মায়াবী চোখ গুলো

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
রিদির ফর্সা নাভিতে কিস করেই দিলাম 🙈 । রিদি আমার এরকম কান্ড দেখে কেঁপে উঠলো ।

তারপর রিদি এরকম কেঁপে উঠার কারনে আমি একটু নড়ে উঠলাম আর রিদি খাটে পড়ে গেল । সাথে আমিও তার উপর পড়ে গেলাম ।

রিদি আমার দিকে তাকিয়ে আছে আমিও তার দিকে তাকিয়ে আছি । কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর রিদি অবাক করে দিয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে জোরে জোরে থাপ্পড় বসিয়ে দিলো ।

রিদিঃ ঠাসসসসসস ঠাসসসসসসসস

আমি গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছি । থাপ্পড় টা অনেক জোরে মা*র*ছে । আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে । তারপর আমি জিজ্ঞাসা করলাম,,,,,,,

আমিঃ কি হলো মা*র*লে*ন কেন ??

রিদিঃ কু*ত্তা তুই এটা কি করলি । তোর মতো ছেলেকে একটু প্রশ্রয় দিলেই মাথায় উঠবি সেটা খুব ভালোই বুঝে গেছি । তোকে কতবার বলবো আমার বয়ফ্রেন্ড আছে ।

আমিঃ কিন্তু আমি তো ভাবছি আপনি ফাইজলামি করছেন ।

রিদিঃ তোর সাথে ফাইজলামি করতে যাবো কোন দুঃখে । আর আন্টি অনেক রিকোয়েস্ট করছে তাই তোকে পড়াচ্ছি । তাই বলে এই না যে তুই মাথায় চড়ে বসবি ।

আমিঃ থাক আর কিছু বলতে হবে না । বুঝে গেছি ।

বলেই আমি সেখান থেকে চোখ মুছতে মুছতে বের হয়ে আসলাম । বাসায় এসে রাতের খাবার না খেয়েই নিজের রুমে এসে শুয়ে পড়লাম ।

আর ভাবতে লাগলাম সত্যিই হয়তো অন্যায় করে ফেলেছি । এরকম করা উচিত হয় নি । এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি নিজেও জানি না ।

খুব সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে আবার রুমে চলে আসলাম । আজকে আর ভার্সিটিতে যাবো না ।

মনটা অনেক খারাপ । রিদির কথা বারবার মনে পড়তেছে । কিন্তু কোনো মেসেজ ও করলাম না । ও তো বলেছে ওর বয়ফ্রেন্ড আছে । তাই ডিস্টার্ব করার কোনো মানেই হয় না ।

এভাবেই সাত দিন চলে গেল । রিদির কাছে আর পড়তেও যাই নি এই কয়েকদিন । বাসা থেকেও বের হই নি । তাই সকালে মেহেদী ফোন করে বললো,,,,,,,

মেহেদীঃ কি রে তোর কি অবস্থা কলেজে আসিস না কেন ?

আমিঃ আজকে দেখা কর সব বলছি ?

মেহেদীঃ ঠিক আছে কোথায় আসবো ?

আমিঃ ***** এখানে চলে আয় ।

মেহেদীঃ ঠিক আছে আসছি ।

তারপর ওকে রেডি হতে বলে আমিও রেডি হয়ে ওর সাথে দেখা করতে গেলাম । আজ সাতদিন পর বাসা থেকে বের হলাম ।

আমি বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর রিদি আমাদের বাসায় আসে । এসেই,,,,

রিদিঃ আসসালামু আলাইকুম আন্টি । কেমন আছেন ?

আম্মুঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম মা । আমি ভালো আছি । তুমি কেমন আছো ?

রিদিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি আন্টি । আন্টি আর কাওকে দেখছি না তো ।

আম্মুঃ রাজ একটু বাহিরে গেছে । জানি না ওর কি হইছে । রুমে একাই থাকে চুপচাপ । আর ওর আব্বু তো অফিসের কাজে একটু বাহিরে গেছে ।

রিদিঃ আন্টি রাজ পড়তে যায় না কেন ??

আম্মুঃ কি জানি । আমি তো জানি না মা ।

রিদিঃ ওহহ আচ্ছা ।

আম্মুঃ তা তুমি হঠাৎ এই সময় মা । কিছু বলবে ??

রিদিঃ জ্বি আন্টি । এই নিন ।

আম্মুঃ কি এটা মা ।

রিদিঃ আমার বিয়ের কার্ড । আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে । সামনে শুক্রবার । আপনারা সবাই আসবেন প্লিজ ।

আম্মুঃ অবশ্যই যাবো মা ।

রিদিঃ আন্টি সেদিন রাজ বই গুলো ছেড়ে আসছিল । এই নিন ।

আম্মুঃ তুমি ওর রুমে রেখে আসবে প্লিজ । আমার রান্না ঘরে রান্না বসানো ।

রিদিঃ ঠিক আছে আন্টি সমস্যা নেই ।

আম্মুঃ ঠিক আছে মা ।

তারপর রিদি উপরে চলে আসলো । মনে মনে ভাবলো,,,,

বাহ রুমটা তো খুব সুন্দর । একদম সাজানো গোছানো । দেখে মনে হচ্ছে এটাই রাজের রুম । কারন ওর অনেক বড় ছবি দেয়ালে টাঙিয়ে দেয়া আছে ।

সবকিছুই ভালো করে দেখতে লাগলো রিদি । আর তখনি তার নজর গেল আমার টেবিলের ওপর।

টেবিলের লাল কার্পেটের ওপর নীল ডাইরী টা যেন খুব বেশিই দৃষ্টি আকর্ষণ করছে রিদিকে । একটু কৌতুহল নিয়েই রিদি টেবিলের কাছে গিয়ে ডাইরী টা হাতে নিলো ।

আর মনে মনে বললো,,,,,

""এটা কি রাজের ডাইরী"" ?

কি আছে এই ডাইরী মধ্যে ? রাজের মনের কথা ? এবার কৌতুহল টা যেন আরো বেশি বেড়ে গেল । আমি জানতে চাই রাজের মনে কথা ।

তাই অন্যের ডাইরী তার বিনা অনুমতিতে পড়া অন্যায় জেনেও ডাইরীটা খুললো রিদি । প্রথম পেঁজ ফাকা পরে আছে । কিছুই নেই ।

তাই রিদি আবার একটা পেজ ওল্টাতেই যা দেখলো তাতে তার চোখ কিছুক্ষণের জন্য থমকে গেল সেই পৃষ্ঠায় । আর বললো,,,,,,

এটা কে ? আমি ?

ডাইরীর সাদা পাতায় পেন্সিলের কালিতে হাতে আঁকা রিদির প্রতিচ্ছবি । ছবিটা থেকে যেন চোখ সরানো মুশকিল রিদির । আর বললো,,,,,

হ্যা এটাই আমি । চোখ কান নাক মুখ সবটাই প্রমান করে এটা আমি কিন্তু তারপরেও কিছু একটা তফাৎ আছে ।

আরো ভাবলো,,,,,,

রিদিঃ এই ছবির সাথে আমার চেহারার কিছু তো একটা পার্থক্য আছে কিন্তু সেটা কি?

খুব নিখুঁত ভাবে দেখতে লাগলো ছবি টাকে । এই ছবি আর চেহারায় কি অমিল আছে ।

রিদিঃ হ্যা পেয়েছি? অমিল আছে ।অনেক অমিল আছে । আর সেই অমিল টা হলো ভালোবাসার।

ছবিটা খুব ভালোবাসার সাথে অঙ্কন করা হয়েছে ।এই চোখ শুধু চোখ নয় এই চোখে যে হাজারো মায়ার ভীড় । আচ্ছা আমার চোখে কি আদৌ এতটা মায়া আছে । আমার তো মনে হয়না আছে।

আর এই ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা মৃদু হাসিটা । এ যেন কোনো সাগরের ঢেউ । আমার হাসি কি সত্যিই এতটা সুন্দর ?

রাজের মনে আমার এতটা সৌন্দর্য বিরাজ করে । এটা ভেবেই রিদির চোখের কোন বেয়ে জল গড়িয়ে পরল । কতটা ভালোবাসলে মানুষ এত টা নিখুঁত ভাবে কারো প্রতিচ্ছবি আঁকতে পারে ।

রিদির কৌতুহল আরো বেড়ে গেল। রাজের বুকে রিদির জন্য ভালোবাসার পরিমান জানার আগ্রহ আরো বেশি বেড়ে গেল ।

তাই রিদি আবার একটা পেজ ওল্টালো । আর ওই পেজ দেখার পর রিদির হার্টবীট কিছুক্ষণের জন্য থমকে গেল।

সে আর আটকে রাখতে পারলো না শব্দ করে কেঁদেই দিলো । ডাইরীর সাদা কাগজে বড় বড় অক্ষরে লেখা ""ভালোবাসি রিদি""অনেক বেশিই ভালোবাসি""।

রিদি চোখ মুছতে মুছতে তাড়াতাড়ি করে আম্মুকেও কিছু না বলে সেখান থেকে চলে গেলো । একটু পর আমিও বাসায় চলে আসি । তারপর,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,

পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
227 Views
8 Likes
0 Comments
5.0 Rating
Rate this: