পরদিন সারে নয়টাই সবাই কলেজে এক হলাম। এবং চল্লিশে গিয়ে ট্রেন ধরলাম। তখনো আমাদের গন্তব্যের কোন শেষ সীমানা ছিল না। ট্রেন যতটুকু যায় এতটুকুই আমরা যাব। আমাদের সকলের ইচ্ছে সারাদিন ট্রেন ভ্রমন করে সন্ধ্যায় যে কোন একটা ট্রেন ধরে বাসায় ফিরে আসবো।
ট্রেন তার পূর্ণ গতিতে চলতেছে। আর আমরাও প্রকৃতি উপভোগ করতেছিলাম। হঠাতই টিটির সাথে মনির ঝগড়া বাধিয়ে ফেলে। এবং সকলে মিলে তাকে থামায় এবং ঝগড়ার মিমাংসা করি। তবে টিটি আমাদের উপর অনেক রেগেছিল। এর পর আমরা পাঁচ বন্ধু কখন জানি ঘুমিয়ে যায় নিজেরাও বুঝতে পারি নি।
যেহেতু টিটি আমাদের উপর রেগে ছিল তাই আমাদের আর ডাক দেয় নি। যখন ঘুম ভাংগে তখন শুনি আজান দিতেছে। বহিরে তাকিয়ে দেখি কিছুটা অন্ধকার। আমাদের বুঝতে আর বাকি রইলো না যে মাগরিবের আজান দিচ্ছে। পরক্ষণেই সকলে বাহিরে বেরিয়ে আসলাম। এসে স্টেশনের নাম দেখে আমাদের সকলের চোখ যেন কপালে উঠে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়ে গেছে। কারন আমরা বাংলাদেশের শেষ স্টেশন চিলাহাটি স্টেশনে পৌঁছে গিয়েছিলাম।
কনর্ণফুলী কিভাবে এতদুর আসলো বুজতে পারছিলাম না। তারপর খোজ নিয়ে দেখি আমরা যে ট্রেন দিয়ে এসেছি এটা কনর্ণফুলী ট্রেন নয়। এটা “মিতালি এক্সপ্রেস"। আর এই ট্রেন হাতে গনা কয়েকটা স্টেশন ছারা কোথাও থামে না। স্টেশন মাস্টারের কাছ থেকে জানতে পারি এখান থেকে নরসিংদী যেতে কমপক্ষে ১০ ঘন্টার মতো সময় লাগবে।
আর তিনি বলেন পরবর্তী ট্রেন ছারতে আরো দুই তিন ঘন্টা সময় লাগবে। আটটা পাঁচ এ আবার ট্রেন ছারে। তখন ট্রেন সম্পর্ণই খালি ছিল। আর আমরা আবারও ঘুমিয়ে পড়ি। কিছুক্ষন পর এক ভদ্রলোক আমাদেরকে ডেকে বলে ছোট ভাইয়েরা তোমরা ঘুম থেকে উঠে আমাদেরকে বসার জায়গা দাও। আমরা সকলে উঠে বসলাম এবং উনাদেরকে জায়গা দিলাম।
এর পরবর্তী স্টেশনে থামতেই। অতিরিক্ত যাত্রী উঠায় ট্রেনের ভিতরে বসারও কোন জায়গা ছিল না।তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম ট্রেনের ছাঁদে উঠে যাব। আর ছাদে উঠতেই শীতল বাতাসে আমাদের মন ……
চলবে…….……
তৃতীয় পার্ট খুব শিগ্রয় আসছে
চার বন্ধুর মৃত্যু
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
280
Views
18
Likes
0
Comments
2.7
Rating