একটু পর আমিও আমার রুমে না গিয়ে সোজা আপুর রুমে গেলাম ।
আমি ভিতরে গিয়ে বসে আছি । এমন সময় তিথী বাথরুম থেকে বের হয়ে আসলো ।
আমাকে দেখেই জোরে একটা চিৎকার দিলো ।
তিথীঃ আআআআআআআআ ।
তিথীর চিৎকার শুনে আমিও চিৎকার দিলাম,,,,,,,,,,
আমিঃ আআআআআআআআ,,,,
আমার চিৎকার শুনে আবার আপু বাথরুম থেকে বের হয়ে আসলো । এসে বললো,,,,,
আপুঃ কিরে কি হয়েছে । চিৎকার দিলি কেন ?
আমিঃ আপু তোমার বান্ধবী বাথরুম থেকে..........
এতটুকু বলতেই তিথী আমার মুখ চেপে ধরে বললো,,,,,,,
তিথীঃ আসলে হঠাৎ করে তোমার ভাইয়া রুমে চলে আসার কারণে আমি ভয় পেয়ে যাই । আর আমার চিৎকার শুনে তোমার ভাই চিৎকার দেয় ।
আপুঃ ওহ এই কথা আমি তো ভেবেছিলাম,,,,,,,
তিথীঃ কি ভাবছো তুমি ।
আপুঃ না কিছু না ।
আমিঃ আপু আমি আমার রুমে পরে টাকা নিতে আসবো ।
আপুঃ ঠিক আছে ।
আমি আমার রুমে এসে ভাবতে লাগলাম,,,,,
এটা কি হলো । আমার শরীরে এখনো ক্যারেন্ট বয়ে যাচ্ছে । এ কেমন অনুভূতি । আর সবচেয়ে বড় কথা আমি যে তিথীর শরীরের অনেকটাই দেখে ফেলেছি ।
আমার এখন অনেক লজ্জা লাগছে । আমি আর তিথীর সামনে যেতে পারবো না ।
একটু পর আমিও বাথরুমে গিয়ে গোসল করে বের হলাম । আমার গায়ে শুধু একটা থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট ।
এমন সময় তিথী আমার রুমে আসলো । এসেই আমার দিকে না তাকিয়েই বলতে শুরু করলো,,,,,,,,,
তিথীঃ কোন মেয়ের রুমে যাবার আগে পার্মিশন নেওয়া লাগে সেটা জানো না............
কথা টুকু বলতেই আমার দিকে তাকিয়ে একটা চিৎকার দিলো,,,,,,,,
তিথীঃ আআআআআআআআ ।
তিথীর চিৎকার শুনে আমিও আবার চিৎকার দিলাম,,,,,,,
আমিঃ আআআআআআআআআ ।
তিথী এক দৌড়ে বাহিরে চলে গেল । আর তারপর আমি তারাতাড়ি কাপড় পরে আপুর রুমে গেলাম । গিয়ে আপুকে বললাম,,,,,,
আমিঃ আপু তোমার বান্ধবী কোথায় ?
আপুঃ মনে হয় ছাদে গেছে । কেন কি হইছে ?
আমিঃ কিছু না এমনি ।
বলেই আপুর রুম থেকে বেরিয়ে সোজা ছাদে গেলাম । ছাদে গিয়ে দেখি তিথী দাড়িয়ে আছে ।
আমিঃ এই যে ম্যাডাম আপনি আমার রুমে কিছু না বলে চলে গেলেন কেন ,
তিথীঃ তুমিও তো না বলেই চলে গেছো ।
আমিঃ আমাকে তো আপু যেতে বলেছিলো ।
তিথীঃ দেখো আমি জানি এইটা একটা এ*ক্সি*ডে*ন্ট এটা নিয়ে এত চিন্তা করার কিছু নাই
।
আমিঃ ঠিক আছে, কিন্তু কাউকে কিছু বলবেন না । এমন কি আপুকেও না ।
তিথীঃ এই কথা তো আমার বলার কথা সেটা তুমি বলছো ।
আমিঃ হুমম । কারন আপনি আমার পুরো শরীর দেখেছেন তাই চিন্তাটা আমার বেশি ।
তিথীঃ হাহাহাহা ।
আমিঃ হাসেন কেন ?
তিথীঃ এমনিই ।
আমিঃ যাইহোক আপনার নাভিটা কিন্তু অনেক সুন্দর ।
পিছন থেকে তিথী বলতেছে,,,,,
তিথীঃ ওই দুষ্ট ছেলে । দাঁড়াও বলছি ।
কিন্তু কে শুনে কার কথা । বলেই এক দৌড়ে ছাঁদ থেকে রুমে চলে এলাম ।
দুপুরে খাওয়া শেষ করে একটু রেস্ট নিয়ে বিকেলে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে বাহিরে চলে গেলাম । আড্ডা দিতে দিতে কখন যে সন্ধ্যা পার হয়ে গেছে বলতেই পারি না ।
ফোন বের করে দেখি আপু ফোন করেছে,,,,,
আপুঃ কি রে বাসায় আসবি না । কখন গেছিস ।
আমিঃ হ্যাঁ যাচ্ছি ।
আপুঃ তাড়াতাড়ি আয় ।
আমিঃ ওকে ।
তারপর বন্ধুদের থেকে বিদায় নিয়ে বাসায় চলে আসলাম । এসে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে আপুর রুমে গেলাম পড়তে । আপুর রুমে যেতেই আপু বললো,,,,,,,
আপুঃ আজকে থেকে তোকে তিথী পড়াবে । যতদিন তিথী থাকবে ।
আমিঃ কেন ?
আপুঃ কারন আমি আম্মুকে হেল্প করতে পারবো কাজে তাই ।
আমিঃ আমি উনার কাছে পড়তে পারবো না । আমি গেলাম ।
আপুঃ কিহহহহ । বস বলছি ।
আমিঃ আরে এতো ধমকাও কেন । বসছি তো ।
বলেই পড়ার টেবিলে বসে পড়লাম । তিথীও আমাকে পড়াতে শুরু করলো । আপু চলে গেল আম্মুর কাছে ।
আমি কোনো কথা বলছি না । হঠাৎ ই তিথী বলে উঠলো,,,,,,,,,,
""
""
""
চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,
পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন । ধন্যবাদ ।
ছোট্ট লেখকের প্রেমে
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
257
Views
14
Likes
6
Comments
4.5
Rating