দুলি!!!!

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
দেখে আসলাম কালো মেয়ে গদাই নমুর ঘরে। নো মোর মেয়ের গায়ের ঝলক সেই রং নিয়ে।
ধ্রুবা বনে রাখলে মিশে যায় মেঘের মাঝে রাখলেও খুঁজে নাই পাওয়া যায়।পুরোটা শরীর যেন আদর সোহাগে মাখা।

গায়ে তাহার গয়না নাই হাতে কিছু কাচের চুড়ি রয়েছে পায়ে কাঁসার খারু কিছু বাচ্ছে যে তাকে একবার দেখে সে আবার দেখতে চায় তার কাজ হচ্ছে সারাদিন গাও টহল দেওয়া।

পুতুল আছে অনেকগুলো প্রতিদিন বিয়ের পিড়িতে বসায় এসব কাজে তার কাছে সুজন সবার সেরা।

সমীর শেখের ছেলে সুজন কোথায় কখন ডাহুক ডিম পাড়ে তার নখের আগায় থাকে‌ আমের আটি দিয়ে সবার সেরা বাঁশি বানাতে একটু দ্বিধা নেই।

শিমুলতলী!!
হ্যাঁ এতক্ষণ শিমুল তলি কথা বলছিলাম নমু মুসলমান গলায় গলা মিশিয়ে চলে সেখানে নমু পাড়ায় পূজার উৎসব মুসলমানদের ঈদ আমেজ ভাগাভাগি করে আমেজ করে।
পূজায় গান বাজনা আওয়াজ মসজিদে গেলে কোন সমস্যা হয় না মুসলমানদের মাংস রান্নায় ঘ্রাণ নমুপাড়ায় গেলে কোন সমস্যা হয় না বরং মাঝে মাঝে সেখানে দেখা যায় হিন্দুদের পূজায় মুসলমানরা বয়াত গান গায়।
নমুর বাড়ির তমাল উঠান বেয়ে চলছে সুখ দুঃখ তারা লয়ে শিমুল তুলিতে এক হয়ে রয়েছে মুসলমান কেউ মারা গেলেও নমু যেয়ে তুলসীতলায় প্রদীপ উঠায়, নমুর স্বামী হারালেও মুসলমানরাও সৌখির ব্যাথা সহ্য করে।

তারা এক হয়ে চলে এসব তারা কোথায় পাইল এসব তারা কুরআন ও হাদিস পড়ে পাইনি শপথ করে বলছি।

নমু্র মধ্যে নমু সেরা গদাই মোড়ল তার নাম দেখতে যে রকম কাম করে সেরকম বড় ঘর খানা চাল তার আকাশ ছুঁইতে চায়।
গোয়ালে তার ১০ টি বলদ গড়ে তাহার মস্ত বড় ধানের গোলা আছে আরো সাতজন পোলা আরেক আছে গিন্নি তাহার হয়তো লক্ষ্মী দেবী ভুল করে তার কাছে বাঁধা পড়েছে পান হতে চুন তার খোসাইতে পারে এমন বাপের ছেলে নাই ।
ইহার চেয়ে বড় সম্পদ তাহার ঘরে আছে নাম তাহার দুলালী দুলি বলে সবাই ডাকে সারাখন ব্যস্ত থাকে নানা রকম কাজে। বলেছিলাম সকল কাজের সুজন তাহার সাথী নমুর মেয়েও সুজনের বারি ভাব
যেমন গাছের সাথে লতার মিলনের সুজন যেন নদীর কূল দুলালী নদীর পানি সুজনের সাথে বারি ভাব তার পথে যখন দেখা হয় মনের মধ্যে মনে হয় যেন রঙিন গুড়ি আকাশে উড়ালো কেউ হঠাৎ যদি সুজন পিছন থেকে এসে ডাকে পাকা কুড়িয়ে পেয়েছে দুলির এমন লাগে।

সুজনের সাথে দুলির খুব ভাব ইচ্ছে করে দুলির সুজন ওরে সিন্দুরের সিন্দুকে ভরে রাখে।
সেই তো কিছুদিন আগে সুজন পরিল অসুখে দুলি আবার সাতখানা মহিষ মানত করিল রক্ষা কালীর কাছে । তারি সাথে দুশো মোমবাতি মানিল পীরের দরবারে সুজন সারিল যেদিন খেজুরের যত আটি ছিল তা বিলিয়ে দিল জনে জনে পা ভাঙ্গা পুতুলখানা দিয়ে দিল পাশের পাড়ার পুটিরে। কালীমাতা তার দশটা মহিষ হারালো পীর জিন্দা না বলে ২০০ মোমবাতি দাম নিতেন পারল না।

সেই একবার সুজন গিয়েছিল তাহার মামার বাড়ি চার দিন যেন ধুলির কাছে লেগেছে জাহান্নামের মত।
আচ্ছা সুজন যদি মানুষ না হয় ফুল তারা চাঁদ হতো তারে দেখতে কেমন হতো?
তাহলে সুজন তাহাকে দেখিতে পারি তো না চিনিতে পারি তো না সুজন হল চাষীর ছেলে তা কি হয়েছে ভালো ছেলে তো ইস বাপ যদি আমাকে সুজনের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয় না এই শরম নিয়ে কিভাবে বাঁচবো।

দূর কোন গ্রামের পথে উঠিল আযান ভেজে আজকে যে সুর কেমন যেন অশুভব বাণী কোথায় যে কি কোনটা হয় তার ঠিক নেই গগনের পথে আসতে আসতে নামলো চাঁদ রাত ফুরিয়ে সকাল হল সুজন তাড়াতাড়ি উঠি বাঁশি লইয়া চলিল ধুলির বাড়ির প্রাণে রাস্তায় দেখা মিলিলো ওই আকডালে আম পাখি আছে কি যে রঙের ছিঁড়ি
দুলিরে ডাইকা এনে দুইজন মিলে ভাগ করিব এমন করিয়া বহুক্ষণ দেরি করে অবশেষে পৌঁছালো দুলিদের বাড়ি।
ধুলি শোন এসে ওকিরে ঘুমিয়ে রয়েছিস সিদুরিয়া গাছে আম পাকিয়াছে শীঘ্রি আয় অন্য কেউ এসে কেড়ে নিবে দেরি হলে এই খবর পেয়ে হুরমুর করে দুলিয়ে উঠিল ঐইদিক হতে মা বলিল কোথায় যাস ধাড়ি মেয়ে।
পাড়ার ডাঙ্গর ছেলেদের সাথে আছে খেলায় মাতি বয়স হয়েছে এখন তো একটু ভালো করে চল মাগি

এসব গালির কিছুই বুঝিলো না দুলি উল্টো বলিল কোথায় আমার বয়স হয়েছে কাছে এসো না হয় দেখো বয়স আমার হয়েছে এ কথা বল নাই কক্ষনো
কালকেই তো আমি সুজনের সাথে বলে ফেলে আসলাম এক রাতে বুঝি বয়স বাড়ল।

এই কথা শুনে মার রাগ উঠিলো মাথায় ঘুরুম গুরুম কিল মারিলো তিন চার খানা
ফেল ফেল করিয়া সুজন দেখিলো এই অবিচার কোন সামর্থ নাই তার করার প্রতিকার পায়ের উপর পা ফেলিয়া সুজন চলে যাওয়া অজানা পথে হাটিতে হাটিতে এসে বসলো নিমতলার পুকুর ঘাটে।
আনমনা অনেকক্ষণ বসে থাকার পর পিছন থেকে কে যেন তার চেপে ধরল চোখ চুরি বাজাইয়া কইলো বল দেখি আমি কে সুজন আমতা গলায় বলে ওপারার হারানো পোলা না হলে নবীনের বোন বাতাসে কিংবা উল্লাসে তুমি হবে
ভারীতো সাহস এই বলে খিল খিল করে হাসি চোখ খানা ছাড়িয়া সুজনের পাশে এসে বসে একই দুলি তুই!!
দুলি কহে তুই তো আসলি মা তখন মোরে বলল বয়স বুঝিয়ে লোকের সঙ্গে আলাপ করিতে হয়

সুজন মাথা ঘুরাইয়া কইল বুঝলাম না আমি এত আমরা খেলিলাম তখন বয়স আছিলো না এখন বয়স আছিলো কই থিকা আসিলে যখন কথা কইল না আসিল কোন দেশ থিকা

দুলি কইলো আচ্ছা সুজন বল দেখি মোরে বয়স কেমন আসে কেমন করে সুজন বলিল বুড়ো মানুষের মাথায় পাকা চুল দেখিলে বুঝা যায় বয়স কেমন দেখিতে হয়। দেখি ভাই মিছে বলিস নি মাথায় বেণী খুলে সবগুলো চুল ঝেড়ে অনেক বাড়ে খুজিল সুজন পাকা চুল আছে নাকি হেথায়
বহু কোন খোঁজার পর সুজন কইল না কোথাও নাই তোর চুলে বয়েসের চিহ্ন দুলি কহিল এখনি আমি মার কাছে গিয়ে জেনে আসি চুলে কোথাও লেগে আছে বয়স সুজন কহিল এখন যাবার দরকার নাই চল মনের ধারে গিয়ে খেলি গাছে ডালে বউ কথা কও পাখি সুজন দিল রাগিয়ে তার মত করে ডেকে।
দুলিরো মনের বাসনা সুজনের মতো করে বউ কথা কও কয় ডাকবে তাই সুজনের ও বলে শিখা না কেমন করে বউ কথা কও কয়
সুজন দুলিরে দু ঠোট খুব ভুল করে ধরে বলে নিয়ে এবার শীষ দে তাহলে হবে।
দুলি যত ভুল করে সুজন তত রাগে দঙলি বলে তোর মুখ ভরা গান দে আমার মুখে ভরে এই নিয়ে আমি ঠোট খুলে ধরলাম দম বন্ধ করে।
এই বলে সুজন মুখ বাড়াতে যাবে সামনে এসে দাড়ালো ধুলির মা ওরে ধাড়ি মেয়ে সাপে বাঘে খায় না কেন তোরে

দাড়াও সুজন আজকে আমি তোমার বাপের কাছে বিচার দেব যাতে করে শাস্তি দেয় তোমারে
এই কথা বলে দুলিরে নিয়ে হেচরাইয়া ছুটিল বাড়ি সুজন রইলো বইসা হেথায় নিথর হয় ভাবিবার ভাষা সে তখন আর খুঁজে নাই পায়।
মুহাররম মাস এসে হাজির হলো শিমুল তলির গায়ে
জারি গানে লাঠি খেলায় মতলো সবাই মহাউৎসবে সুজন আজকে নতুন করে সাঁঝে লাল গামছা গুড়িয়ে শিরে মহররমের গান গাইতেছে গান শেষে তার মনের চাইলো লাঠি খেলা খেলতে মদন চাচা তোমার সনে জানি পারব না তবুও খেলতে মন চায় চলো তাহলে দুইজনে মিলে লাঠি ঘুড়ায় ঘূর্ণিপাক মদন মিয়া যখন লাঠি গুঁড়িয়ে মারল তখন বাড়ি সুজন তাহার লাঠি নিলো কারি মদন বলে সাবাস জুয়ান শিমুলতলীর গায়ের খ্যাতি।

নমুর পাড়া বিবাহের গান গদাই নমুর বাড়ি খানি ছেলে মেয়ে দিয়ে কলরব সুজন আমার বিবাহ আজকে দেখো হলুদ দিয়ে করিয়াছি স্নান তোমারে কেন ডাকিয়াছি তবে নিকটে আসি শুনো কান পাতি এই সাজে বাহির হইবো যেথায় যায় আখি তুমি হইবা মোর সাথী হ্যাঁ দু লি তুমি এখনো অবুঝ বুদ্ধিশুদ্ধি হবে কবে এই পথে পরিনাম কি তুমি ভাবিয়া দেখছো একবারও তোমারে লইয়া উদাও হইবো তারপরে ক্ষিপ্ত হবে নমুর দল
তবে সাক্ষী রাখিলাম সীতার সিঁদুর সাক্ষী রাখলাম দুগাছি শাখা সুজনের কাছ থেকে পেলাম আমি জনমের দাগা

দুলি তবে ফিরে আসো চলো দুইজন যাই চরণ যেই দিকে যায় আপন কপাল তুমি ভাঙ্গিলে ফেরানোর ক্ষমতা নেই তবে ভেবে দেখো আমার সাথে গেলে তোমার অনেক দুঃখ সইতে হইবে অনেক ভাবিয়া দেখেছি সুজন তুমি যেথায় রবে জগতখানি শুক্র হইয়া দাঁড়ায় তারে তৃণসম আমি মানি না।
কি হলো হঠাৎ নমুর পাড়ায় বিয়ের বাজনা থামিলো কেন?
সারা গায়ে বাড়ি কলহল আরো উঁচু হইছে কেন?
চারদিন ঘন কালো আঁধার তার মাঝখানে এই গেল সুর
কি হলো গাছের শাখায় বাদিয়া রয়েছে বিবাহের রং চেলি কি হলো আলতা ছোপন পায়ের চিহ্ন দেখিয়ে পথ দিয়ে কতদূর যায়
বিবাহের কনে পালিয়ে গিয়েছে না জানি সে কোন বেগানা হাত ধরে কাজীর গেরামে খবর নিয়েছি সুজন দেখা না পাওয়া যায় গতকাল থেকে তাকে নাকি দেখা গেছে শিমুল তলির গায়ে
দলিরে নিয়ে বাঁধিলো কুঁড়েঘরজঙ্গলের মাঝখানে কত পাখি ময়ূর আসে দুলিরে দেখিতে
সেই ঘরে বসে আছে দু পা মিলিয়া একটা মেয়ে পিছনে তাহার কালো চুল গুলো জুলিয়ে রেখেছে গায়ে
মেয়েটি সেখানে বসিয়া করিতেছে গান দূর কোথাও বউ কথা কও পাখি ডাকিয়া হয়েছে হয়রান

এদিক সুজন আসিয়া ডাকে ও বউ কথা কও নতুন বউ লজ্জায় মাথা করে রাখে নিচে আসিয়া সুজন হাতে নিল কুঠারখান দুলি বলিলো একটু বসো কুঠার কেন নিলে হাতে?

কাঠের বোঝাটি মাথায় করিয়া সুজন কইলো যাই দুলি বলিলো আনিও কিন্তু যা বলেছি তাই
সেদিন আসিয়া সুজন কইলো কাঠের ব্যবসা করে এমন করে কি কাটিবে দিন চিরতরে ঐই পাড়ার এক নায়ের মাঝির সাথে হইয়া আইছি ভাগি কালকে যাব সফরেতে পাট আনার লাগি

তাহাই হইলো তারপরের দিন আসিল নাও সুজনেরে নিয়ে ছুটিল পাল তুলি ১ দিন যায় ২ দিন যায় সুজনের নাহি খোঁজ এই গা দিয়া কত নাও যায় কত নাও আসে সুজনের নাও নাহি আসে
দুটি চোখ তার ভরিয়াছছ জলে কাখে কলসি চেয়ে এমন সময় দুয়ারে দাঁড়ালো পুলিশ ও লোকজন সুজনের তারা আনিয়াছে হাত করে বন্ধন

খবর !!!!!


নানান কাজে ব্যস্ত সবে কে করে কার খবরদারি
নায়ব মশাই জেলায় যেয়ে নালিশ করি নারী হরণ মামলায় সুজনরে দিল ধরি
সাতটি বছর কাটালো সে জেলখানায় খালাশ পেয়ে শুনলো সে মুখে মুখে নতুন বিয়ে বরকে নিয়ে দুলি আছে সুখে।

মনের দুঃখে সুজন আর ফিরলো না তার গায়ে হয়ে গেলে ভেদে ধরলো অচিনা নাও ভেদের নাও চলছে ভেসে অচিন হতে অচিনপুর তারপরেতে এসে থামল উড়ান খালির চর প্রভাত বেলা মাথায় লইয়া মাল ছুটি লো বেচিবার তোরে গ্রামে
দুপুর বেলা কে আসিল কে বাদিয়া ননদীলো তারে বসতে বল কদম তলে যাইয়া।

শোনো শোনো নতুন বাদিয়া তোমার ঝাপরি ডাকনি দাও খুলিয়া আমার শাখার কোন দাম নাই ঐই দুটি হাতে পরাইবো বলে সিন্ধুর আমার ধন্য হইত তোমার বালে পারলে পড়াইতে
ননদীলো তুই চলে যেতে বল বাদিয়া রে কাজল বরন কন্যা তুমি যাহা মনলয় দিও দাম পরে আগে তুমি মোর শাখা সিঁদুর পর এ কেমন শাখা পড়াইছো মোরে নয়ন জলে ভাসি ননদীলো তুই ঐই দিক যা আমি শুনে আসে ও কি বলে ।

কে তুমি বলো?
দুলি তুমি মোরে আর আঘাত দিও না কে তুমি সুজন যাও ফিরে যাও কেন এসেছ এই অবলা নারীর দ্বারে
যাও ফিরে যাও আবার আসিবে না ভুলেও এদিক দুলি তুমি এত নিষ্ঠর শেষ খনে মোরে একটু ভালো কথা বলে বিদায় দাও
যাও তুমি আসবেনা আবার ফিরে ব্যথায় ব্যথিত হয়ে সুজন ভোজা মাথায় নিয়ে ছুটিল সেই হাতে রেখে সময় নাওয়ের দিকে

আস্তে আস্তে শেষ হইল দিন ঘনিয়ে হলো রাত ঐই দিকে দুলির নিদ না পায় চোখের জলে ভাসি
সুজন তাহার মনের দুঃখে হাতে লোইলো বাঁশি
দুই ডোখ গিলিয়া লইলো বিষ যা ছিল নাওয়ে সাপ তাড়াইবার তরে হাতে বিষ খানা নিয়ে করুন কণ্ঠে ধরিল বাঁশির সুর সুর যেন নয় এটা ফাটিয়া হয় চারদিক চৌচির ঠিক তেমন আঘাত করলি দুলির গায় আর পারে না শুয়ে থাকতে শরীরে ধরিলো জ্বালা কি করুন সুরে বাঁশি বাজায় ঐই বংশিওয়ালা
না আর সহেনা চারদিক ভালো করে দেখি নীরব ভাবে ছুটিল সে বাশির সুর দেখি কে যেন নাওয়ের মাথায় বসিয়া হেলে দুলে বাজায় বাঁশি দুলি কাছে গিয়ে হাতে রাখিলো গায় ফিরিয়ে তাকাইলো খানিক একি সুজন !!!!

সুজন তোমার মনের ভিতর এত কষ্ট রাখো আরো বাজাইওনা এ বাঁশি সইতে পারিনা আমি বিশ্বাস করো তোমায় ছাড়া একটুও ভালো নাই আমি চলো যাই কোথাও পালিয়ে আবার দূর দেশের অচিন পুরী ।

কি কথা শুনাইলে দুলি বাঁচিবার ইচ্ছে হয় হাজার বছর আমি যে কিছুক্ষণ আগে পান করছি বিষের জার
বলিতে বলিতে সুজন ডুলিয়া পরিলো দুলির কোলে সাথে সাথে তার প্রাণ গেল জনমের তরে তুমি যদি চলেই যাও আমায় কেন রেখে যাবে
এই বলিয়া সুজনের হাত হতে বিষখানা ঢালিলো নিজের মুখে তবে ।
প্রভাক বেলা লাশ মিলিলো যুবক যুবতীর উরান খালির চরে।
শুনিয়েছে সবাই এরা সুজন আর দুলি
হায়রে ভালোবাসা এত করুন নিষ্ঠুর
কেবা মনে রাখিবে সুজন দুলির জীবন মুর।





1.77K Views
11 Likes
3 Comments
3.6 Rating
Rate this: