* ভাইয়া মাদরাসা থেকে ছুটি পেয়ে বাড়িতে আসছিলো। ভাইয়া আসার দুইদিন পরে আম্মু নানুর বাড়িতে বেড়াতে গেলো আমাদের ছোট ভাই কে নিয়ে। আমি ভাইয়া আর দাদু ছিলাম বাড়িতে।
আম্মু দুপুরের আর রাতের খাবার রান্না করে গেছে। আর বলছে তিনি পরদিন সকালে চলে আসবে। ঘটনাটা ছিলো অনেক আগের। তখন আমার বয়স ছিলো সাত বোধহয় আর ভাইয়ার এগারো ছিলো।
আমরা তিন জনে রাতে খাবার খেয়ে নিলাম। আমরা বাসার নিচ তলাই থাকি আর দাদু উপরের তলাই থাকে। ঔ দিন আমরা দাদুর সাথে শুয়ার বায়না করি। দাদু পরে বলছে ওনার সাথে শুইতে।
আমি নিচ তলার সখল লাইট বন্ধ করে উপরের তলাই গিয়েই শুয়ে পড়ি দাদুর সাথে। ওই দিন আমরা অনেক রাত করে শুই কারণ দাদুর কাছ থেকে গল্প শুনে ছিলাম। রাতটা ভালোই কাটলো।
পরদিন সকাল সকাল প্রায় পাঁচটা বাজে দাদু ঘুম থেকে উঠে নামাজ পড়ে নেই। তার নিচ তলার কিচেন চলে যাই আমাদের জন্য নাস্তা তৈরি করতে। আমরা দুইজনেই তখনো শুয়াত। চারপাশে হালকা অন্ধকার দেখাচ্ছে।
হঠাৎ ভাইয়া চিৎকার দিয়ে উঠলো। আমি থুত মতি দিয়ে উঠে দেখি, ভাইয়া নিজের গলায়ই নিজ হাত দিয়ে ধরে আছে, আর বলছে ছাড় ছাড় আমায় ছাড় ওনার চোখ দুটি লাল হয়ে আছে । আমি তখন বললাম কি কি হয়েছে ভাইয়া আপনার।
ভাইয়া আমাকে বলে জোরে জোরে সূরা পড়। আমি কাট থেকে নেমে সূরা পড়া শুরু করলাম।ভাইয়া তখনো গলায় হাত আর বলতে আছে ছাড় ছাড় বলছি। আমি তখন ভয়ে নিচে গিয়ে দাদুকে ডেকে আনি।
আমরা এসে দেখি সব নিস্তব্ধ, ভাইয়া কথা বলছে না। আমি ভয়ে কান্না করে দেই। পরে দেখি ওনি জোরে জোরে শাস নিচ্ছে। আর চোখ লাল হয়ে আছে। পরে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে ওনি বলে কি জানি আমার গলায় হাত দিয়ে ধরে আছে।
,এখন হয় এটা মাঝে মধ্যে, কি জানে ওনার উপর ভর করে, আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। কবিরাজ দেখাতে চেয়েছিলেন আম্মু কিন্তু আব্বুর জন্য পারে নাই, আমার আব্বু হুজুর, ওনি কেনো জানি এই সব বিশ্বাস করে না।
মাঝে মধ্যে হয়, ওনাকে শুধু কয়েক মিটের জন্য কষ্ট দেই। আমি অনেকবার জিজ্ঞেস করছি এটা কি, ওনি কখনো বলতে চাই না এটা কি
সেই সকালটা ছিলো অভিশপ্ত
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
184
Views
6
Likes
2
Comments
4.2
Rating