এসিপিঃ স্যার আপনি নাকি ডার্ক ডেভিলকে ধরেছেন । কোথায়,,,আমি তাকে একবার দেখতে চাই ।
ডিসিঃ ওই যে ঝু*লে রাখছি ।
এসিপি দেখলো আর একটু অবাক হলো । তারপর যা বললো তা শুনে সবার মাথা ঘুরে গেল । কারন এসিপি বললো,,,,,,
এশিপিঃ এ আপনি কাকে ধরেছেন স্যার ।
ডিসিঃ কেন ডার্ক ডেভিল ।
এসিপিঃ কিন্তু এটা তো ডার্ক ডেভিল নয় ।
ডিসিঃ কিহহহ । মানে কি ?
সবাই অবাক হয়ে এসিপির দিকে তাকালো । আবার সবার মনে ভয় ঢুকলো । তাহলে আসল ডার্ক ডেভিল কোথায় । তখন এসিপি বললো,,,,,,
এসিপিঃ জ্বি স্যার । এটা ডার্ক ডেভিল নয় । আমি এক রাতে ইনফরমেশন পেয়ে ছিলাম ডার্ক ডেভিল ****** ঠিকানায় থাকে । সেদিনই আমি সেখানে যাই ডার্ক ডেভিলকে ধরতে । কিন্তু তার আগেই ডার্ক ডেভিল আমাকে ধরে ফেলে । আর সেখানে এই ছেলে শুধুমাত্র কর্মরত ছিলো । এ ডার্ক ডেভিল নয় ।
ডিসিঃ তাহলে তুমি কি সেদিন ডার্ক ডেভিলকে দেখেছিলে ।
এসিপিঃ জ্বি স্যার ।
এতক্ষণ রকি আর ওর বন্ধুরাও শুনতেছিল যে এগুলো কি হচ্ছে । যাকে এতোদিন ডার্ক ডেভিল মনে করতে সে প্রকৃত ডার্ক ডেভিল নয় । তখন আবার ডিসি বললো,,,,,
ডিসিঃ তাহলে আসল ডার্ক ডেভিল কে ?
এতক্ষণ এসিপি আমাকে খেয়াল করে নি । আমার দিকে দেখতেই তার হাত পা কাঁপা শুরু করে দিল । ডিসি আবার বললো,,,,,
ডিসিঃ কি হলো বলো না কেন আসল ডার্ক ডেভিল কে । আর তুমি এভাবে কাঁপতেছো কেন ।
এসিপিঃ আসল ডার্ক ডেভিল আপনার বাবার পিছনে ।
বলেই দৌড়ে এসে হাঁটু গেড়ে আমার হাতে চুমু খেলো ।
সবাই এক ঝটকায় আমার দিকে তাকালো । আর সবাই কেঁপে উঠলো । আর ভাবতে থাকলো এ কেমনে ডার্ক ডেভিল হতে পারে ।
রকি আর বন্ধুরা শুনেই তো অজ্ঞান হয়ে গেছে । নীলার বাবা কিছু করতে যাবে তার আগেই মন্ত্রী,,,আবরার আহমেদ,,আর ডিসি সবাই আচমকা উল্টা ঝুলে গেল । তারা বুঝতেই পারে নি কখন তাদের ঝুলানো হয়েছে ।
আর ফেক ডার্ক ডেভিলকে নামানোর জন্য আমি ইশারা দিলাম । কারন ফেক ডার্ক ডেভিল হলো আমার পার্সোনাল চিফ সিকিউরিটি রানা । আমার কথা মতোই সে এতো দিন ডার্ক ডেভিল সেজে ছিল ।
তাকে নামানোর পর সেও এসে হাঁটু গেড়ে আমার হাতে চুমু খেলো । আর বললো,,,,,
রানাঃ আসসালামু আলাইকুম ডেভিল স্যার ।
আমিঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম ।
তারপর ঝুলন্ত অবস্থায় আবরার আহমেদ বললেন,,,,,,,
আবরার আহমেদঃ কে তুমি । কেন তুমি আমাদের সাথে এমন করছো ।
রানাঃ কিহহহ ডার্ক ডেভিলকে তুমি করে বলা । একদম মাথার মাঝখানে ফুটো করে দিবো ।
আমি রানাকে ইশারা দিয়ে থামতে বললাম । আবরার আহমেদ তবুও ভয় পেয়ে বললেন,,,,,,,
আবরার আহমেদঃ সরি । আপনি কে । কেন আমাদের টার্গেট করেছেন ।
আমিঃ ইমতিয়াজ মাহমুদের কথা মনে পড়ে আপনাদের ।
মন্ত্রীঃ কোন ইমতিয়াজ মাহমুদ ।
আমিঃ কুষ্টিয়ার জেলায় থাকতো । এক সময় দেশের টপ বিসনেসম্যানের মধ্যে একজন ছিলেন । আপনারই তো বন্ধু ছিলেন ।
আবরার আহমেদঃ হ্যাঁ মনে পড়েছে ।
আমিঃ আমি উনার ছেলে রাকিব । যাকে এখন ডার্ক ডেভিল নামে চিনলেন । তো মনে পড়ে তাকে আপনারা কিভাবে ঠকিয়ে নিজেরা বড়লোক হয়ে উনাকে রাস্তায ফকির বানিয়েছেন ।
উনারা সবাই তখন চুপ হয়ে গেলেন । আমি একটা হুংকার দিয়ে বললাম,,,,,,
আমিঃ কি হলো কথা বলেন না কেন । কিভাবে উনাকে ঠকিয়েছেন মনে আছে ?
উনারা সবাই একসাথে বললেন,,,,,,
""হ্যাঁ মনে আছে ।""
আমিঃ তাহলে সেই গল্প এখানে সবার সামনে আজকে বলবেন আমি শুনতে চাই ।
আবার সবাই চুপ করে আছে । তাই আমি একটা ইশারা দিলাম । আর সাথে সাথে আমার লোকেরা ডিসিকে গুলি করে ওর বুক ঝাঁঝরা করে দিলো । সবাই ভ*য়ে কেঁপে উঠলো । আমি বললাম,,,,,,
আমিঃ চুপ করে থাকলে একে একে আপনাদের ও এরকম হবে ।
বলার সাথে মন্ত্রী আর আবরার আহমেদ বলতে শুরু করে,,,,,,
আবরার আহমেদঃ তখন তুমি অনেক ছোট ছিলে । তোমার বাবা আর আমরা অনেক ভালো বন্ধু ছিলাম । তোমাদের ফ্যাক্টরিতে ব্যবসার পাশাপাশি আমি আর আশরাফ চৌধুরী আর্মস,,ড্রাগ,,মেয়ে পাচার এগুলোর ব্যবসাও লুকিয়ে করতাম সেটা তোমার বাবা জানতো না ।
কিন্তু একদিন তোমার বাবা এই ব্যাপারটা জেনে ফেলে । আর অনেক ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশে রিপোর্ট করবে জানায় । তাই আমি আর আশরাফ চৌধুরী তোমার বাবাকে মে*রে ফেলার চেষ্টা করি । কিন্তু ব্যর্থ হই । তারপর তার উপর মিথ্যা দোষারোপ দিয়ে জেলে পাঠিয়ে দেই । জেল থেকে বের হয়ে এখন সে কোথায় সেটা আমরা জানি না ।
এতক্ষণ সবাই তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছিলো । তখন নীলা আর পুষ্প বললো,,,,,,,,
নীলাঃ ছিঃ বাবা তুমি এতো জ*ঘ*ন্য । তোমাকে আমাকে বাবা বলতেও ঘৃ*ণা হচ্ছে ।
পুষ্পঃ বাবা তোমাকে তো আমি অনেক ভালো ভাবতাম । আজ থেকে ভাববে তোমার কোনো মেয়েই নেই । আমি তোমার পরিচয়ে বাঁচতে চাই না ।
নীলাঃ আর পুষ্পঃ কিন্তু রাকিব তুমি আমাদের ধোঁকা কেন দিলে সেটা বলো,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,
To be continue,,,,,,,,,,,,
ভালো লাগলে অবশ্যই রেসপন্স করবেন । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
ডার্ক ডেভিল
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
311
Views
20
Likes
1
Comments
4.9
Rating