আমাদের সম্পর্ক টা শুরু হয় দশম শ্রেনি থেকে, সেনদিন ও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল কিরে তানভীর তর কাছে দুইটা কলম আছে, আর আমি ওরে কলম দিতে গিয়েই ওর মায়াই পড়ে যায়, আসলে এর আগেও ওকে অনেক বার দেখেছি তবে কোনদিনও এত মায়াবী লাগে নি। আসলে আমি খুবই ভালো একজন স্টুডেন্ট ছিলাম সবগুলো ক্লাস মনযোগ দিয়ে করতাম। আর
ওর মায়ায়পরার পর কয়টা ক্লাস আমি মনযোগ দিয়ে করেছি তা আমি নিজেও জানি না। স্কুলে এসে শুধু ওর দিকে তাকিয়ে থাকতাম। তবে কোনদিন ওরে কিছু বলতাম না শুধু তাকিয়ে থাকতাম । একদিন ও আমাকে জিজ্ঞেস করে কিরে তুই আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থাকিস কেন, আমি কি বলব বুজতে পারতেছিলাম না।
আমতা আমতা করে বললাম “কেন তাকিয়ে থাকি বুজস না " তখন ও বলল না, আমি আবার বললাম তাহলে থাক আর বুজা লাগবে না, আর এই কথার উত্তর শুনে ত আমি পুরাই হতভাগ। ও বলে যে আজকে থেকে যেন অন্য কোন মেয়ের দিকে নজর না যায়। এটা বলেই
একটা মুচকি হাসি দিয়ে চলে যায়। আর তখন আমার খুশি দেখে কে। এর পর থেকে ওর আর আমার নিয়মিত কথা হয়। আর ওর কথা শুনে যেন মনে হয় যে আমি ওরে কতটা ভালোবাসি তার থেকে তিনগুন বেশি ও আমারে ভালোবাসে। একদিন আমি ওরে জিজ্ঞেস
করেছিলাম, আচ্ছা তোমাকে যদি তোমার বাবা মা জোর করে বিয়ে দিয়ে দেয় তাহলে তুমি কি করবে,
তখন ও বলে যে আমাকে আমার বাবা মা কোন দিনও জোর করে বিয়ে দিবে না, একেবারে পরালেখা শেষ করার পর বিয়ে , আর যদি জোর করে বিয়ে দিতে চায় তাহলে তোমার সাথে চলে আসব আরকি। এভাবে কেটে যায় এক দুই তিন বছর তবে ওর আর আমার সম্পর্ক এখনো আগের মতোই তবে ইন্টার পরিক্ষার সময় আমি ওরে বলেছিলাম এখন থেকে পরিক্ষা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা দৈনিক শুধু একবার করে কথা বলব। তবে ও আমাকে দৈনিক তিন চার বার করে কল করত। আমার সাথে কথা না বলে নাকি থাকতে পারে না
আজ আমাদের সম্পর্কের পাঁচ বছর পূর্ণ হলো এর মাঝে ঝগড়া হয়েছে অসংখ্য বার তবে কোনদিন ও বিচ্ছেদ হয় নি। আর আজকে আমার প্রিয় মানুষ টিকে নিজের করে বাড়ি নিয়ে আসব।
এত সহজেই সমবয়সী সম্পর্কের মিলন খুব কমই হয়। হয়তবা আমরা দুজন ভাগ্যবান তাই একে অপরের নিজের করে পেয়েছি ।
কলম দিতে গিয়ে প্রেম
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
169
Views
8
Likes
1
Comments
3.0
Rating