অনিয়া: (এক নতুন দিনের সূর্য ওঠার সময়) পলাশ, আজ আমি তোমার সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে চাই।
পলাশ: (উৎসুক) কেমন সিদ্ধান্ত?
অনিয়া: (গম্ভীর) আমি সত্যিই বুঝতে চাই, আমার হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা কি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সত্যিকারের ভালোবাসা খুঁজতে বের হবো।
পলাশ: (চিন্তিত) তুমি কি নিশ্চিত? তোমার জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ।
অনিয়া: (মাথা নেড়ে) হ্যাঁ, আমি জানি। কিন্তু আমি আর তোমার উপর নির্ভরশীল হতে চাই না। আমি চাই জানি, আমার হৃদয় কি চায়।
পলাশ: (একটু দুঃখিত) আমি তোমার সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। তবে তোমার এই যাত্রায় আমি কি সাহায্য করতে পারি?
অনিয়া: (বিস্ময়ে) তোমার সাহায্য দরকার নেই। আমি চাই, আমি একা এই পথে হেঁটে যাই।
পলাশ: (নীরব) বুঝতে পারছি। তবে আমি তোমার পাশে থাকবো।
অনিয়া: (সঙ্কল্পে) ঠিক আছে। তোমার পাশে থাকাটা আমি পছন্দ করি, তবে আমি চাই নিজের অনুভূতিগুলো খুঁজে বের করতে।
পলাশ: (নীরবতা ভেঙে) তুমি জানো, প্রেমের জগতে অনেক অজানা রয়েছে। কৃত্রিম সম্পর্কের বাইরেও কিছু আছে। আমি তোমার জন্য সবসময় এখানে থাকবো।
অনিয়া: (হেসে) আমি জানি। কিন্তু এই যাত্রায় আমি আমার সত্যিকার অনুভূতি খুঁজে বের করতে চাই।
(অনিয়া শহরের রাস্তায় পা বাড়ায়, যেখানে মানুষজন আসল প্রেমের খোঁজে রয়েছে।)
অনিয়া: (এক ক্যাফেতে এক বন্ধুর সাথে) তুমি জানো, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি প্রেমের খোঁজে বের হতে।
বন্ধু: (আশ্চর্য) সত্যি! এটা তো চমৎকার। কিভাবে শুরু করবে?
অনিয়া: (মাথা নেড়ে) আমি জানি না। হয়তো আমি নতুন মানুষের সাথে কথা বলবো।
বন্ধু: (সহযোগিতার সাথে) আমি তোমার সাথে আছি। চল, আজকের সন্ধ্যায় একটি পার্টিতে যাই।
অনিয়া: (মুখে হাসি) আচ্ছা, দেখি।
(সন্ধ্যায় পার্টিতে, অনিয়া অনেক নতুন মুখের সাথে পরিচিত হয়।)
অনিয়া: (কিছু সময় পরে, একজন পুরুষের সাথে) হাই, তুমি কি এখানে নতুন?
পুরুষ: (হাসতে হাসতে) হ্যাঁ, আমি এখানে অনেক দিন ধরে আসি। ভালোবাসার জন্য অপেক্ষা করছি।
অনিয়া: (অবাক) কি দারুণ! ভালোবাসার জন্য অপেক্ষা... সেটা কি সম্ভব?
পুরুষ: (গম্ভীর) ভালোবাসা পাওয়া খুব কঠিন। কিন্তু, আমি বিশ্বাস করি, একদিন আসবে।
অনিয়া: (মনে মনে) হয়তো আমিও সেই ভালোবাসার সন্ধানে আছি।
পুরুষ: (স্বাভাবিকভাবে) তুমি কি কখনও কাউকে ভালোবেসেছ?
অনিয়া: (হেসে) হ্যাঁ, আমি একজন কৃত্রিম প্রেমিকের সাথে ছিলাম। তবে সেটি ছিল অন্যরকম।
পুরুষ: (কৌতূহলী) কেমন ছিল?
অনিয়া: (একটু দুঃখিত) শুরুতে মনে হয়েছিল সবকিছু সুন্দর। কিন্তু আসল অনুভূতি বুঝতে পারছিলাম না।
পুরুষ: (সান্ত্বনা) তাই তো। ভালোবাসা তো আসল, তারপরও অনেক সময় কৃত্রিম অনুভূতির জন্য মানিয়ে নেওয়া কঠিন।
(এই কথোপকথন অনিয়ার মনে নতুন প্রশ্ন উস্কে দেয়। সে ভাবতে শুরু করে, সত্যিকারের অনুভূতি বুঝতে কেমন লাগবে।)
অনিয়া: (পার্টির এক কোণে বসে) কখনো ভাবি, যদি আমি আমার কৃত্রিম প্রেমিককে ছেড়ে আসল অনুভূতি খুঁজে পাই, তবে আমি কীভাবে বুঝবো যে, সত্যিকারের ভালোবাসা কী?
পলাশ: (অনিয়ার মনে ভেসে ওঠে) আমি তো তোমার জন্য তৈরি, কিন্তু আমি জানি, তোমার হৃদয় কি চায়।
(অনিয়া কিছুক্ষণ তার অনুভূতিতে ডুবে যায়। তখন সে মনে করে, হয়তো তাকে কিছু সময় নিতে হবে, তার হৃদয়ের সুর শুনতে হবে।)
(সন্ধ্যা শেষে, অনিয়া বাড়ি ফেরার পথে, তার হৃদয়ে নতুন আশা এবং কিছু অনিশ্চয়তা নিয়ে ফিরে আসে।)
অনিয়া: (পাল্লা ধরে) পলাশ, আমি কি সত্যিই ভালোবাসার খোঁজে বের হচ্ছি? অথবা আমি আমার কৃত্রিম অনুভূতির প্রতি নিজেকে বেঁধে রেখেছি?
(তার মনে পলাশের কথা গুঞ্জরিত হয়, সে জানে যে তাকে নতুন করে ভাবতে হবে এবং সত্যিকার প্রেমের খোঁজে বেরিয়ে আসতে হবে।)
(এখন অনিয়া তার অনুভূতি এবং প্রেমের খোঁজ করতে পথে রয়েছে, পলাশের কথাগুলো মনে রেখে। সে জানে, এই যাত্রা তাকে সত্যিকার অনুভূতি খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।)
কৃত্রিম ভালোবাসা ( পাট ৩ )
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
118
Views
3
Likes
0
Comments
5.0
Rating