আমিঃ মিম আজকে না তোমার আরেকটা জিনিস দেখছি?
মিমঃ কিহ ?
আমিঃ তোমার বুকের তিল টা হিহি ।
মিমঃ ওই ফা*জি*ল তুমি দেখলে কিভাবে।
আমিঃ যখন তোমার শাড়ির আচল পরে গেছিলো
তখন দেখছি।
মিমঃ আর একটা কথাও বলবি না আমার কিন্তুু
অনেক লজ্জা করতাছে।
আমিঃ ওকে।
আমিঃ এখন ছাড়ো ।
মিমঃ নাহ্।
আমিঃ কেন?
মিমঃ লজ্জা করতাছে।
আমিঃ ওরে আমার লজ্জা বতী রে।
চলো তো এখন।
মিমঃ ওকে চলো।
তারপর আমরা একটা রিকশা নিলাম । রিকশাতে মিম আমার হাত জড়িয়ে ধরে বসে আছে আর মাথা আমার কাঁধে দিয়ে আছে ।
মনে হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি মানুষ আমি । ভালোবাসার মানুষ পাশে থাকলে কি আর লাগে । আমরা সারাদিন অনেক ঘুরলাম ।
মিম ফুচকা খাওয়ার বায়না ধরলো । তারপর আমি আর মিম ফুচকা খেতে গেলাম ।
মিম দুই প্লেট ফুচকার ওর্ডার দিলো। একটায় ঝাল বেশি একটায় কম।
ঝাল কমটা আমার জন্য।
তারপর ফুচকা আসলো আমরা খাওয়া শুরু করলাম। কিন্তু তিনটা খাওয়ার পর আমার অনেক ঝাল লাগতেছে।
আমিঃ অনেক ঝাল লাগতেছে।
মিমঃ কি বলো আমি তো ঝাল দিতে না করলাম।
আমিঃ পানি দাও তারাতারি।
তারপর মিম ফুচকা ওয়ালার কাছে পানি চাইলো
ফুচকাওয়ালাঃ পানি নাই তো ম্যডাম।
মিমঃ হোয়াট কি বলছেন এসব। একে তো ফুচকায় ঝাল দিতে না করছি তাও ঝাল দিছেন তার উপর বলছেন পানি নাই ।
ফুচকাওয়ালাঃ ভুলে ঝাল দিয়ে ফেলেছি।
এদিকে ঝালে তো আমার ঠোঁট পুড়ে যাচ্ছে । আমি একদম ই ঝাল সহ্য করতে পারি না।
তারপর ইতি যা করলো আমি অবাক হয়ে গেলাম ।
মিম কিছু একটা ভাবলো। তারপর আমার কাছে এসেই তার ঠোঁটের সাথে আমার ঠোঁট মিলিয়ে দিলো।
এতো লোকের মাঝে মিম এমন একটা কাজ করবে আমি ভাবতেও পারি নি। সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। অনেক লজ্জাও করছে।
ফুচকা খেতে আসা আরো অনেকে আমাদের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে । অন্যরকম এক অজানা ফিলিংস কাজ করছে ।
পা*গ*লে*র মতো আমার ঠোঁট চুষতে লাগলো মিম । মনে হয় অনেক দিনের ক্ষুধার্ত সামনে খাবার
পেলে যেমন করে ঠিক তেমন ভাবেই মিম
ঠোঁট গুলো চুষতে লাগলো।
মিমের মিষ্টি ঠোঁটের ছোয়ায় আস্তে আস্তে ঝাল গুলো কমে গেলো। অনেকক্ষণ পর মিম আমার ঠোঁট জোড়া মুক্ত করে দিলো।
এখন ঝাল অনেক টাই কমে গেছে।
আমাকে ছেড়ে দিয়ে মিম আশে পাশে তাকিয়ে
দেখে সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।
মিম মনে হয় ভুলেই গেছিলো এখানে আমরা ছাড়া
অনেকই আছে। মিম খেয়াল করে সাথে সাথে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে দরলো।
আমি এই যে ভাই ও আপুরা যার যার কাজ করেন এভাবে কি দেখছেন??
তারপর সবাই অন্য দিকে তাকালো।
আমিঃ ছাড়ো এখন ফুচকার বিল দিতে হবে।
মিমঃ নাহ আমার অনেক লজ্জা করতাছে।
তারপর আমি পকেট থেকে ওয়ালেট বের করে
ফুচকাওয়ালা মামাকে টাকা দিলাম সাথে
একটা ধন্যবাদ ও দিলাম। কারন উনার জন্যই আজ এমনটা হলো ।
তারপর লজ্জায় আর কারো সাথে কথা না বলে সেখান থেকে আমি আর রানা বাসায় চলে এলাম ।
এখন আমারও লজ্জা করছে তাই বাকিটা পরের পর্বে । 😁🙈
চলবে,,,,,,,,,,,
To be continue,,,,,,,,,,,
তুই আমারই
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
446
Views
16
Likes
0
Comments
5.0
Rating