পুষ্পঃ তাহলে আমার কপালে একটা কিস দাও ?
ওর কথা শুনে আমি হতভম্ব হয়ে গেলাম । কি বলবো ভেবে পাচ্ছি না । তখন পুষ্প আবার বলল,,,,,,
পুষ্পঃ কি হলো দাও?
আমিঃ আমি এসব পারবো না।
পুষ্পঃ তাহলে আমি এভাবেই বসে থাকবো।
কি আর করার পুষ্পের কপালে আলতো একটা চুমু দিয়ে দিলাম । ও লজ্জায় চোখ বন্ধ করে নিলো । তারপর আমি বললাম,,,,,,,
আমিঃ এখন আমি যাই আমার কলেজের দেরী হয়ে যাচ্ছে ।
পুষ্পঃ আবার কখন আসবে ?
আমিঃ যখন সময় পাবো তখন ।
আর কোনো কথা না বলেই কলেজে চলে আসলাম । হঠাৎই একটি গাড়ি কলেজের ভেতর প্রবেশ করলো। খুব দামি গাড়ি। গাড়ির ভিতর থেকে কে নামছে তা দেখার জন্য একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছি। কিন্তু যা দেখলাম তা দেখে সে আকাশ থেকে পড়লাম।
গাড়ি থেকে একটি মেয়ে বের হয়ে আসলো। মেয়ে তো নয় যেন ছেলে । কিন্তু মেয়েটি দেখতে হেব্বি কিউট ও সুন্দর। প্রথম দেখাতেই ফিদা।
যাই হোক গাড়ি থেকে নামার পর সেখান থেকে চলে গেল ।
আমিও কলেজের ক্যাম্পাসের সামনে দিয়ে হেটে যাচ্ছিলাম আর সবাই এমন ভাবে চেয়ে ছিল যেমন আমি এলিয়েন আর কেউ হাসতেও ছিল। কারন আজকেও আমি পড়নে ঢিলে ঢালা পুরানো শার্ট প্যান্ট,,স্যান্ডেল ও চশমা ।
তারপর আমিও ক্লাস রুমে চলে গেলাম । ক্লাসে ঢুকে তো অবাক। তখনকার সেই মেয়েটিও এই ডিপার্টমেন্টের। আমি চুপচাপ পিছনে গিয়ে শেষের বেঞ্চে বসে পড়লাম। স্যার লেকচার দিয়ে চলে গেলেন। আরেক লেকচারের জন্য অনেক সময় বাকি তাই ক্যাম্পাসটা ঘুরে ঘুরে দেখতে লাগলাম।
কিছুক্ষণ পর যখন আনমনে হাটতে ছিলাম আর ভাবতে ছিলাম হঠাৎ করে কিছু একটার সাথে ধাক্কা খাই আর পরে যাই।
উঠে দেখি সেই ছেলেটি যে ক্লাসে আমাকে অপমান করেছিল।
ছেলেটিঃ ঠাসসসস ঠাসসসস । ফ*কি*রে*র বাচ্চা,,কু*ত্তা*র বাচ্চা দিলিতো নোংরা করে ।
আমিঃ সরি ভাই আসলে খেয়াল করি নি। (মাথা নিচু করে)
ছেলেটিঃ ঠাসসস ঠাসসসস । খেয়াল করিসনি মানে জানিস দাম কতো আমার ড্রেসের।
বলেই আমার শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে মাঠের মাঝখানে নিয়ে গেল ।
আমিঃ ভাই আমাকে ছেড়ে দিন আমার ভুল হয়ে গেছ।আমাকে মাফ করে দিন।
ছেলেটি ওর বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে বললো,,,,,,,
ছেলেটিঃ ঐ হকিস্টিক টা নিয়ে আয় তো ।
ওর ৫/৬ জন বন্ধু হকিস্টিক দিয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি মা*র*তে শুরু করে। আমি শুধু বলতেছিলাম ভাই আমার ভুল হয়ে গেছে মাফ করে দেন। প্রায় ১০/১২ মিনিট পিটানোর পর একটা মেয়ে আসে আর ওরা চুপ হয়ে যায়। হ্যা সকালের সেই মেয়েটি। আমি মনে মনে ভাবতেছিলাম কি ভালো মেয়ে।
ছেলেটিঃ নিলা তুই এখানে ?
যেমন সুন্দর নাম তেমন চেহারাও সুন্দর।
নিলাঃ আরে এই ক্ষ্যাতটা নতুন এসেছে আর তুই এখনই মে*রে*ই বিদায় করতে চাস রকি ?
রকিঃ কি বলতে চাচ্ছিস তুই নিলা?
নিলাঃ আরে কুল কুল । আমি বলতে চাইতেছি আজই যদি বিদায় করে দিস বাকি দিন গুলো আমরা মজা করবো কিভাবে?
নিলাঃ আরে এই ছেলেটা হবে আমাদের কলেজের জোকার । যাকে দেখে সবাই মজা নিতে পারবো আর মুড ভালো হবে আর তুই কিনা আজকেই মে*রে বিদায় করে দিচ্ছিস? পরে তো ভ*য়েই আর আসবে না ।
রকিঃ ভালো কথা বলেছিসতো। এভাবে তো ভেবে দেখেনি ।
নিলাঃ হুম বুঝছিসতো এবার না হয় ছেড়ে দে ।
রকিঃ যাহ এভাবের মতো ছেড়ে দিলাম তরে। এই নে ৫০০ টাকা ঔষধ খেয়ে ব্যান্ডিস লাগিয়ে নিস।
এই বলে ওরাও চলে গেলো । আমি উঠতেও পারতেছিলাম না। আমাকে এমন ভাবে মে*রে*ছে যে আমার শরীরে অনেক জায়গা কে*টে গেছে মাথার সামনে কেটে গিয়ে র*ক্ত পরছে পায়ে অনেক ব্যথা দাঁড়াতেও পারছিলাম না। আর কেউ সাহায্যের জন্যও আসতেছিল না।
কিছুক্ষণ এভাবে যাওয়ার পর.......
আমি একা একাই কোনোরকম কষ্ট করে গাড়িতে উঠে বাসায় চলে এলাম । আম্মু তো আমার এই অবস্থা দেখে কান্না করতে লাগলো ।
আমি শুধু আম্মুকে বললাম কিছুই হয় নি । ছোট্ট এ*ক*সি*ডে*ন্ট । তারপর রুমে চলে গেলাম । রাতে পুষ্পের সাথে কথা বললাম । ওকে আর এগুলো জানালাম না ।
কয়েকদিন আর কলেজে গেলাম না । এই কয়েকদিনে আমার অনেক ক্লোজ হয়েছে । আর ওকে হাসপাতাল থেকেও রিলিজ করে দিয়েছে ।
আর পুষ্প আমার থেকে না দূরে থাকার জন্য আমাদের ই কলেজেই ভর্তি হয়েছে । কয়েকদিন পর আমি কলেজে গেলাম ।
গিয়ে দেখি,,,,,,,,,,
চলবে,,,,,,,,
To be continue,,,,,,,,,,
ভালো লাগলে অবশ্যই রেসপন্স করবেন । পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
ডার্ক ডেভিল
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
2.22K
Views
23
Likes
0
Comments
5.0
Rating