বৈশিষ্ট্য ও গুণের মাঝে পার্থক্য

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
বৈশিষ্ট্য ও গুন শব্দ দুটির সাথে আমরা সকলে মোটামোটি পরিচিত‌ পরিচিত হওয়ার কারণ হচ্ছে আমরা প্রায় সেই বাল্যকাল হতে এই লেখা দুটি পাঠ্য বইয়ের মাঝে দেখে আসছি ।
যেমন আমরা পরীক্ষায় লেখেছি ঝর ও জীবের বৈশিষ্ট্য পানির রং ইত্যাদি তাই আমরা সকলে জানি বৈশিষ্ট্য ও গুন কী?
কিন্তু বৈশিষ্ট্য কে যদি আরো সহজে বুঝতে চাই তার একটা সূত্র অবশ্যই আছে গুন কাকে বলে তাকে খুঁজে বের করার ও সূত্র আছে যদি তা আমরা ব্যবহার করতে পারি বৈশিষ্ট্য ও গুনের মাঝে সহজে পাথক্য টা তৈরি করতে পারবো বর্তমানে আমাদের সন্তানরা শুধু একাডেমিক পড়াশোনা নিয়ে প্রচুর বিজি তাদের সময় হয়ে ওঠে না শব্দ কে ও বাক্য কে নিয়ে আলোচনা করার তারাও বুঝতে পারছে না যে একাডেমিক পড়া পড়তে পড়তে তাদের মানবিক বিকাশ হারিয়ে ফেলেছে শিক্ষার প্রসারতা কমে যাচ্ছে তাদের মাঝে, এখন আপনি ক্লাস এইট বা নাইনের ছাত্র কে যদি জিজ্ঞাসা করেন বাবা বৈশিষ্ট্য বা গুন কি? অনেকে হয়তো বলতে পারবেনা , না পারার কারণ ও আছে তাদের মাঝে এতো বই দেওয়া হয়েছে একাডেমিক যে সেগুলো মুখস্থ করতে করতে সারাদিন শেষ বাহিরের দিকের আলোচনা করার সময় বা কোথায় ।
এগুলো তাদের দোষ নয় দোষ হলো শিক্ষা ব্যবস্থার।
শিক্ষা ব্যবস্থা এখন পড়া লেখা বলতে বুঝে শুধু গণিত রসায়ন হাই কোয়ালিটি সাবজেক্ট সেই হাই কোয়ালিটি সাবজেক্ট পড়তে গিয়ে ছাত্ররা সাধারন সাবজেক্টে এমন ভাবে ভুলতে বসেছে যে কেউ কেউ বর্তমানে বাংলা সরবর্ণ কয়টি সেটাও বলতে পারেনা আমাদের ছাত্রদের মানবিক ও মানসিক বিকাশ চাই উচ্চ শিক্ষা দিয়ে তা না হয় তাহলে সে উচ্চ শিক্ষার প্রয়োজন নেই ।
আচ্ছা আসা যাক আসল কথায় বৈশিষ্ট্য ও গুন দুইটি কি?
দুইটা যদি আমরা পার্থক্য করতে চাই
অবশ্যই এদেরকে আমাদের আগে চিনতে হবে জানতে হবে কোনটি কি?
আমরা এই দুটি শব্দ চিনার জন্য একটা উদাহরণ টানি মনে করো তুমি একটি দুই লিটার পানির বোতল কিনেছো এইযে পানির বোতলটা যে কিনেছো এটা দেখতে কেমন যেমন আমি একটু বলি এটার মাথায় একটা গোল মুখ আছে মাঝখানে দুই দিক বাঁকা তারপর গায়ে একটি কম্পানির ব্যাচ আছে মানি হচ্ছে বোতলটার গঠন গঠন কি রকম
এগুলো মূলত এই বোতলের বৈশিষ্ট্য ।

আচ্ছা এবার বোতলের গুনের কাছে আসি
এই বোতলের গুন টা কি ?
সে কিভাবে আমাদের সাহায্য করে
যেমন আমাদের জন্য ২ লিটার পানি ধারন করে
এছাড়া আমরা বোতলের মাঝে তরল জাতীয় খাবার নিতে পারি এটা হচ্ছে তার গুন ।

উদাহরণের মাধ্যমে বুঝা গেলো কোন কিছু দেখতে কি রকম তার গঠন প্রণালী কি রকম
সেটা হলো তার বৈশিষ্ট্য আর সে কি করে সেটা হলো তার গুন ।

আচ্ছা আমরা যদি বলি একটা বাসের বৈশিষ্ট্য কি ?

তাহলে এটা হবে এরকম একটা বাস বা মিনিবাস ১০ ফিট লম্বা তার ত্রিশটা সিট আছে একটা স্টিয়ারিং আছে ৪টা চাকা আছে ইত্যাদি হলো তার বৈশিষ্ট্য ।

তাহলে তার গুনটা কি ?
সে যাত্রী বহন করে মালামাল বহন করে ইত্যাদি এগুলো হলো তার গুন

সরল ভাষায় একটা পদার্থ দেখতে কি রকম সেটা হচ্ছে তার বৈশিষ্ট্য
আর তার কার্যক্রম হচ্ছে তার গুন
476 Views
8 Likes
0 Comments
2.9 Rating
Rate this: