অচেনা মেয়েটি

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
আমি-- সরি সরি আমি আসলে দেখতে পাইনি।


মেয়েটি -- ঠাস ঠাস ঠাস, আমার জামা টাই নষ্ট করে দিল যত্তসব ক্ষেত।

মেয়েটি চলে গেল আমি আবুলের মতো দাড়িয়ে থাকলাম।


আমি ওখান থেকে সোজা বাসায় চলে আসলাম।
বাসায় গিয়ে দেখি বাসার সামনে কার দারিয়ে আছে।

বুঝলাম না এই সময় আমাদের বাসায় কে আসলো আবার।

আমি দেখার জন্য ভিতরে গেলাম গিয়ে দেখি মামা, মামি, আর আমার মামাতো বোন মারুফা।

মামা আমাকে দেখেই বলল,

মামা-- কি খবর নিরব, পড়াশোনা কেমন চলতেছে।


আমি-- জি অনেক ভালো।

মা -- নিরব যা ফ্রেশ হয়ে আয়।


আমি ফ্রেশ হতে চলে গেলাম, গসল করে একটা তোয়ালে পেচিয়ে বের হলাম।

হঠাৎ দেখি মারুফা আমার রুমে ঢুকতেছে। আমি মারুফা কে দেখেই চিতকার দিলাম।

চিৎকার দিয়ে আবার ওয়াশ রুমে ঢুকে কাপড় পরে বের হলাম।
বের হয়ে দেখি এখনো বসে আছে।


আমি-- এই তুই আমার রুমে কি জন্য এসেছিস।


মারুফা-- এমনি দেখতে এলাম।

আমি-- আসবি যখন নক করে আসা যায়না। আমার ইজ্জৎ সব শেষ করে দিল।

মারুফা-- আরে আরে কান্না করতে হবে না আমি কিছু দেখিনি।


আমি-- সত্যি তো,,।


মারুফা -- আরে বাবা, হ্যা আমি কিছুই দেখিনি।


আমি-- তো এখনো এখানে দাড়িয়ে আছিস কেন। যা বের হ।

মারুফা কে বের করে দিয়ে, আমি আমার মতো ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুম থেকে উঠে দেখি রাত হয়ে গেছে।


তাই দেরি না করে ফ্রেশ হয়ে রাতের খাবার খেয়ে রুমে এসে একটু ফেসবুকে ঢুকলাম।


ফেশবুকে ঢুকতেই একটা মেসেজ আসলো। চেক করে দেখলাম সেই মেয়েটা।
আমার একটু বিরক্তি লাগলো।

কিন্তু কেন জানিনা মেসেজের উত্তর না দিয়ে পারলাম না।

মসেজ,,,,,,,,,



নুসরাত -- Hi,


আমি-- Hello.

নুসরাত -- আচ্ছা একটা কথা বলি।

আমি-- জি বলেন,।


নুসরাত -- আজকে কলেজ ওই মেয়েটি তুমাকে মারলো কেন।


এই যাহ এ জানলো কেমন করে, ওর তো জানার কথা না। তাহলে কি মেয়েটি মানে নুসরাত আমাদের কলেজেই পড়ে।


নুসরাত -- কি হলো উত্তর দিতেছনা কেন।


আমি-- হুম,, আচ্ছা আপনি কিভাবে জানেন, যে আজকে আমাকে থাপ্পড় মারছে।


নুসরাত -- আমি তুমাকে আগেও বলেছি আমি তুমাকে ভালোবাসি, আর ভালোবাসার মানুষের এটুকু খবর আমার কাছে আসবেই।


আমি-- আপনি কি আমার পেছনে গয়েন্দা লাগিয়েছেন নাকি।


নুসরাত -- হুম বলতে পারো তাই লাগিয়েছি। আর শুধু এই খবর কেন, আমি তুমার সব খবর ওই জানি। এখন তুমি কি করছ কি পরে আছ আজকে কার সাথে মিশছো সব।



এতো মনে হয় পুরো দমে হ্যাকার,। না আমাকে খুজে বের করতেই হবে কে এই মেয়েটি।


আমি-- আচ্ছা, আমার অনেক ঘুম পাইছে, বায়।


নুসরাত -- এই দারাও, একটা কথা। তুমার ওই মামাতো বোনের সাথে যদি মিশতে দেখছি তুমার খবর আছে।


আমি আর রিপ্লাই দিলাম না মেসেজ সিন করে অফলাইনে চলে গেলাম।
এবং লম্বা একটা ঘুম দিলাম।


সকালে,,,,,,

সকালে একটা মিষ্টি কন্ঠে ঘুম টা ভেংগে গেল।
আমি উঠে দেখি মারুফা, ডাকতেছে।


আমি-- কিরে এতো সকাল সকাল ডাকতেছিস কেন।


মারুফা -- সকাল কি আর আছে প্রায় 10 বাজে।


আমি-- কি 10 বাজে, আমার তো কলেজে যেতে।

তাই তারাতাড়ি করে ফ্রেশ হয়ে রেডি হয়ে নিলাম।
বাহিরে বের হতে যাব ঠিক তখনি আব্বু বলল।

আব্বু -- এই নিরব, মারুফা কেও নিয়ে যা। আজকে থেকে ও তোর কলেজেই পড়বে।

আমি-- আব্বু আমার অনেক লেট হয়ে যাইতেছে। ওরে একটু তারাতাড়ি রেডি হতে বল।

এই বলে আমি নিচে এসে মারুফার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম।

তখন পেছন থেকে মারুফা বলল।


মারুফা -- এই নিরব দেখনা কেমন লাগছে আমাকে।


আমি পেছনে ঘুরে যা দেখলাম,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,




(পরের partএর জন্য অপেক্ষা করুন ধন্যবাদ)
333 Views
8 Likes
5 Comments
4.7 Rating
Rate this: