ছোট্ট লেখকের প্রেমে

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
তিথী আমাকে পড়াতে শুরু করলো । আপু চলে গেল আম্মুর কাছে ।

আমি কোনো কথা বলছি না । হঠাৎ ই তিথী বলে উঠলো,,,,,,,,

তিথীঃ সরি ।

আমি তিথীর দিকে তাকিয়ে বললাম,,,,,,

আমিঃ সরি কেন ?

তিথীঃ তখন তোমার রুমে পারমিশন নিয়ে ঢুকি নি তাই । আর অনেক চিল্লিয়ে কথা বলছি তাই ।

আমিঃ আসলে আমিও সরি ।

তিথীঃ তুমি সরি কেন ?

আমিঃ আমিও একই কাজ করছি তাই ।

তিথীঃ হুমম ঠিক আছে । তোমার মতো কিউট পিচ্চিকে মাফ করাই যায় ।

আমি একটু মুচকি হাসলাম । তারপর তিথী আবার আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বললো,,,,,

তিথীঃ তাহলে আজ থেকে আমরাও ফ্রেন্ড ।

কিছুক্ষণ চিন্তা করে আমিও হাত বাড়িয়ে দিয়ে বললাম,,,,,,

আমিঃ ওকে ফ্রেন্ড ।

তারপর আরো অনেক কথা বলে পড়াশোনায় মনোযোগ দিলাম । এক ঘন্টার মতো পড়াশোনা করার পর খাওয়ার জন্য ডেকে গেলো আপু ।

খাওয়ার টেবিলে সবাই এক সাথে খাওয়ার সময় হঠাৎ আব্বু বলে উঠলো,,,,,,,,

আব্বুঃ রাকিব,,জান্নাত ।

আমিঃ ও আপুঃ জ্বি আব্বু ।

আব্বুঃ তোমরা কাল কেউ কলেজে যাবে না ।

আমিঃ কেন আব্বু ।

আব্বুঃ কারন কালকে জান্নাতকে পাত্রপক্ষ দেখতে আসবে ।

আমিঃ কিহহ । এতো তাড়াতাড়ি ওর বিয়ে দিয়ে দিবে । আর জান্নাত আপুর থেকে মতামত নিয়েছো ।

আব্বুঃ জান্নাত তোমার কি মতামত ।

আপুঃ আব্বু আপনি যা বলবেন তাতেই আমি রাজি ।

আমি আপুর দিকে তাকিয়ে বির বির করে বললাম,,,,,,,

বাহহ এতো দেখি এক পায়ে রাজি বিয়ে করার জন্য । বিয়ের কথা শুনে মনে লাড্ডু ফুটছে ।

আব্বুঃ বির বির করে কি বলো ।

আব্বুর কোথায় চমকে উঠে বললাম,,,,,,

আমিঃ কই না তো আব্বু কিছু না ।

আব্বুঃ হুমম ঠিক আছে এখন সবাই খাও ।

আমিঃ আচ্ছা ।

আব্বুঃ আর হ্যাঁ তিথী মামুনী ।

তিথীঃ জ্বি আঙ্কেল ।

আব্বুঃ তোমার ও কাল একা একা ভার্সিটিতে যাওয়ার দরকার নেই । তুমি জান্নাতের সাথেই থাকবে ।

তিথীঃ ওকে আঙ্কেল ।

তারপর সবাই খাওয়া শেষ করে যে যার রুমে চলে গেল । তিথী আর আপু ঘুমানোর সময়,,,,,,

তিথীঃ কি ব্যাপার জান্নাত তুমি এই বিয়েতে রাজি হলে কেন ?

আপুঃ কারন যে ছেলে আমাকে দেখতে আসছে সে আর আমি একে অপরকে ভালোবাসি । আমাদের দুই বছর ধরে রিলেশন । আমিই ওকে আসতে বলেছি ।

তিথী আপুর কথা শুনে চোখ বড় বড় করে বললো,,,,,,

তিথীঃ কিহহহহহহ ।

আপুঃ হুমম এটাই সত্যি ।

তিথীঃ তাহলে তোমার ভাইয়া জানে না কেন ?

আপুঃ কে বললো জানে না ।

তিথীঃ তো তাহলে খাওয়ার সময় এরকম রিয়াক্ট করলো কেন,,?

আপুঃ এটা ওর ই নাটকের অংশ । সবাই এমন ভাব করবে যেন কেউ কিছুই যানে না । এই ফার্স্ট টাইম শুনছে ।

তিথীঃ ওর মাথায় এতো প্যাচ কই থেকে আসে ।

আপুঃ ও এরকম ই ।

তিথীঃ তোমার ভালোবাসার মানুষকে তো পেয়ে গেলে । আমারটা যে আমি কবে পাবো ।

আপুঃ টেনশন কইরো না তুমিও পাবে ।

তিথীঃ হুমম দেখা যাক ।

আপুঃ হুমম এখন চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়ো ।

তিথীঃ হুমম । গুড নাইট ।

আপুঃ গুড নাইট ।

পরেরদিন সকালে আমরা সবাই খুব তাড়াতাড়িই ঘুম থেকে উঠলাম । উঠে ফ্রেশ হয়ে সবাই এক সাথে নাস্তা করে কাজে লেগে পড়লাম ।

অনেকক্ষণ কাজ করে আমি আমার রুমে রেস্ট নিচ্ছি । এই ফাঁকে অনলাইনেও গেলাম । দেখলাম আয়শা অনলাইনে নেই । তাই অফলাইন হয়ে রুমে শুয়ে আছি ।

তিথী আগেই গোসল করে বসে আছে । আজকে তিথী কালো রঙের একটা শাড়ী পড়েছে । ওকে অনেক সুন্দর লাগছে । তিথীকে বলা হলো আপুর রুমটা একটু ফুল দিয়ে সাজাইতে ।

তিথীঃ জান্নাত ফুল গুলো কোথায়,,,?

আপুঃ রাকিব ভাইয়া আনছে । ওকে বলো ।

তিথীঃ ওকে ।

তিথী আমার রুমে এসে বললো,,,,,

তিথীঃ রাকিব,,

আমিঃ হুমম বলেন ? কিছু লাগবে ?

তিথীঃ জান্নাতের রুম টা সাজাতে হবে । ফুল গুলো কোথায় রাখছো ।

আমিঃ ওই যে আমার বুক সেলফের উপরে রাখছি । নিয়ে নেন ।

তিথী ওখানে গিয়ে অনেক চেষ্টা করেও ফুলের নাগাল পেলো না ।

তারপর,,,,,,,,,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,

পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
286 Views
14 Likes
4 Comments
4.6 Rating
Rate this: