ে মানে না মানে হ্যাঁ।😅(কণিকা)
আয়শা চৌধুরী রাগী দৃষ্টিতে কণিকার দিকে তাকালেন।
কণিকার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলো আয়ান।
কণিকা তাড়াতাড়ি আয়ানের পেছনে লুকিয়ে পড়লো।
ভাইয়া,বাঁচিয়ে নে।🥺(কণিকা ফিসফিস করে বলল)
মা,আজকের মতো ওকে ছেড়ে দাও।☺️(আয়ান)
আয়ান,তুই তো জানিস ও কী করেছে,তাও বলেছিস।😤(আয়শা চৌধুরী)
আরে মেয়েটাকে বকো না।ছোটবেলায় তুমি আমিও দুষ্টু ছিলাম।☺️(কণক চৌধুরী)
ও কী এখন ছোট আছে?কলেজে পড়ে।😡(আয়শা চৌধুরী)
মা,কাম ডাউন।ও আর এরকম করবে না।☺️(আয়ান)
আয়শা চৌধুরী কণিকার দিকে তাকালেন।
ঠিক তো?😤(আয়শা চৌধুরী)
কথা দিতে পারছি না,তবে চেষ্টা করবো।😅(কণিকা)
তুই!!!😡(আয়শা চৌধুরী)
কণিকা আর কিছু বললো না,দৌড়ে দোতলায় উঠে নিজের রুমে চলে গেলো।
শান্তি!!!
কণিকা ফ্রেশ হয়ে এসে দেখে,ওর রুমে বসে আসে আয়ান!
ভাইয়া,তুই এখানে?☺️(কণিকা)
আসলাম তোর থেকে কিছু কথা শুনতে।☺️(আয়ান)
কী কথা?🤨(কণিকা)
ওই মেমের সাথে কী করলি?একটু ডিটেইল বল।☺️(আয়ান)
তুই শুনবি?আগে বল আগ্নেয়গিরির অবস্থা কেমন?🤨(কণিকা)
এখন ভালো।বল।☺️(আয়ান)
ও।তো ওই মেমের নাম-নূরজাহান।জুনিয়ার মেম,কিন্তু অনেক রাগী।আমরা ক্লাসের সবাই মিলে নাম দিয়েছি-আগ্নিয়োগিরি মেম।
তো,একদিন বান্ধবীদের সাথে বাজি ধরলাম,ওই মেমেকে আমি নাচিয়ে ছাড়বো।ব্যাস,তার গায় টিকটিকি 🦎 ছেড়ে দিলাম।মেম শুরু করলো উরাধুরা ডান্স💃💃💃।আমি বাজি জিতে গেলাম।
কিন্তু,মেম জেনে গেলো।আমাকে খুব বকলো।তাই মেমে চুলে নকল চুইঙ্গাম প্রতিশোধ নিলাম।
আমি আবার কারোর পাওনা বাকি রাখি না।😎(কণিকা)
এত্তক্ষণ চুপচাপ কণিকার কথা শুনছিলো,কথা শেষ হতেই হেসে উঠলো।
ভালো লাগলো?☺️(কণিকা)
হুম।আমি যদি তার মুখটা তখন দেখতে পারতাম।😂(আয়ান)
Thanks❤️(কণিকা)
কীসের জন্য ?🤨(আয়ান)
ওইযে তুই মায়ের থেকে বাঁচিয়ে দিলি।☺️(কণিকা)
আমি চাই তোকে সারা জীবন প্রোটেক্ট করতে।☺️(আয়ান)
এইভাবে নানান ঘটনার মধ্য দিয়ে কেটে গেলো আরও দুই মাস।
এর মধ্যে তেমন বিশেষ কিছু ঘটেনি,শুধু কয়েকবার কলেজ থেকে কণিকার নামে অভিযোগ এসেছে।ওই একি বিষয়,টিচারের সাথে দুষ্টুমি করা।
(আপনারা আবার টিচারদের সাথে এরকম দুষ্টুমি করতে যায়েন না।কেননা টিচাররা শুধু সম্মান পাওয়ার যোগ্য।❤️❤️❤️)
আজ বৃহস্পতিবার,
আজ কণিকার মুডটা খুবই ভালো।কালজে তার বার্থডে।
আর প্রতিবার রাত ১২টায় তাকে শুভেচ্ছা জানায় তার মা,বাবা,ভাই।
সে ভেবেছিলো এবারও ব্যাতিক্রম হবে না।কিন্তু,তার ভাবনা ভুল প্রমাণিত হলো।
রাত সাড়ে বারোটা বেজে গেলেও কেউ তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালো না!
একরাশ অভিমান ও কষ্ট নিয়ে ও শুয়ে পড়লো।
আপনাআপনিই তার চোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়লো দু'ফোটা অশ্রু।নিজেকে অসহায় মনে হতে লাগলো।
কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়লো সে।
তার চোখ খুললো পরদিন সকালে।আজ যেহেতু তার বার্থডে,নিজের সবথেকে ফেভারিট জামাটা পড়লো সে।
স্কাই ব্লু কালারের নায়রা।
তাড়াতাড়ি নিচে নামলো সে,ওর মনে হলো,হয়তো আজকে তাকে সবাই উইশ করবে।
কণিকা নিচে নেমে দেখলো,নিত্যদিনের মতো সোফায় বসে খবরের কাগজ পড়ছেন কণক চৌধুরী।তার পাশের সোফায় বসে গল্পের বই পড়ছে আয়ান।আর আয়শা চৌধুরী রান্নাঘরে রাহেলা বেগমকে সাহায্য করছেন।
মা,আজ কী রান্না করছো?🤤(কণিকা)
ভাত আর কাতলা মাছের ঝোল।সাথে শাক ভাজি আর শুটকি ভর্তা।☺️(আয়শা চৌধুরী)
খাবারগুলো কণিকার পছন্দের হলেও খুশি হতে পারলো না সে।সে ভেবেছিলো তার মা হয়তো স্পেশাল কিছু রান্না করবে।
কিন্তু তা আর হলো না।
কণিকার মনটা খারাপ হয়ে গেলো।
My dear brother
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
174
Views
4
Likes
0
Comments
5.0
Rating