Cursed Love

গল্পটি শুরু হয় যখন মুন হাইস্কুলে পড়ে।সে তার আগের হাইস্কুল ছেড়ে নতুন একটি হাইস্কুলে ভর্তি হয়।মাঝেমাঝে আমরা কোনো কাজ করার আগে বুঝতে পারিনা যে সেটার ফল কীরূপ হতে পারে।মুনও বুঝতে পারেনি নতুন হাইস্কুলে ভর্তি হয়ে তার সাথে কী হতে যাচ্ছে।সেখানে ভর্তি না হলে হয়তো কোনো খারাপ কিছু তার সাথে ঘটতো না।যাই হোক,সে স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর তার অনেক নতুন নতুন বন্ধু হয়।মুন মিশুকে স্বভাবের হওয়ায় সবার সাথে তার অল্প কিছু দিনেই বেশ ভাব জমে যায়।

সেই হাইস্কুল এলেক্স নামের একটি ছেলে পড়াশোনা করতো।সে খুবই অদ্ভুত প্রকৃতির একটি ছেলে ছিলো।কারও সাথে সে তেমন মিশতো না।সবসময় সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখত সে।তবে সে মাঝেমধ্যে অদ্ভুত অদ্ভুত কর্মকাণ্ড করত।যার কারণে স্কুলে সবার কাছে সে ছিল খুবই weird একজন।


মুন এ বিষয়ে কিছু জানতো না।ক্লাসে তার সিট এলেক্সের পাশে হওয়ায় তার এলেক্সের সাথে বন্ধুত্ব
হয়।দিন দিন তাদের বন্ধুত্ব গভীর হতে থাকে।আর এলেক্স ধীরে ধীরে মুনের প্রতি আসক্ত হতে থাকে।সে মুনকে অন্য নজরে দেখতে থাকে।


একদিন মুন ও এলেক্স ক্যান্টিনে বসে খাবার খাচ্ছিল।তখন মুন লক্ষ্য করে এলেক্স কিছু একটা বলার জন্য খুঁতখুঁত করছে।

-কিছু বলবে?(মুন)

-আব.....হ্যাঁ,,,মানে একটা কথা বলতে চাচ্ছিলাম।(এলেক্স)

-আমি না তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড, তাহলে এত ইতস্তত বোধ করছো কেনো?যা বলার মন খুলে বলো (মুন)

-Actually, মুন,,,,আমি জানি না তুমি কথাটা কীভাবে নেবে কিন্তু আমাকে এটা তোমায় বলতে হবে।I love you Moon (এলেক্স)

-What!!!তুমি কি মজা করছো এলেক্স?(মুন)

-আমি সিরিয়াস মুন।I really love you.প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিও না।(এলেক্স)

-আমি তোমাকে ভালো একজন ফ্রেন্ড ভেবেছিলাম এলেক্স।এর বাইরে তোমাকে আমি কখনও কিছুই ভাবিনি।তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম আমি।আর তুমি তার প্রতিদান এভাবে দিলে?সরি এলেক্স, এরপর থেকে তোমার সাথে কোন যোগাযোগ আমি রাখতে পারব না (মুন)

-মুন প্লিজ তুমি আমাকে ভুল বুঝো না।আচ্ছা অন্তত আমার সাথে তুমি ফ্রেন্ডশিপটা রাখো।(এলেক্স)

-তুমি সেই অধিকারটা হারিয়েো এলেক্স।সরি (মুন এই বলে সেখান থেকে উঠে চলে গেল)


মুন সেদিন রাতে ফোনটা সাইলেন্ট করে রেখে ঘুমিয়ে পড়েছিলো।পরদিন সকালে উঠে সে দেখে এলেক্সের নম্বর থেকে তার ফোনে প্রায় দু'শোটার মতো মিসড্ কল।সে তা দেখে চমকে যায়।মুন ভাবে ছেলেটা এতবার তাকে কল করলো তাকে একটা কল করে দেখি।সে এলেক্সের নম্বরে ডায়াল করলো।কিন্তু কেউ ফোন ধরলো না।


মুন সেদিন স্কুলে চলে যায়।কিন্তু স্কুলে গিয়ে সে যা শোনে তাতে তার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে।

-ইরা,এলেক্স কোথায় রে,কাল রাতে ও অনেকবার আমায় ফোন করেছে।(মুন)

-তুই এলেক্সের খবর জানিস না!!!(ইরা)

-না,,আমি তো এখনই স্কুলে এলাম।কি হয়েছে রে?(মুন)

-এলেক্স কাল রাতে মারা গেছে। (ইরা)

-What!?কিসব আজেবাজে কথা বলছিস?(মুন)

-আজেবাজে নয় মুন। এ কথাটা সত্যি। (ইরা)

-কিছু জানা গেছে ও কেন এটা করলো?(মুন)

-হ্যাঁ,কোন মেয়ের জন্য নাকি (ইরা)

-ওহ (মুন)

মুনের এলেক্সের খবরটা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেলো।সে মনে করতে লাগলো তার জন্যই আজ এলেক্স পৃথিবীতে নেই।পরক্ষণেই আবার ভাবলো- " শুধু কী আমার দোষ?আমি তো এমন কিছু বলিনি বা এমন কিছুই হয়নি যার জন্য এলেক্সের সুইসাইড করতে হবে। "


মুনের মাথায় নানান চিন্তা ঘুরপাক খেতে থাকে।সে সেদিন ক্লাস না করেই বাড়ি চলে আসে।


🖤______________________________🖤


দেখতে দেখতে কেটে গেছে সাত বছর।মুন এখন শহরের নামকরা ইউনিভার্সিটিতে পড়ে।বয়স বাড়ার সাথে সাথে মুনের চেহারায় লাবন্য আরও ফুটে উঠেছে।সাত বছরে মুনের জীবনে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।এলেক্স মারা যাওয়ার পর সে সবসময় নিজের সাথে অন্য একজনের অস্তিত্ব অনুভব করতে পারে।তার সবসময় মনে হয় কেউ তাকে সবসময় দেখছে।সে যখন ঘুমায় কেউ তার শরীর স্পর্শ করে।মুন প্রায় প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে দেখে তার শরীরে কারও নখের আচড়,আবার কোনোদিন দেখে তার শরীরের কোনো অংশ কিছুটা পুরে গেছে।কিন্তু মুন কাউকে দেখতে পায় না,শুধু অনুভব করতে পারে সেই অদৃশ্য শক্তির অস্তিত্ব।


এরপর মুনের জীবনে প্রথম ভালোবাসার ছোঁয়া আসে।তার ভার্সিটির সিনিয়র একটি ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে অনেক ভালো একটি বোঝাপড়া তৈরি হয়ে যায়।

তাদের জীবন খুব ভালোই কাটছিলো।কিন্তু হঠাৎই এক অজানা ঝড় এসে সব ওলট-পালট করে দেয়।তাদের সম্পর্কের একসপ্তাহ পর খুব অস্বাভাবিকভাবে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছেলেটির মৃত্যু হয়।অথচ সে রাস্তায় তখন কোনো গাড়িঘোড়া ছিলো না।তৎকালীন সিসিটিভি ফুটেজেও কিছু স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না।

জীবনের প্রথম প্রেমের সমাপ্তি এমন বাজেভাবে হওয়ায় মুন স্বাভাবিকভাবেই ভীষণ ভেঙে পড়ে।তার নিজেকে সামলাতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগে।

এই ঘটনার প্রায় দুমাস পর মুন আবার একটি ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ায় এবং আবারও অস্বাভাবিকভাবে এক সপ্তাহ পর ছেলেটি পানিতে ডুবে মারা যায়।এর একবছর পর মুন তৃতীয়বারের মতো একটি ছেলের সাথে সম্পর্কে যায় এবং এবারেও ছেলেটি হার্ট অ্যাটাক করে মারা যায়।


এরপর থেকে মুন নিজেকে Cursed বা অভিশপ্ত ভাবতে শুরু করে।সে বুঝতে পারে হয়তো কোনো খারাপ কিছু তার সাথে আছে।সে ঠিক করে এরপর থেকে সে আর কোনরকম সম্পর্কে জড়াবে না।

কিছুদিন পর মুনের সাথে একটি ছেলে রিকের পরিচয় হয়।প্রথম দেখাতেই দুজন দুজনকে ভালোবেসে ফেলে।দুজনে কিছুদিন নিজেদের মধ্য সময় কাটায়।তারপর রিক মুনকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়।মুন অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাকে না বলে দেয়।কারণ মুন রিকের জীবনের ঝুঁকি নিতে চাইছিলো না।রিক বুঝতে পারে মুনও তাকে পছন্দ করে।কিন্তু কেন যে সে রিকের প্রস্তাবে রাজি হচ্ছিল না রিক সেটাই বুঝতে পারছিলো না।অবশেষে রিকের অনেক জোরাজুরিতে মুন তাকে সবটা বলতে বাধ্য হয়।রিক মুনের কথা শুনে তাকে আশ্বাস দিয়ে বলে-

-আসলে তুমি যেটা ভাবছো সেরকম কিছুই না।শুধু শুধু তুমি ভয় পাচ্ছো।তোমার সাথে সম্পর্কে গেলে আমার কিছুই হবে না।তাই নির্ভয়ে তুমি আমার সাথে রিলেশনশিপে এসো (রিক)

অবশেষে মুন মনে অনেক দন্দ নিয়ে রিকের সাথে রিলেশনশিপে যায়।তবে তার মনে একটি চাপা ভয় থেকেই যায়।

তাদের রিলেশনশিপের প্রায় দু'সপ্তাহ হয়ে যায়।কিন্তু এখনও কোনো খারাপ কিছু রিক বা মুন কারও সাথেই ঘটেনি।তাই মুন একটু হলেও সস্তিতে আছে।

তবে তাদের সুখের দিন শেষ হতে বেশি সময় লাগলো না।রাতের বেলা মুন আশেপাশে কিছু অদ্ভুদ শব্দ শুনতে থাকলো।কখনও কারও কান্নার আওয়াজ আবার কখনও কারও অট্টহাসির শব্দ।মুনের ভেতরকার চাপা ভয়টা আবার জেঁকে বসলো।

রিক একদিন গাড়ি চালাচ্ছিলো।কিন্তু হুট করে তার গাড়ির ব্রেক কাজ করা বন্ধ করে দেয়।সে সেদিন কোনোমতে বেঁচে যায়।কিন্তু তার মনেও ভয় বাসা বাঁধতে থাকে।

একদিন রিক তার বাড়িতে একা ছিলো।সে বসে বসে টিভি দেখছিলো।হঠাৎ তার গেটে কেউ নক করে।ব্যপারটা রিকের অস্বাভাবিক লাগে।কারণ রিক বাইরের গেট খোলার কোনো শব্দ পায়নি।রিক গিয়ে দরজা খোলে।সে দরজা খুলে দেখে একটি হাইস্কুলে পড়ুয়া ছেলে তার দিকে খুব অদ্ভুতভাবে তাকিয়ে আছে।ছেলেটির চুলগুলো উসকোখুসকো।চোখে বড়ো ফ্রেমের চশমা।তার পরনে রয়েছে স্কুলড্রেস।চোখ দিয়ে যেনো তার রাগ ঠিকরে বেড়োচ্ছে।


-এ কি!কে তুমি?এখানে কীভাবে এলে?বাইরের গেট তো বন্ধ ছিলো (রিক)

ছেলেটি কোনো উত্তর দিলোনা।রিক পরপর ছেলেটিকে আরও কয়টি প্রশ্ন করে।কিন্তু ছেলেটি মুখ থেকে টু শব্দটিও করে না।শেষে রিক বিরক্ত হয়ে ছেলেটির মুখের ওপর দড়াম করে দরজা বন্ধ করে দিলো।সে দরজা বন্ধ করেই মুনকে এখানে আসার জন্য একটি মেসেজ করলো।মেসেজ করে রিক যেই ফোন থেকে মাথা তুললো,অমনি সে নিজের সামনে একটি ছেলেকে দেখতে পেলো।এমন মনে হলো যেনো কিছুক্ষণ আগের ছেলেটাই বড় হয়ে এমন দেখতে হয়েছে।রিক কিছু করার আগেই ছেলেটা হুট করে রিকের গলা খুব শক্ত করে টিপে ধরলো।রিকের নিঃশ্বাস নেয়া দুস্কর হয়ে উঠেছিলো।কিন্তু রিকের ভাগ্য সেদিন তার সহায় ছিলো।কোনো খারাপ কিছু ঘটে যাওয়ার আগেই মুন এসে গেটে নক করতে থাকে।মুনের আসতে বেশি সময় লাগেনি কারণ মুন এবং রিকের বাড়ি অনেক কাছাকাছি।রিকের চোখের সামনে ছেলেটা অদৃশ্য হয়ে যায়।রিক অবাক হয়ে আশেপাশে তাকায় এবং দৌড়ে গিয়ে দরজা খুলে দেয়।মুন ফ্লাটে ঢোকে।ফ্লাটে ঢোকার সাথে সাথে মুন একটি বাজে দুর্গন্ধ পায়।

রিক মুনকে সব খুলে বলে।মুন সব শুনে অবাক হয়ে যায়। কারণ রিক ছেলেটির যেসব বৈশিষ্ট্য দিলো,তার সব এলেক্সের সাথে মিলে যায়।মুন এটা বুঝতে পারে সেই অশুভ শক্তি আর কেউ নয়,স্বয়ং এলেক্সের আত্না।

এর কিছুদিন পর এলেক্সের হঠাৎ একটি car accident হয়।তার অবস্থা তখন খুবই খারাপ ছিল।তাকে হসপিটালে ভর্তি করা হয়।সে যাত্রায় রিক বেঁচে যায়।এক সপ্তাহ পর তাকে হসপিটাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়।মুন আসে তাকে ড্রপ করতে।তবে তখন মুন নিজের নিয়ন্ত্রণে ছিল না।এলেক্সের আত্মা মুনকে সম্পূর্ণরূপে নিজে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছিল।


মুন রিককে নিয়ে গাড়িতে ওঠে।তবে মুন রিকের বাড়ির রাস্তায় না গিয়ে অন্য এক রাস্তা ধরে যাচ্ছিল।এতে রিক তাকে জিজ্ঞেস করে -

-তুমি কোথায় যাচ্ছ মুন?এটা তো আমাদের বাড়ির রাস্তা নয়।(রিক)

-আসলে আমি তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ প্ল্যান করেছি।আমরা সেখানেই যাচ্ছি।(মুন)

রিক এরপর আর কিছু বললে না।গাড়ি আপন গতিতে চলতে থাকলো।

প্রায় ২০ মিনিট পর মুনের গাড়ি একটি ভাঙ্গা বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ালো।

-তুমি ভেতরে যাও আমি আসছি। (মুন)

-ঠিকাছে (রিক)


রিক সামনে এগিয়ে গেল।কয়েক পদম পা ফেলতেই রিক নিজের মাথায় প্রচন্ড জোরে একটি আঘাত অনুভব করলো।যেন পেছন থেকে এসে তার মাথায় লাঠি দিয়ে কেউ মেরেছে।রিক মাথায় হাত দিয়ে পিছনে ঘুরে দেখে মুন হাতে লাঠি নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে।রিক সবে হসপিটল থেকে ফিরছে।তখন রিকের শরীরে এত শক্তিও ছিল না যে সে মুনকে বাধা দেবে।আর কিছু ঘটার আগে রিক সেখানেই অজ্ঞান হয়ে যায়।


যখন রিকের জ্ঞান ফেরে, তখন সে নিজেকে একটি নোংরা ঘরে চেয়ারে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আবিষ্কার করে।রিক সামনে তাকাতেই দেখে মুন তার দিকে একটি কুটিল হাসি নিয়ে তাকিয়ে আছে।


-কেন করছ মুন তুমি এসব?আমি কি ক্ষতি করেছি তোমার? (রিক)

তখন মুনের চোখ আস্তে আস্তে সাদা হয়ে যায় এবং ওর ঠোঁট নীল হয়ে যায়।নখগুলো অস্বাভাবিক বড় হয় এবং পা দুটো উল্টো হয়ে যায়।মুনের মুখে নানা ধরনের কাটা দাগ প্রকাশ পেতে থাকে।রিক বুঝতে পারে যে মেয়েটি তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে সে মুন নয়।তাই সে তাকে জিজ্ঞেস করে -

-কে তুমি?কেনো মুনের সাথে এসব করছো?(রিক চিৎকার করে)

মুন খুব বিদঘুটেভাবে হাসতে থাকে।তারপর এক পুরুষকণ্ঠে বলে-

-তুই বুঝতে পারছিস না আমি কে?আমি এলেক্স,যে মুনকে পাগলের মতো ভালোবাসতাম।অনেক বেশি পছন্দ করতাম আমি ওকে।কিন্তু আমি ওকে পাইনি।আর আমি যেহেতু মুনকে পাইনি আর কাউকে ওকে পেতে দেবো না।তুই জানিস?আমিই মুনের আগের তিনটি বয়ফ্রেন্ডকে মেরেছি।প্রথমটা গাড়িতে আমাকে দেখে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক্সিডেন্ট করে মরেছে,দ্বিতীয়টাকে পানিতে ডুবিয়ে মেরেছি আর তৃতীয়টা তো আমাকে দেখেই হার্ট এটাক করেছে।এখন তোকে মারবো।বল তুই কীভাবে মরতে চাস।(মুনরূপী এলেক্স)

রিক ততক্ষণে নিজের হাতের বাধন ছুটিয়ে ফেলেছে।সে সাথে সাথে তার গলার একটি রকেট ধরে এবং দোয়া পড়তে শুরু করে।এলেক্সের আত্না আলোর বেগে রিকের কাছে এসে রিকের গলা টিপে ধরে।রিক এলেক্সের আত্মাকে কোনোমতে মাটিতে শুইয়ে তাকে মাটির সাথে চেপে রাখার চেষ্টা করে।কিন্তু মুনের শরীরে তখন এত বেশি শক্ত চলে এসেছিল যে সে নিজেকে ছাড়িয়ে রিককে মাটিতে শুইয়ে দেয়।পাশে থাকা একটি লাঠি নিয়ে সে রিকের পায়ে অনেক জোরে গেঁথে দেয়।রিক চিৎকার করে কাদতে থাকে।ততক্ষণে পুলিশ সেখানে চলে আসে এবং দেখে মুন রিকের পায়ে লাঠি দিয়ে বারবার আঘাত করছে এবং রিকের পা ছিন্নভিন্ন করে দিচ্ছে।পুলিশকে দেখা মাত্রই মুন রিককে ছেড়ে বিল্ডিংয়ের একদম ধারে চলে যায় এবং পাগলের মতো হাসতে থাকে।

-যেহেতু আমি মুনকে পেলাম না, সেহেতু মুনকে কেউ পাবে না।(মুনরূপী এলেক্স)

পরক্ষণেই মুনের চিৎকারের শব্দ শোনা যায়।

রিক পুলিশদেরকে বলে -

-আমি মুনকে দেখবো প্লিজ আমাকে ওখানে নিয়ে যান।(রিক)


যদিও রিকের পায়ের অবস্থা ভালো ছিলো না।তাও তার বারবার অনুরোধের কারণে একজন পুলিশ তাকে বিল্ডিংয়ের ধারে নিয়ে যায়।রিক দেখে-

মুনের পেট বিল্ডিংয়ের বেরিয়ে থাকা রডগুলোকে ছিদ্র করে বেরিয়ে রয়েছে এবং মুনের মৃতদেহ সেখানে আটকে রয়েছে।

এমন লোমহর্ষক দৃশ্য দেখে রিকের সারা শরীর শিহরিত হলো।

সমাপ্ত

_______________________________
53 Views
3 Likes
3 Comments
5.0 Rating
Rate this:
(3)

মন্তব্য

সকল মন্তব্যগুলো (3)

Reader photo
মোঃ আলমগীর হোসেন (আতিক)
21-Sep-2024, 09:54 AM

দারুণ হয়েছে আপু।

মালিহা মেধা
মালিহা মেধা
21-Sep-2024, 02:01 PM

অসংখ্য ধন্যবাদ

Reader photo
Bony Afroz
20-Sep-2024, 06:34 PM

অসাধারণ হয়েছে!!!

মালিহা মেধা
মালিহা মেধা
21-Sep-2024, 02:01 PM

Thank you

Reader photo
চৈত্রিকা
16-Sep-2024, 10:14 AM

💗💗💗