আজকে আমার চোখের সামনে একটা ট্রাক একটা কারকে ধাক্কা মে*রে এ*ক*সিডেন্ট করে চলে গেল । আমি দেখেই চোখ বড় বড় করে তাকালাম ।
নিমিষেই অনেকের ভীড় জমে গেল । আমিও তাড়াতাড়ি করে সেখানে গেলাম । গিয়ে দেখি একটা অনেক সুন্দর মেয়ে এ*ক*সিডেন্ট করেছে ।
কিন্তু কেউ তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে না আজব । তাই আমি বেশি কিছু না ভেবে র*ক্তে মাখা মেয়েটিকে কোলে নিয়ে হসপিটালের দিকে যেতে লাগলাম ।
আমি মেয়েটিকে বলতে থাকলাম,,,,,,
আমিঃ আপনার কিছুই হবে না । প্লিজ একটু ধৈর্য্য ধারণ করুন আর চোখ টা খোলা রাখুন ।
মেয়েটা র*ক্তা*ক্ত ঝাপসা চোখেই আমাকে একটা নজর দেখলো । কিন্তু কিছুই বলতে পারছে না ।
তারপর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি মেয়েটিকে নিয়ে হাসপাতালে পৌছে গেলাম । আমাকে এই অবস্থায় দেখা মাত্র নার্সেরা স্টেচার নিয়ে এসে মেয়েটিকে ওটি তে নিয়ে গেল ।
এটা তো পুলিশ কেস । কিন্তু আমাকে পুলিশে জিডি ও করতে হলো না । মেয়েটিকে এই অবস্থায় দেখা মাত্র ওরা যেন ব্যাতি ব্যস্ত হয়ে পড়লো ।
আমার মনে হয় মেয়েটি কোনো ধনী আর পলেটিশিয়ান এর মেয়ে । যাইহোক ওকে ওটি তে নিয়ে যাওয়ার পর আমি ওখানেই বসে আছি ।
মেয়েটার বাসায় যে খবর দিবো সেটাও দিতে পারছি না । কারন আমি জানিই না মেয়েটি কে । এখন আমার পরিচয় টা কিছু দেয়া যাক ।
আমি রাকিব । বাবার ব্যবসা সূত্রে একমাস আগেই কুষ্টিয়া থেকে বগুড়ায় এসেছি । তাই এখানে আজিজুল হক কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে ভর্তি হয়েছি । সেশন অনেক আগেই শুরু হয়েছে । কিন্তু এখানে ভর্তি হয়ে আজকেই আমার ফার্ষ্ট ক্লাস ।
আর সেটাও আজকে মিস করলাম । মেয়েটিকে কোলে নেয়ার সময় র*ক্ত দিয়ে পুরো শার্ট টা আমার ভিজে গেছে ।
কিছুক্ষণ পর ডাক্তার অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে বললো,,,,,,,
ডাক্তারঃ পুষ্প মামুনিকে এখানে কে ভর্তি করেছে ?
ওহহ তারমানে মেয়েটার নাম পুষ্প । তারপর আমি বললাম,,,,,,,
আমিঃ জ্বি আমি ।
ডাক্তারঃ উনি কে আপনি জানেন ।
আমিঃ জ্বি না । মানুষ হিসেবে বাঁচানো আমার দায়িত্ব তাই আনছি ।
ডাক্তারঃ হুমম । উনি হলো মন্ত্রী আশরাফ চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে ।
আমি শুনে একটু অবাক ই হলাম । তারপর ডাক্তার কে জিজ্ঞাসা করলাম,,,,,,
আমিঃ ওহহ আচ্ছা । এখন উনি কেমন আছেন,,,?
ডাক্তারঃ অনেক র*ক্ত বেরিয়ে গেছে । ব্লা*ড দিতে হবে ।
আমিঃ ব্লা*ড গ্রুপ কি ?
ডাক্তারঃ AB +
আমিঃ আমারও AB + । আপনি আমার ব্লা*ড নিতে পারেন ।
ডাক্তারঃ ঠিক আছে । তাড়াতাড়ি আসুন ।
তারপর আমি দুই ব্যাগ ব্লা*ড দিলাম । আমি ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলাম,,,,,,
আমিঃ ডাক্তার আমি বাসায় যেতে চাই । পরে আবার এসে দেখে যাবো ।
ডাক্তারঃ ঠিক আছে আপনি যেতে পারেন । তবে আপনি রোগীর যে ভর্তি করার ফর্ম আছে ওটা পূরণ করে যাবেন ।
আমিঃ ঠিক আছে ।
তারপর আমি হসপিটালের সব কাজ ছেড়ে বাসায় চলে এলাম । কারন আজকে আর এই অবস্থায় কলেজে যেতে পারবো না ।
এসে দরজায় কলিং বেল বাজাতেই আম্মু এসে দরজা খুলে দিলো আর বললো,,,,,,
আম্মুঃ কি রে আজকে কলেজে যাস নি ? আর তোর শরীরে র*ক্ত কেন । কি হইছে তোর ।
বলেই আম্মু কাঁদতে লাগলো । তারপর আমি বললাম,,,,,,,
আমিঃ আরে আম্মু থামো । আমার কিছুই হয় নি ।
আম্মুঃ তাহলে কি হইছে বল আমাকে ।
তারপর প্রথম থেকে আম্মুকে সব ঘটনা খুলে বললাম । সব শুনে আম্মু বললো,,,,,,,
আম্মুঃ খুব ভালো করেছিস । এখন যা উপরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে খেতে আয় ।
তারপর আমি আমার রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে খাওয়া দাওয়া করে নিলাম । আবার রুমে এসে ভাবছি আজকে অনেক ধকল গেল । খুব ক্লান্ত লাগছে ।
তাই কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম জানি না । ঘুম থেকে উঠে দেখি সন্ধ্যা হয়ে গেছে । উঠে ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা করে রুমে চলে আসলাম ।
বারবার সকালের সেই ঘটনা মনে পড়তেছে । কিছুই ভালো লাগছে না । হঠাৎ দেখি ফোন বেজে উঠলো । দেখি আননোন নাম্বার । তাই ধরলাম না । একটু পর আবার দিলো । তাই রিসিভ করলাম ।ফোন রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে বললো,,,,,,,,,,,,,,
""
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,
To be continue,,,,,,,,,,,,,,
নতুন গল্প লিখলাম । ভালো লাগলে অবশ্যই রেসপন্স করবেন । তাহলে পরবর্তী পর্ব দিবো ।
ডার্ক ডেভিল
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
842
Views
25
Likes
0
Comments
5.0
Rating