বলা হয়ে থাকে ক্লাস নাইন, এবং ইন্টার ফাস্ট ইয়ারের ছেলেমেয়েদের থেকে পাখিরাও কম উড়ে। আর এই কথাটা কেন বলা হয় আজকে এই গল্প টা না পড়লে বুজবেন না।
আমি সার্জিস আলম, এবার সবে মাত্র ইন্টার ফাস্ট ইয়ারের ছাত্র । আর ভর্তিও হয়েছি মেথিকান্দা রেল স্টেশন সংলগ্ন একটি সরকারি কলেজে। কলেজে দুই তিন দিন যাওয়ার পরই চার পাঁচ জন বন্ধু পেয়ে যাই। এক কথাই আমরা পাঁচ জনের একটা টিমের মতো হয়ে যায়। যেখানেই যেতান পাঁচ বন্ধু একসাথেই যেতাম।
ওদের নাম ছিল নাঈম,রবিন, ফোরকান আর মনির। আমাদের মাঝে মনির ছিল ইকটু ঝগড়াটে, কথায় কথায় ঝগড়া বাধিয়ে ফেলতো। সব কিছু ঠিক ঠাকই চলছিল।শুধু পড়ালেখা বাধে। আমরা সবাই-ই বেসরকারি স্কুল থেকে পড়ে এসেছি, আর তাই সরকারি কলেজে হঠাৎ এত স্বাধীনতা পেয়ে বড্ড উড়ে গিয়েছিলাম।
ক্লাস ফাকি দিয়ে প্রতিদিনই ঘুরতে যেতাম। তবে কাছাকাছি জায়গাই। একদিন সবাই মিলে প্লান করলাম একটা বড় টোর দিব। আর ঠিক করলাম পরের দিনই যাব।যেতেতু সবে মাত্র ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়ি তাই বাসায় ও দেড়িতে ফিরতে পারব না। তাই সবাই মিলে বুদ্ধি করলাম বাসায় বলব কলেজে কাল কনসার্ট হবে তাই বাসায় রাতে ফিরবো। আর সবাইকে সময় দেওয়া হলো পরদিন ঠিক সারে নয়টাই কলেজে থাকতে। কারন নয়টা বেজে চল্লিশ মিনিটে কর্নফুলী ট্রেন আছে।
পরদিন সারে নয়টাই সবাই কলেজে এক হলাম। এবং চল্লিশে গিয়ে ট্রেন ধরলাম। তখনো আমাদের গন্তব্যের কোন শেষ সীমানা ছিল না। ট্রেন যতটুকু যায় এতটুকুই আমরা যাব। আমাদের সকলের ইচ্ছে সারাদিন ট্রেন ভ্রমন করে সন্ধ্যায় যে কোন একটা ট্রেন ধরে বাসায় ফিরে আসবো।
চলবে ………
দ্বিতীয় পার্ট খুব শিগ্রয় আসছে।
চার বন্ধুর মৃত্যু
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
553
Views
24
Likes
2
Comments
4.0
Rating