ফারিহা : দাদু দাদু এটা কি আমার নতুন দাদি লাগে । আমি একে কি বলে ডাকবো দাদু ।
মোল্লা সাব : দাদু ভাই এটা তোমার নতুন দাদি লাগে,, তুমি এখন থেকে নতুন দাদি বলে ডাকবে এখন থেকে তুমি ।
ফারিহা : আচ্ছা দাদু ,,, দাদি আপনি কি আমাকে আদর করবেন ,,আমাকে কোলে নিবেন ।
ওমি : ফারিয়া ওই ফারিয়া ,,কোথায় গেল এই মেয়েটি ,, ওমি ফারিহাকে খোজছে । ফারিহা তখনই উওর দিল কি মা বল আমি দাদুর ঘরে । ওমি মোল্লা সাহেবের ঘরে আসলো ,, এসে ফারিহাকে জোরে একটি ধমক দিলো ,, দিয়ে বললো তুই এই মহিলার ঘরে কি করিস । তাড়াতাড়ি এখান থেকে চলে যা ।
এই বলে ফারিহা কে নিয়ে গেল ওমি । আর যাওয়ার সময় বলে গেল ছি । আপনাদের লজ্জা থাকার দরকার ,,আব্বা শুনেন আমার মেয়েকে এই মহিলার কাছে যেন আর না দেখি ।এই বলে ওমি চলে গেল।
মোল্লা সাব : মৌ তুমি কষ্ট পেয়না এদের কথায় ,,মন খারাপও করিও না সময়ের সাথে সাথে সব ঠিক হয়ে যাবে।
মৌ : নাহ আমি আর কিসের জন্য মন খারাপ করবো আমার জীবনে এর থেকে কতো ভয়ানক কিছু হয়ছে ,,,এটাতো সামান্য কিছু ।
কিছুক্ষণ পর তামিমা আসলো ।
তামিমা : বাবা আমি তোমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসছি যাও ফ্রেশ হয়ে আসো ,, মোল্লা সাহেবের অনেক খিদে পেয়েছে ,, হাতমুখ ধুয়ে এসে খেতে বসল,,আর সাথে মৌও খেতে বসে পড়লো । কারণ দুজনে অনেক ভোরে আসছে এই বাড়িতে এখন দুপুর হয়ে গিয়েছে অনেক খিদে পেয়েছে তাদের ,, তাই কিছু না বুঝে খেয়ে নিল । মৌ তামিমাকেও বললো তাদের সাথে খেতে ।
তামিমা বললো না আপনারা খান আমরা খেয়েছি ।
কিছুক্ষণ পর বাহিরে অনেক হাওকাও শোনা যাচ্ছে ,,, প্রচুর মানুষের হাহা জানি এরকম শোনা যাচ্ছে । সবাই বাহিরে বের হলো ,,, মোল্লা সাব সাথে মৌও বের হলো ।
বের হয়ে দেখলো দরজার বাহিরে প্রচুর মানুষ দরজা ধাক্কাচ্ছে ,,, দরজার ওপাশ থেকে বেসে আসছে ,,, মোল্লা সাব দরজা খোলেন দরজা খোলেন আমরা সাংবাদিক। মোল্লা সাব দরজার কাছে আসছে দরজা খোলবে তখনই ।
ইসরাক : সাবধান বাবা একদম দরজা খুলবে না তোমার জন্য আমাদের যতসব ঝামেলা ,,, এগুলো আর আমরা নিতে পারছি না । মান সম্মান সব শেষ এখন খবরে খবরে দেখাবে তোমার বিয়ের ঘটনা । এগুলো আমরা আর নিতে পারছি না ।
মোল্লা সাব : তোরা এমন ভাবে কথা বলছিস জানি আমি খুন করে আসছি । আমি তো শুধু বিয়ে করছি নাকি । আমাকে যেতে দে দেখি এরা কেন আসছে ,, আর কে বা এদেরকে খবর দিয়েছে ?
তামিমা : বাবা দেখো তুমি এদের সামনে যেয়ও না সাংবাদিকরা অনেক পেছিয়ে পেঁচিয়ে কথা বলে তুমি সেগুলো উত্তর দিতে পারবে না । আর তুমি এত বড় মানুষ এত বড় বড় কোম্পানি তোমার ।
মোল্লা সাব : আমি যাব এদের সামনে তোরা তাতে যে যা খুশি বল ।
আশিক : সাবধান বাবা তুমি যাবে না ,,, তোমার সমস্যার কারনে আমার জীবন শেষ যেখানে তোমার ছোট ছেলের বিয়ে করার বয়স হয়েছে । সেখানে তুমি এই কাজ কেমনে করে নিলে । তোমার জন্য আমার গার্লফ্রেন্ড আমার সাথে ব্রেকআপ করে নিয়েছে । এমন ফ্যামিলির লোকের সাথে নাকি কোন রিলেশন করতে চাই না সে ।
সারারাত বাবা আমি ঘুমোতে পারিনি এত কষ্টে । এখন আরও সাংবাদিকের সামনে যাও সবাই মজা নিবে ।
আর ঐদিকের সাংবাদিক দরজার ওপাশে বারবার বলছে দরজা খুলেন দরজা খুলেন । এত ডাকাডাকির কারনে ইসরাক বাহিরে গেল ,, বাহিরে যেয়ে বললো সাংবাদিক কে আপনারা কেন আসছেন ? কে আপনাদের খবর দিল এতো তাড়াতাড়ি ?
এখান থেকে চলে যান ,,, সাংবাদিকদের যেন কোন উপমান বোধ নেই ,,তারা তাও বার বার প্রশ্ন করেই যাচ্ছে তো করেই যাচ্ছে ।
আপনার বাবার এই বয়সের বিয়ে করা আপনারা কি মেনে নিয়েছেন ? আপনাদের নতুন মায়ের শুনলাম বয়স কম ? এটাকি সত্যি ,,,,আপনাদের সংসারে নতুন মানুষ আসাতে আপনাদের কি কিছু বলার আছে বলেন। আরো এমন নানা ধরনের প্রশ্ন লেগেই আছে সাংবাদিকের ? ইসরাক না পেরে দরজা টি বন্ধ করে ফেললো ।
কিছুক্ষণ পর সাংবাদিক চলে গেল ।
ওমি : আমি যে সন্দের করছি সেটাই হলো ,, এখন তো সব নিউজে প্রকাশিত হবে । কুটি পতি রাহাত সাহেব এতো বড় ব্যাবসায়ী ,,সে একদম বুড়া বয়সে বিয়ে করছে ।
তোমাদের মান সম্মান তো শেষ সাথে আমার বাবারো ।
ইসরাক : তোমার বাবার মান সম্মান শেষ হবে কেন ?
ওমি : এতো কিছু যদি বুঝতে তাহলে তো হতেই । আমার বাবাকে সবাই বলবে আপনার মেয়ের শশুর রাহাত সাহেব বুড়া বয়সে বিয়ে করছে নাকি ? তখন আমার বাবার সম্মান কোথায় যাবে । এগুলো নিয়ে ইসরাক আর ওমি জগড়া করতে লাগছে ।
তখনই ওমির মা এসে হাজির ,,,, ওমির মায়ের চোখে একটি চশমা ,,, কানে বড় বড় কানের দুল ,, পরেনে কালো একটি শাড়ি ,,।
মোল্লা বাড়িতে নতুন আবার কোন ঝামেলা নেবে আসলো ,,,,,,
সবাইকে পাশে থাকার অনুরোধ রইলো,,,, 🙏🙏🙏
চলবে,,,,,,,
ফারিহা নিখোঁজ ( পর্ব 4 )
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
146
Views
1
Likes
0
Comments
3.5
Rating