My dear brother

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
কণি,একটা ছেলে না রিদয়কে কালকে অনেক মারছে।পুরো কলেজে ঘটনাটা ছড়িয়ে পড়েছে।🤕(চিনি)

কথাটা শুনে অবাক হয়ে গেলো কণিকা।রিদয় পুরো গুন্ডা!ওকে কে মারতে পারে?

তাই!কে মারছে?😯(কণিকা)

জানিনা।😑(চিনি)

ও।😒(কণিকা)

এখন তো টিফিন টাইম,চল মাঠে যাই।🤗(চিনি)

কণিকা আর চিনি হাত ধরে মাঠে হাঁটতে লাগলো।দুইজন জুরে দিলো গল্প।সে যে কতো রকমের গল্প!
কণিকা গল্প করতে এতোই মশগুল ছিলো,ওর সামনে যে একটা ছেলে এসে দাঁড়িয়েছে খেয়ালই করেননি!
যখন ছেলেটা তার পায়ের কাছে বসে পড়লো তখন চমকে উঠলো কণিকা।সাথে চিনিও।

রিদয়!!!!!😯😯😯😯😯(কণিকা)

কণিকার পায়ের কাছে বসে আছে রিদয়!
ডান হাতে বেন্ডেজ বাধা।কপালেও রয়েছে বেন্ডেজ।..........

সবাই এইদিকে তাকিয়ে আছে,
আরে,কী করছো!😯(কণিকা)

কণিকা,আমাকে ক্ষমা করে দাও।🥺(রিদয়)

ক্ষমা???কিসের ক্ষমা?😯(কণিকা)

ওই যে আমি তোমার সাথে মিসবিহেব করেছিলাম।🥺(রিদয়)

আগে ওঠো।😑(কণিকা)

না,আগে বলো ক্ষমা করেছো।🥺(রিদয়)

হ্যাঁ,হ্যাঁ,উঠো।😮‍💨(রিদয়)

রিদয় উঠে দাঁড়ালো।

তা হঠাৎ তোমার কী হলো?🤨(কণিকা)

তোমার ভাইয়ের মার খেয়ে আমার হুশ ফিরেছে।😥(রিদয়)

ভাইয়া।😯(কণিকা)

কণিকা তো অবাক।কিন্তু,এটা ভেবে খুশি হলো ওর ভাই ওর জন্য এতোটা করেছে।


ভাইয়া এটা তোর জন্য।🤗
কণিকা একটা বক্স এগিয়ে দিলো আয়ানের
দিকে।
অবাক হলো আয়ান।

কী আছে এতে?🤨(আয়ান)

খুলে দেখ।☺️(কণিকা)
আয়ান বক্সটা খুলল।তাতে রয়েছে একটা পারফিউম!
একবার পারফিউম একবার কণিকার দিকে তাকাচ্ছে আয়ান।অবাক হয়েছে।ভাবছে,হঠাৎ পারফিউম কেন গিফট করলো?
সবেমাত্র কলেজ থেকে এসেছে কণিকা।আর তারপরই বাড়িয়ে ধরেছে বক্সটা।

মা কোথায়?আর তুই আজ ভার্সিটিতে যাসনি।🤨(কণিকা)

মা শপিং মলে গেছে।আর আমি যাইনি।😑(আয়ান)

ও।☺️(কণিকা)

তুই বল,পারফিউম কোন খুশিতে?বয়ফ্রেন্ড পেয়ে গেলি নাকি?🤨(আয়ান)

ভাইয়য়য়া!!!😤(কণিকা)

কী হলো?😅(আয়ান)

তুই রিদয়কে সোজা করে দিয়েছিস,তাই।😑(কণিকা)

কণিকা কথা শুনে আয়ান গম্ভীর হয়ে গেলো। কিছু একটা ভাবছে সে।
আবার এরকম কিছু হলে,আমাকে বলবি।
😑(আয়ান)

তোকে না বললে কাকে বলব।তুই বস,আমি
ফ্রেশ হয়ে আসি।☺️(কণিক)
কণিকা নিজের রুমের দিকে হাঁটা ধরলো।
আয়ান কিছুক্ষণ ওর যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকলো।
মুচকি হাসি ফুটলো আয়ানের ঠোঁটে।
আয়ান রান্নাঘরের দিকে তাকালো।
রাহেলা আন্টি,দু'বাটি নুডুলস বানাও তো,আমার আর কণির জন্য।☺️(আয়ান)

আচ্ছা,বাবা।(রাহেলা বেগম)
কণিকা নিচে নেমে খুব খুশি হলো,কেননা তার ফেভারিট নুডুলস বানানো হয়েছে।

***
কেটে গেলো দুই মাস।
আজ কণিকা কলেজ থেকে এসে পুরো অবাক হয়ে গেলো!
ডাইনিং রুমের সোফায় বসে আছে তার মা,বাবা,ভাই।সবার মুখ থমথমে!কেউ কোন কথা বলছে না!সবাই চিন্তিত বোঝা যাচ্ছে!

কী হয়েছে?🤨(কণিকা)

সোফা থেকে উঠে দাঁড়ালেন আয়শা চৌধুরী।
তোর নামে কম্পলেন এসেছে।😤(আয়শা চৌধুরী)
176 Views
4 Likes
0 Comments
5.0 Rating
Rate this: