আমিঃ হ্যালো আসসালামু আলাইকুম ।
মেয়েটিঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম ।
আমিঃ আমি আপনার দেয়া ঠিকানার হসপিটালে চলে আসছি । আপনি কোথায় ।
মেয়েটিঃ আচ্ছা আপনি থাকেন । আমি আসছি ।
বলেই ফোনটি কেটে গেল । তিন মিনিট পর একটা বোরখা পড়া মেয়ে হসপিটাল থেকে বের হয়ে আসলো । এসেই আমাকে বললো,,,,,,,
মেয়েটিঃ আপনিই কিডনি ডোনার ।
আমিঃ জ্বি ।
মেয়েটিঃ ওহহ আচ্ছা । তাহলে ভিতরে আসুন ।
আমি মেয়েটির পিছন পিছন হসপিটালের ভিতরে চলে গেলাম । তারপর মেয়েটি আমাকে বললো,,,,,,
মেয়েটিঃ আচ্ছা বলুন আপনার কিডনির বিনিময়ে কি চান ।
আমিঃ আমার কিছু টাকার দরকার ।
মেয়েটিঃ কত টাকা বলেন ।
আমিঃ পাঁচ লক্ষ ।
মেয়েটি অবাক হয়ে বললো,,,,,,
মেয়েটিঃ মাত্র পাঁচ লক্ষ টাকার জন্য আপনি আপনার কিডনি দিচ্ছেন ব্যাপার টা হজম হলো না ।
আমিঃ আপনার কাছে এটা মাত্র হলেও আমার কাছে অনেক কিছু ।
মেয়েটিঃ আপনি যদি এর চেয়েও বেশি কিছু চাইতেন আমি সেটা দিতেও রাজি ছিলাম । কারন আমার আম্মুর জীবন আমার কাছে খুব ইম্পোর্টেন্ট ।
আমিঃ না আমার বেশি কিছু লাগবে না । আর আপনি যেমন আপনার আম্মুর জীবন বাঁচাতে চাচ্ছেন আমিও আমার আব্বুর জন্য কিডনি দিতে রাজি হচ্ছি ।
মেয়েটিঃ কি হইছে আপনার আব্বুর ।
তারপর মেয়েটিকে আমি সব খুলে বললাম ।
আমিঃ আচ্ছা যাই হোক বাদ দিন । তাড়াতাড়ি অপারেশনের ব্যবস্থা করেন । আমার আবার যেতে হবে । না হলে সবাই সন্দেহ করবে ।
তারপর অপারেশনের মাধ্যমে আমি আমার একটা কিডনী উনার আম্মুকে দিয়ে দিলাম । তারপর আমার জ্ঞান ফিরলে মেয়েটি একটা কাগজে কি যেন নিয়ে এসে হাত বাড়িয়ে বললো,,,,,,,,
মেয়েটিঃ এই নিন ।
আমিঃ কি এটা ।
মেয়েটিঃ খুলে দেখুন ।
তারপর খুলে দেখলাম আট লক্ষ টাকা । আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ আরে এতো টাকা তো আমার লাগবে না । পাঁচ লক্ষ হলেই হবে ।
মেয়েটিঃ প্লিজ না করবেন না । আপনাকে যেটা দিবো সেটাই আমার কম মনে হবে । কারন আপনি আমার মায়ের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ ।
অনেক জোরাজুরিতে আমি টাকা গুলো নিলাম । আর বললাম,,,,,,
আমিঃ আসি তাহলে । অনেক দেরী হয়ে গেল । সবাই মনে হয় টেনশন করছে ।
মেয়েটিঃ চলেন আমি আপনাকে ড্রপ করে দিয়ে আসি ।
আমিঃ না । দরকার নেই । আপনার আন্টির পাশে থাকা জরুরি ।
মেয়েটিঃ আম্মুর দেখাশোনার জন্য এখন অনেকে আছে । আপনি চলুন তো ।
তারপর মেয়েটি জোর করে আমাকে তার গাড়ি করে আব্বু কে ভর্তি করা হাসপাতালে নামিয়ে দিল ।
আমিঃ ধন্যবাদ । আপনার এই উপকার কখনো ভুলবো না ।
মেয়েটিঃ আমিও আপনার উপকার কখনো ভুলবো না । ভালো থাকবেন । আর আমি দোয়া করবো আপনার আব্বু যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠেন ।
আমিঃ ইনশাআল্লাহ ।
মেয়েটিঃ আল্লাহ হাফেজ ।
আমিঃ আল্লাহ হাফেজ ।
তারপর মেয়েটি সেখান থেকে চলে গেল । আর আমিও হসপিটালে চলে আসলাম । আমাকে দেখেই আম্মু আর পরী একসাথে কাছে এসে বললো,,,,
আম্মুঃ কি রে কোথায় গেছিলি ।
পরীঃ আমি কতবার ফোন করেছি যানো । ফোন কোথায় তোমার । আমাদের কত টেনশন হয়েছে জানো তুমি ।
আমিঃ আরে আস্তে আস্তে । আমার কিছুই হয় নি । একটু কাজে ছিলাম । আর ফোন সাইলেন্ট ছিল বুঝতে পারি নি ।
আম্মুঃ টাকার ব্যবস্থা করলি ।
আমিঃ হ্যাঁ । এই নাও ।
পরীঃ এতো টাকা কোথায় পেলে ।
আমিঃ পরে শুইনো । এখন টায়ার্ড লাগছে একটু বিশ্রাম নিবো ।
বলেই কথাটা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলাম । রাতে আমি আর আম্মু হসপিটালে ছিলাম । পরীকে জোর করে বাসায় পাঠিয়ে দিলাম ।
আমি খুব ক্লান্ত ছিলাম । আর শরীর টাও অনেক খারাপ তাই আমি আগেই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম । সকালেও একটু ঘুম থেকে উঠতে দেরী হলো ।
সকালে ঘুম ভাঙলো পরীর ডাকে । ডেকে তুলে বাহিরে নিয়ে গিয়ে আমাকে যা বললো তা শুনে আমি চমকে গেলাম ।
কারন পরী বললো,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,
To be continue,,,,,,,,,
""
""
""
ভালো লাগলে অবশ্যই রেসপন্স করবেন । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
অদ্ভুত ভালোবাসা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
228
Views
19
Likes
0
Comments
4.2
Rating