* গ্রাম অঞ্চলের মানুষ অনেক সহজ সরল তাই না? এই ঘটনাটা ছিলো আমাদের পাশের বাড়ির। সম্পূর্ণ সত্যি ঘটনা। গ্রামের মানুষ গভীর রাত করে চল নিয়ে মাছ ধরতে বাহির হতো।
আমার এক দূর সম্পর্কের চাচা এবং তার বন্ধু করিম তারা নাকি দুইজনেই শুনতাম প্রতিদিন রাতেই মাছ ধরতে বাহির হতো। তেমনি ভাবে তারা এক দিন গভীর রাত করে মাছ ধরতে বাহির হয়ে ছিলো।
আমাদের আবার গ্রামের পশ্চিম পাশে প্রায় গ্রামের শেষ প্রান্তে একটা খাল আছে। মানুষের কাছ থেকে শুনেছি তারা দুজনেই নাকি প্রতিদিন শেখানে মাছ ধরতে যাই। আমি কয়েক বার গিয়ে ছিলাম সেই খাল পাড়ে। মানুষ তো নেই নেই কোনো গরু ছাগল ও নেই।
রাতে তো মোটেও কেউ চলাচল করে না। তারা নাকি সেখানেই মাছ ধরে। আমি দেখেছি খালটা বিশাল বড়। খালের পাড়ে অনেক বড় বড় তাল গাছ ও আছে।
তারা দুজনেই সেই রাতে সেখানেই গেলো। গ্রাম অঞ্চলের মানুষ রাতে চল দিয়ে মাছ ধরে, তারা নিজেদের সাথে চল নিয়ে গেছে মাছ ধরার জন্য। তারা দুজনেই অনেক হাঁটাহাঁটি করছিলো। কোনো মাছের সন্ধান পাচ্ছিলো না।
অনেকখন পরে দেখলো খালের মধ্যো খানে নাকি একটা বিশাল বড় মাছ পাইছারি করছে। আমার চাচা হাতে লাইটটা নিয়ে তার বন্ধুকে চলটা মারার জন্য দিলো। ওনি চলটা মারলো মাছের গায়ে গিয়ে পরলো।
অনেক জোরা জোরি করে মাছটা উঠাতে পারছিলো না ওনি। পরে আমার চাচা সহকারে ধরলো মাছটা উঠানোর জন্য, কিন্তু তারা দুজনেই ব্যর্থ হলো। পরে চাচা চলটা ছাড়া মাত্রই মাছটা চল আর তার বন্ধু সহাকারে গভীর পানিতে তলিয়ে গেলো।
ওনি এই দৃশ্য দেখে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল সেখান। ওই দিন রাতে চাচা বাড়ি না পেরাই ছোট আম্মা তাকে খুজতে বাহির হলো সাথে আমার দাদুকে নিয়ে, পরে খাল পাড়ে গিয়ে দেখে ওনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে আছে ।
ওনাকে অনেক ডাকা ডাকির পর ওনি উঠলেন। তারপর ছোট আম্মা তাকে তার বন্ধুর কথা জিজ্ঞেস করেন। ওনি কিছু না বলে কান্না শুরু করে দিলেন আর বললেন তাকে আমি বাচাতে পারি নি!
ছোট আম্মা পুরা ঘটনা জানার পর ওই বন্ধুর পরিবারকে জানাই। পরে তারা ডুবাইল দিয়ে ওনাকে পানি থেকে উঠাই। কি নৃশংস ছিলো বেলে ওনার দেহটা। আমার দাদুর কাছ থেকে শুনেছি।
ওই দিন থেকে কেউ আর রাতে সেই জায়গায় মাছ ধরতে যাই না।
সেই ভয়ানক রাতের ঘটনা
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
247
Views
8
Likes
1
Comments
4.7
Rating