দুপুরে খাওয়া শেষ করে রুমে গিয়ে দিলাম এক ঘুম । সন্ধ্যায় আমার ঘুম ভাঙলো । ঘুম থেকে উঠতেই আম্মু এসে বললো,,,,,,,,
আম্মুঃ আজকে থেকে তুই রিদির কাছে পড়তে যাবি ।
আমিঃ কিন্তু কেন আম্মু । আমি তো ভালোই পারি ।
আম্মুঃ কেমন পারিস তা আমরা ভালোই জানি । এখন তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে পড়তে যা ।
রিদির কাছে পড়তে যাওয়ার কথা শুনে মনে আমার লাড্ডু ফুটছে । কিন্তু সেটা প্রকাশ করতেছি না ।
তাই আর কোনো কথা না বলে রেডি হয়ে পড়তে গেলাম । কলিংবেল বাজাতেই আন্টি দরজা খুলে দিলো । আন্টিকে বললাম,,,,,,,,,
আমিঃ আসসালামু আলাইকুম আন্টি ।
আন্টিঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম বাবা । আরে রাজ যে । তুমি তো একবার ও আমাদের বাসায় আসো না ।
আমিঃ এখন থেকে আসবো আন্টি । তা আন্টি কেমন আছেন ?
আন্টিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো বাবা । তুমি কেমন আছো বাবা ।
আমিঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি আন্টি ।
আন্টিঃ তা তুমি হঠাৎ ।
আমিঃ জ্বি আন্টি রিদির কাছে পড়তে এসেছি । সে আছে ?
আন্টি জবাবে বলল,,,,,,,,
আন্টিঃ ওর রুমে আছে । তুমি ওর রুমে যাও।
আমিঃ জ্বি আন্টি ।
আমি আন্টিকে আর কিছু না বলে চলে এলাম রিদির দরজার সামনে । এরপর কোনো কথা না বলে রিদির রুমের দরজার টোকা দিলাম।
রিদি ভেতর থেকে বলল,,,,,,,,
রিদিঃ দরজা খোলা আছে । ভেতরে আয় ।
আমি দরজায় ধাক্কা দিয়ে রুমের ভেতরে তাকাতেই আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল । আমি লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেললাম ।
রিদি আমার দিকে না তাকিয়ে বলল,,,,,,,
রিদিঃ রিনা (রিদির ছোট বোন) একটু এদিকে আয় তো । আমার শাড়ি টা একটু ঠিক করে দে ।
রিদি তো আমাকে রিনা মনে করে রুমে আসতে বলছে । হয়তো ভাবে নি আমি আসবো । কিন্তু এভাবে আমার থাকা ঠিক হবে না । তাই বললাম,,,,,,
আমিঃ আমি রিনা না।
আমার কথা শুনেই তো মনে হয় চমকে উঠলো ।তারাতারি শাড়িটা টা শরীরে কোনোমতে জড়িয়ে নিয়ে আমাকে ধমক দিয়ে বলল,,,,,,,,
রিদিঃ এই পিচ্চি ছেলে দেখতেই পাচ্ছো আমি ড্রেস চেঞ্জ করছি। তারপরও কেন দাঁড়িয়ে আছো ।
আমিঃ আমার কোনো দোষ নাই । আপনিই তো আমাকে আসতে বলেছেন । আর হ্যাঁ আমি কিছু দেখি নি ।
রিদিঃ শ*য়*তা*ন ছেলে,,সবকিছু আমার দেখে নিয়ে বলতেছে কিছুই দেখেনি । যাও বের হও এখন।
আমি আর কোনো কথা না বলে রুম থেকে বের হতে লাগলাম । তখন দেখি রিনা চলে এসেছে।রিদির রুমে আমাকে দেখে চোখ বড়বড় করে তাকিয়েছে ।
আমি ওসবে আমল না দিয়ে রুম থেকে বের হয়ে এলাম । নিচে এসে সোফায় বসে চোখ বন্ধ করতেই একটু আগের দেখা রিদিকে মনে ভেসে উঠলো ।
মনটাও বড্ড বেহায়া। খালি উল্টাপাল্টা চিন্তা করছে।
একটু পর দেখি রিদি নিচে নেমে এলো । ও কালো শাড়ি পড়েছে । কালো শাড়িতে ওকে হেব্বি মানিয়েছে ।
আমার সামনে এসে বলল,,,,,,,
রিদিঃ দেখো তো আমাকে কেমন লাগছে ?
আমিঃ শাড়ি ছাড়াই তো সুন্দর লাগছিল । (বির বির করে)
রিদিঃ শ*য়*তা*ন ছেলে তারমানে তুমি তখন আমার সব দেখে ফেলছো ।
আমিঃ সব আর কই দেখলাম?(একটু আফসোস করে বললাম)
রিদিঃ এহ ! শখ কত । এখন পড়তে আসো ।
এই বলে রিদি রুমে চলে গেল । আমিও রিদির পিছন পিছন চলে গেলাম । বাহহ রুমটা অনেক সুন্দর । গোছানো ।
গিয়ে রিদির পড়ার টেবিলে বসে পড়লাম । রিদিকে আজকে অনেক সুন্দর লাগছে । ফর্সা শরীরে কালো শাড়ি অনেক সুন্দর মানিয়েছে । আমি ওর দিকে তাকিয়ে আছি । তখন রিদি আমাকে বললো,,,,,,
রিদিঃ আমার দিকে না তাকিয়ে থেকে বই বের করো ।
তারপর আমি বই বের করলাম । রিদি আমাকে অর্থনীতির ভারসাম্য বাজারের কিছু অংক করতে দিলো ।
এভাবে একঘন্টা পড়ে আমি আমাদের বাসায় চলে আসলাম । রাতে খাওয়া শেষ করে রুমে এসে চোখ বন্ধ করতেই সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া রিদির সাথে ঘটনা টা চোখের সামনে ভেসে উঠলো ।
আসলে আমি রিদির ফর্সা নাভি টা দেখে ফেলেছিলাম । আর নাভির সাথে সুন্দর ছোট্ট তিলটা আরো আকর্ষণীয় করে তুলে ছিল ।
মনের ভিতর এক অজানা ভালো লাগা কাজ করছে । রিদিকে আমি সত্যিই অনেক ভালোবেসে ফেলেছি ।
কিন্তু ও তো বললো ওর বয়ফ্রেন্ড আছে । হয়তো মিথ্যা বলছে । আমি আমার চেষ্টা করেই যাবো । এভাবে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি নিজেও জানি না ।
সকালে,,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,
পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
গল্পঃ মায়াবী চোখ গুলো
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
226
Views
10
Likes
1
Comments
4.8
Rating