একটি পুরনো ডায়েরি

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:

একটি ছোট গ্রামে এক বৃদ্ধা মহিলা বাস করতেন, যার নাম ছিলো শ্রীমতি ভট্টাচার্য। তার মৃত্যুর পরে, গ্রামবাসীরা অদ্ভুত কিছু ঘটনা লক্ষ্য করল। রাতের বেলা, গ্রামবাসীরা শুনতে পেতেন বৃদ্ধার কণ্ঠস্বর, বিশেষ করে চাঁদের আলো পড়লে।

এক রাতে, এক সাহসী তরুণ গ্রামবাসী, নাম রাহুল, এই ঘটনার সমাধান করার সিদ্ধান্ত নিল। রাহুল রাতে বৃদ্ধার পুরনো বাড়ির দিকে চলল, যেখানে তার আত্মার উপস্থিতির কথা বলা হচ্ছিল। বাড়ির সামনে এসে, রাহুল দেখলেন, একটি পুরনো চিরুনির উপর ধুলোর আস্তরণ পড়েছে। বাড়ির ভেতরে ঢুকে, তিনি অনুভব করলেন যেন কেউ তাকে অনুসরণ করছে।

আসলে, ভুতের গল্পটি সঠিকভাবে জানার জন্য, রাহুল গভীরভাবে অনুসন্ধান করল। তিনি জানতে পারলেন যে বৃদ্ধার মৃত্যুর পর, তার একটি অপ্রাপ্ত কাজ ছিলো যা সে অসম্পূর্ণ রেখে গিয়েছিলো। একটি পুরনো ডায়েরি থেকে জানা গেলো যে, বৃদ্ধা তার প্রিয় কিছুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন—একটি হারানো গহনা যা তার মৃত্যু পর তার কাছে আসেনি।

রাহুল খুজ করতে শুরু করলো আসলে গহনা কোথায় গেলে পাবো । রাহুল যখন গহনার খুজ করতে তার বাড়ি যায় যেয়ে যানতে পারে বৃদ্ধার দুই ছেলে ছিলো,বউ গুলো খুব পাজি ছিলো ভালো করে খেতেও দিতো না বৃদ্ধাকে, ছেলেরা কিছু বলার সাহস পেতো না বললেই বলতো বাপের বাড়ি চলে যাবো।

গ্রামে খুজ নিয়ে জানতে পারলাম বৃদ্ধ মহিলা না খেতে পেয়ে আস্তে আস্তে মারা গেছে আর মারা যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই তার গলার আর কানের থেকে গহনা টেনে নিয়ে তারাতারি শশানে পাঠায়। আমি বুঝলাম যে এতো সহজে গহনা নিতে পারবো না।


যুদ্ধে যখন নেমেছি জয়ী হবই এটা ভেবে রাতের আধারে
সেই গহনাটি খুঁজে বের করল এবং বৃদ্ধার সমাধিস্থলে রেখে দিলো। পরদিন থেকে, গ্রামবাসীরা আর সেই ভূতের কণ্ঠস্বর শুনতে পায়নি। শ্রীমতি ভট্টাচার্যের আত্মা শান্তিতে ছিলো, কারণ তার অসম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিলো।
138 Views
4 Likes
1 Comments
4.3 Rating
Rate this: