তিথী আমাকে পড়াতে শুরু করলো । আপু চলে গেল আম্মুর কাছে ।
আমি কোনো কথা বলছি না । হঠাৎ ই তিথী বলে উঠলো,,,,,,,,
তিথীঃ সরি ।
আমি তিথীর দিকে তাকিয়ে বললাম,,,,,,
আমিঃ সরি কেন ?
তিথীঃ তখন তোমার রুমে পারমিশন নিয়ে ঢুকি নি তাই । আর অনেক চিল্লিয়ে কথা বলছি তাই ।
আমিঃ আসলে আমিও সরি ।
তিথীঃ তুমি সরি কেন ?
আমিঃ আমিও একই কাজ করছি তাই ।
তিথীঃ হুমম ঠিক আছে । তোমার মতো কিউট পিচ্চিকে মাফ করাই যায় ।
আমি একটু মুচকি হাসলাম । তারপর তিথী আবার আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বললো,,,,,
তিথীঃ তাহলে আজ থেকে আমরাও ফ্রেন্ড ।
কিছুক্ষণ চিন্তা করে আমিও হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললাম,,,,,,
আমিঃ ওকে ফ্রেন্ড ।
তারপর আরো অনেক কথা বলে পড়াশোনায় মনোযোগ দিলাম । এক ঘন্টার মতো পড়াশোনা করার পর খাওয়ার জন্য ডেকে গেলো আপু ।
খাওয়ার টেবিলে সবাই এক সাথে খাওয়ার সময় হঠাৎ আব্বু বলে উঠলো,,,,,,,,
আব্বুঃ রাকিব,,জান্নাত ।
আমিঃ ও আপুঃ জ্বি আব্বু ।
আব্বুঃ তোমরা কাল কেউ কলেজে যাবে না ।
আমিঃ কেন আব্বু ।
আব্বুঃ কারন কালকে জান্নাতকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে ।
আমিঃ কিহহ । এতো তাড়াতাড়ি ওর বিয়ে দিয়ে দিবে । আর জান্নাত আপুর থেকে মতামত নিয়েছো ।
আব্বুঃ জান্নাত তোমার কি মতামত ।
আপুঃ আব্বু আপনি যা বলবেন তাতেই আমি রাজি ।
আমি আপুর দিকে তাকিয়ে বির বির করে বললাম,,,,,,,
বাহহ এতো দেখি এক পায়ে রাজি বিয়ে করার জন্য । বিয়ের কথা শুনে মনে লাড্ডু ফুটছে ।
আব্বুঃ বির বির করে কি বলো ।
আব্বুর কোথায় চমকে উঠে বললাম,,,,,,
আমিঃ কই না তো আব্বু কিছু না ।
আব্বুঃ হুমম ঠিক আছে এখন সবাই খাও ।
আমিঃ আচ্ছা ।
আব্বুঃ আর হ্যাঁ তিথী মামুনী ।
তিথীঃ জ্বি আঙ্কেল ।
আব্বুঃ তোমার ও কাল একা একা ভার্সিটিতে যাওয়ার দরকার নেই । তুমি জান্নাতের সাথেই থাকবে ।
তিথীঃ ওকে আঙ্কেল ।
তারপর সবাই খাওয়া শেষ করে যে যার রুমে চলে গেল । তিথী আর আপু ঘুমানোর সময়,,,,,,
তিথীঃ কি ব্যাপার জান্নাত তুমি এই বিয়েতে রাজি হলে কেন ?
আপুঃ কারন যে ছেলে আমাকে দেখতে আসছে সে আর আমি একে অপরকে ভালোবাসি । আমাদের দুই বছর ধরে রিলেশন । আমিই ওকে আসতে বলেছি ।
তিথী আপুর কথা শুনে চোখ বড় বড় করে বললো,,,,,,
তিথীঃ কিহহহহহহ ।
আপুঃ হুমম এটাই সত্যি ।
তিথীঃ তাহলে তোমার ভাইয়া জানে না কেন ?
আপুঃ কে বললো জানে না ।
তিথীঃ তো তাহলে খাওয়ার সময় এরকম রিয়াক্ট করলো কেন,,?
আপুঃ এটা ওর ই নাটকের অংশ । সবাই এমন ভাব করবে যেন কেউ কিছুই যানে না । এই ফার্স্ট টাইম শুনছে ।
তিথীঃ ওর মাথায় এতো প্যাচ কই থেকে আসে ।
আপুঃ ও এরকম ই ।
তিথীঃ তোমার ভালোবাসার মানুষকে তো পেয়ে গেলে । আমারটা যে আমি কবে পাবো ।
আপুঃ টেনশন কইরো না তুমিও পাবে ।
তিথীঃ হুমম দেখা যাক ।
আপুঃ হুমম এখন চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ো ।
তিথীঃ হুমম । গুড নাইট ।
আপুঃ গুড নাইট ।
পরেরদিন সকালে আমরা সবাই খুব তাড়াতাড়িই ঘুম থেকে উঠলাম । উঠে ফ্রেশ হয়ে সবাই এক সাথে নাস্তা করে কাজে লেগে পড়লাম ।
অনেকক্ষণ কাজ করে আমি আমার রুমে রেস্ট নিচ্ছি । এই ফাঁকে অনলাইনেও গেলাম । দেখলাম আয়শা অনলাইনে নেই । তাই অফলাইন হয়ে রুমে শুয়ে আছি ।
তিথী আগেই গোসল করে বসে আছে । আজকে তিথী কালো রঙের একটা শাড়ী পড়েছে । ওকে অনেক সুন্দর লাগছে । তিথীকে বলা হলো আপুর রুমটা একটু ফুল দিয়ে সাজাইতে ।
তিথীঃ জান্নাত ফুল গুলো কোথায়,,,?
আপুঃ রাকিব ভাইয়া আনছে । ওকে বলো ।
তিথীঃ ওকে ।
তিথী আমার রুমে এসে বললো,,,,,
তিথীঃ রাকিব,,
আমিঃ হুমম বলেন ? কিছু লাগবে ?
তিথীঃ জান্নাতের রুম টা সাজাতে হবে । ফুল গুলো কোথায় রাখছো ।
আমিঃ ওই যে আমার বুক সেলফের উপরে রাখছি । নিয়ে নেন ।
তিথী ওখানে গিয়ে অনেক চেষ্টা করেও ফুলের নাগাল পেলো না ।
তারপর,,,,,,,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,
পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
ছোট্ট লেখকের প্রেমে
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
286
Views
14
Likes
4
Comments
4.6
Rating