অপারেশন ঈগল

অপারেশন ঈগল
পার্বত্য চট্টগ্রাম এক নয়নাভিরাম জায়গা,বাংলাদেশে যে কয়টা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় ভ্রমণের জায়গা আছে তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম অন্যতম,ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম পছন্দের জায়গা তবে এর সৌন্দর্যের আড়ালে রয়েছে কিছু তিক্ততা আর সেটা নিয়েই কিছু পর্যালোচনা করা যাক।

#পাহাড়ি সন্ত্রাসঃ
পার্বত্য চট্টগ্রাম মূলত কয়েকটি উপজাতি সন্ত্রাসী সংগঠনের হাতে জব্দ যারা পাহাড়ে দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অপহরণ,গুম-খুনের রাজত্ব কায়েম করে রেখে তবে তাদের সবচেয়ে বড় মিশন পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশ থেকে আলাদা করে জুমল্যান্ড নামক নতুন রাষ্ট্র তৈরি করা,এসব সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম শান্তি বাহিনী,কেএনএফ,জেএসএস,ইউপিডিএফ,জেএল,এমএল,ত্রিপুরা ন্যাশনাল ফ্রন্ট। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় শান্তি বাহিনী নামক সন্ত্রাসী সংগঠন যার পরিচালনায় ছিলো সন্তু লারমা আর এই বাহিনীকে দমনের জন্যই মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা ক্যাম্প স্থাপন,পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা ও বাঙালিদের থাকার ব্যবস্থা করেন কিন্তু তারপরও শান্তি বাহিনী তাদের সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যায় এবং বর্তমানে সেটা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। আর তারা এখন পর্যন্ত অসংখ্য বাঙালিকে হত্যা করেছে,তাদের উপর আক্রমণ করছে,তাদের বাড়ি-ঘর-দোকানপাটে আগুন দিয়েছে,সেনাবাহিনীর সদস্যদের হত্যা করেছে,পাহাড়ে কেউ ঘুড়তে গেলে বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীকে দিতে হয় চাঁদা তার বিপরীতে ভারত ও তাদের এদেশীয় এজেন্টরা উপজাতিদের উপর নির্যাতনের মিথ্যা প্রোপাগান্ডা মূলক নাটক সাজিয়ে,সংখ্যালুঘু ভিক্টিম কার্ড ব্যবহার করে তাদের অপকর্মগুলো আড়াল করেছে এখনো করছে। আর সঠিক সংবাদের অভাবে আমাদের কাছে অনেক কিছুই অজানা রয়ে যাচ্ছে। 

#শান্তি চুক্তি থেকে বর্তমানঃ
পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে খুনি হাসিনা ও সন্তু লারমার শান্তি বাহিনীর মধ্যে এক কথিত শান্তি চুক্তি হয় যেখানে দেখানো হয় তারা তাদের অস্ত্র জমা দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ইতি ঘটাচ্ছে কিন্তু এগুলো সবই লোক দেখানো। তারা তাদের অস্ত্রের সংখ্যা উল্টো বাড়িয়েছে আর এই কথিত শান্তি চুক্তির পরই বাকি সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো একে একে গঠিত হয়েছে আর তারা বর্তমানে এমন সব আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত যে সহজেই সেনাবাহিনীর সাথে লড়ার ক্ষমতা রাখে। সবচেয়ে বড় কথা খুনি হাসিনার আমলে ভারতের কথামতো বিভিন্ন অজুহাতে অসংখ্য সেনাবাহিনী ক্যাম্প পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সরিয়ে ফেলেছে আর এটা পাহাড়ি উপজাতি সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আরও গতি বৃদ্ধি করেছে। উপজাতি সন্ত্রাসীদের মাঝে মধ্যেই অস্ত্র নিয়ে লোকালয়ে মহড়া দিতে দেখা যায়। এরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে আলাদা করার জন্য ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলমান রেখেছে কিন্তু শুধু একমাত্র সাচ্চা দেশপ্রেমিক শাসকের অভাবে ও এদেশে বসবাসরত ভারতীয় দালালদের জন্য উপজাতি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।

চলবে...........
17 Views
0 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই

সকল পর্ব