অদ্ভুত ভালোবাসা

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
আমিঃ হ্যালো আসসালামু আলাইকুম ।

মেয়েটিঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম ।

আমিঃ আমি আপনার দেয়া ঠিকানার হসপিটালে চলে আসছি । আপনি কোথায় ।

মেয়েটিঃ আচ্ছা আপনি থাকেন । আমি আসছি ।

বলেই ফোনটি কেটে গেল । তিন মিনিট পর একটা বোরখা পড়া মেয়ে হসপিটাল থেকে বের হয়ে আসলো । এসেই আমাকে বললো,,,,,,,

মেয়েটিঃ আপনিই কিডনি ডোনার ।

আমিঃ জ্বি ।

মেয়েটিঃ ওহহ আচ্ছা । তাহলে ভিতরে আসুন ।

আমি মেয়েটির পিছন পিছন হসপিটালের ভিতরে চলে গেলাম । তারপর মেয়েটি আমাকে বললো,,,,,,

মেয়েটিঃ আচ্ছা বলুন আপনার কিডনির বিনিময়ে কি চান ।

আমিঃ আমার কিছু টাকার দরকার ।

মেয়েটিঃ কত টাকা বলেন ।

আমিঃ পাঁচ লক্ষ ।

মেয়েটি অবাক হয়ে বললো,,,,,,

মেয়েটিঃ মাত্র পাঁচ লক্ষ টাকার জন্য আপনি আপনার কিডনি দিচ্ছেন ব্যাপার টা হজম হলো না ।

আমিঃ আপনার কাছে এটা মাত্র হলেও আমার কাছে অনেক কিছু ।

মেয়েটিঃ আপনি যদি এর চেয়েও বেশি কিছু চাইতেন আমি সেটা দিতেও রাজি ছিলাম । কারন আমার আম্মুর জীবন আমার কাছে খুব ইম্পোর্টেন্ট ।

আমিঃ না আমার বেশি কিছু লাগবে না । আর আপনি যেমন আপনার আম্মুর জীবন বাঁচাতে চাচ্ছেন আমিও আমার আব্বুর জন্য কিডনি দিতে রাজি হচ্ছি ।

মেয়েটিঃ কি হইছে আপনার আব্বুর ।

তারপর মেয়েটিকে আমি সব খুলে বললাম ।

আমিঃ আচ্ছা যাই হোক বাদ দিন । তাড়াতাড়ি অপারেশনের ব্যবস্থা করেন । আমার আবার যেতে হবে । না হলে সবাই সন্দেহ করবে ।

তারপর অপারেশনের মাধ্যমে আমি আমার একটা কিডনী উনার আম্মুকে দিয়ে দিলাম । তারপর আমার জ্ঞান ফিরলে মেয়েটি একটা কাগজে কি যেন নিয়ে এসে হাত বাড়িয়ে বললো,,,,,,,,

মেয়েটিঃ এই নিন ।

আমিঃ কি এটা ।

মেয়েটিঃ খুলে দেখুন ।

তারপর খুলে দেখলাম আট লক্ষ টাকা । আমি বললাম,,,,,,

আমিঃ আরে এতো টাকা তো আমার লাগবে না । পাঁচ লক্ষ হলেই হবে ।

মেয়েটিঃ প্লিজ না করবেন না । আপনাকে যেটা দিবো সেটাই আমার কম মনে হবে । কারন আপনি আমার মায়ের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ ।

অনেক জোরাজুরিতে আমি টাকা গুলো নিলাম । আর বললাম,,,,,,

আমিঃ আসি তাহলে । অনেক দেরী হয়ে গেল । সবাই মনে হয় টেনশন করছে ।

মেয়েটিঃ চলেন আমি আপনাকে ড্রপ করে দিয়ে আসি ।

আমিঃ না । দরকার নেই । আপনার আন্টির পাশে থাকা জরুরি ।

মেয়েটিঃ আম্মুর দেখাশোনার জন্য এখন অনেকে আছে । আপনি চলুন তো ।

তারপর মেয়েটি জোর করে আমাকে তার গাড়ি করে আব্বু কে ভর্তি করা হাসপাতালে নামিয়ে দিল ।

আমিঃ ধন্যবাদ । আপনার এই উপকার কখনো ভুলবো না ।

মেয়েটিঃ আমিও আপনার উপকার কখনো ভুলবো না । ভালো থাকবেন । আর আমি দোয়া করবো আপনার আব্বু যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেন ।

আমিঃ ইনশাআল্লাহ ।

মেয়েটিঃ আল্লাহ হাফেজ ।

আমিঃ আল্লাহ হাফেজ ।

তারপর মেয়েটি সেখান থেকে চলে গেল । আর আমিও হসপিটালে চলে আসলাম । আমাকে দেখেই আম্মু আর পরী একসাথে কাছে এসে বললো,,,,

আম্মুঃ কি রে কোথায় গেছিলি ।

পরীঃ আমি কতবার ফোন করেছি যানো । ফোন কোথায় তোমার । আমাদের কত টেনশন হয়েছে জানো তুমি ।

আমিঃ আরে আস্তে আস্তে । আমার কিছুই হয় নি । একটু কাজে ছিলাম । আর ফোন সাইলেন্ট ছিল বুঝতে পারি নি ।

আম্মুঃ টাকার ব্যবস্থা করলি ।

আমিঃ হ্যাঁ । এই নাও ।

পরীঃ এতো টাকা কোথায় পেলে ।

আমিঃ পরে শুইনো । এখন টায়ার্ড লাগছে একটু বিশ্রাম নিবো ।

বলেই কথাটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম । রাতে আমি আর আম্মু হসপিটালে ছিলাম । পরীকে জোর করে বাসায় পাঠিয়ে দিলাম ।

আমি খুব ক্লান্ত ছিলাম । আর শরীর টাও অনেক খারাপ তাই আমি আগেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম । সকালেও একটু ঘুম থেকে উঠতে দেরী হলো ।

সকালে ঘুম ভাঙলো পরীর ডাকে । ডেকে তুলে বাহিরে নিয়ে গিয়ে আমাকে যা বললো তা শুনে আমি চমকে গেলাম ।

কারন পরী বললো,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,
To be continue,,,,,,,,,
""
""
""
ভালো লাগলে অবশ্যই রেসপন্স করবেন । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
228 Views
19 Likes
0 Comments
4.2 Rating
Rate this: