*** একজন দরিদ্র যুবক রাস্তায় ফেরি করে বিভিন্ন জিনিস পত্র বিক্রি করতো। একদিন সে এক বাড়ির পাশ দিয়ে অতিক্রমকালে জনৈক মহিলা তাকে ডাক দিলো এবং একটি পণ্য সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলো।
যুবক তার গুনগত মান ও মূল্য সম্পর্কে অবহিত করলে পণ্য দেখবে বলে তাকে বাড়ির ভিতরে ঢুকতে বলল।
যুবক ভিতরে ঢুকলে মহিলা দরজা বন্ধ করে দিয়ে যুবককে যিনার প্রতি আহ্বান জানাল। যুবক তার প্রস্তাবে সম্মত না হয়ে চিৎকার দিতে গেলে উল্টো মহিলা তাকে শাসিয়ে আল্লাহর কসম দিয়ে বলল,,,
তুমি যদি আমার কথা মোতাবেক কাজ না করো তাহলে আমিই এখন চিৎকার করবো।
তারপর লোক জড়ো হলে বলবো,,,
এই যুবক জোর করে আমার ঘরে ঢুকে পড়েছে। তারপর আরও যা বলার বলবো।
তখন তোমার জন্য নিশ্চিত মৃত্যু কিংবা হাজতখানা অপেক্ষা করবে।
কারণ,,, তোমার কথা কেউ বিশ্বাস করবে না।কাজেই স্বেচ্ছায় আমার আহ্বানে সাড়া দেও।
যুবক ও মহিলাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বহুভাবে বুঝাতে চেষ্টা করলো। বহুভাবে ভয় ভীতি দেখিয়ে বুঝানোর পরও মহিলা নাছোড়বান্দী। কিছুতেই সে বুঝতে চায় না।
অবশেষে যুবক তাকে বলল,,, ঠিক আছে।
আমাকে একটু টয়লেটে যেতে হবে। সেখানে প্রবেশ করে যুবক সারা গায়ে ও পোশাকে মলমূত্র মাখলো।
হাত পা আপাদমস্তক নর্দমা লাগিয়ে সে টয়লেট থেকে বের হলো। তার এই মলমূত্র মাখা অবস্থা দেখে মহিলা চিৎকার করে উঠল।
তার পণ্যসামগ্রী ছুড়ে মেরে তাকে তৎক্ষণাৎ বাড়ি থেকে বের করে দিল।
যুবক বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় নামলো।পেছন থেকে তাকে দেখে ছেলে - ছোকড়ার দল পাগল পাগল বলে চেঁচাতে লাগলো।
বাড়ি পৌঁছে যুবক সব ধুয়ে পরিষ্কার করলো। তারপর ভালো করে গোসল করলো।
এরপর আল্লাহ তায়ালার কুদরতে যুবকের দেহ থেকে এমন সুঘ্রাণ ও সুবাস ছড়ালো যে মৃত্যু পর্যন্ত তা অব্যাহত রইল।
আজ কোথায় সেই পবিত্রতা,,? আজ যুবক - যুবতীদের থেকে এই পবিএতা বোধ কোথায় হারিয়ে গেল,,??
আজ তারা মোবাইলে সামান্য সময় কথা বলা কিংবা কোনো উপহার দেয়া কিংবা ফাসেক - পাপিষ্ঠের মিষ্টি - মধুর কথার ছলে ও বিনিময়ে নিজেদের ইজ্জতকে বিক্রি করে দিচ্ছে !
মুনাফিকের স্বপ্নে বিভোর হয়ে নিজেদের তারা বাণিজ্যিক পণ্যে পরিণত করছে।
সমাপ্ত,,,
একজন পবিত্র ফেরিওয়ালার কাহিনী
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
432
Views
4
Likes
1
Comments
0.0
Rating