গাছটির গল্প

নিম্নে একটি মৌলিক গল্প দেওয়া হলো, যা আগে কেউ লেখেনি:

**গাছটির গল্প**

নাম তার বটেশ্বর। সবাই তাকে এই নামেই ডাকত। তার বিশাল আকৃতির জন্য নয়, বরং তার নিচে যে মেলা বসত তার জন্যই সে বিখ্যাত ছিল। বটেশ্বর ছিল এক শতবর্ষী বটগাছ, যে গ্রামের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ছিল সবকিছুর সাক্ষী হয়ে। ছোটবেলা থেকেই বটেশ্বর এই গ্রামটির কেন্দ্রবিন্দু ছিল। যত আনন্দ, দুঃখ, সাফল্য, ব্যর্থতা, সবকিছুর সাক্ষী ছিল এই বটগাছ।

একদিন সকালে গ্রামের কিছু মানুষ এসে ঠিক করল যে বটেশ্বরকে কেটে ফেলা হবে। কারণ, তার শিকড় নাকি বাড়ি ঘরের ক্ষতি করছে। কিন্তু গ্রামের বৃদ্ধা শচী মা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করলেন। তিনি বললেন, "বটেশ্বরকে কেটে ফেললে শুধু একটি গাছ নয়, আমাদের গ্রামটির হৃদয়ও কেটে ফেলা হবে।"

কিন্তু মানুষের চাহিদা বড়, তাই তারা কেটে ফেলার জন্য প্রস্তুতি নিল। সেই রাতে, অদ্ভুত এক ঘটনা ঘটল। গ্রামের সব মানুষ তাদের স্বপ্নে দেখল বটেশ্বর তাদের ডাকছে। বটগাছের পাতার ফাঁকে যেন এক গভীর চেহারা উঁকি মারছে, যেন বটেশ্বর তাদের কিছু বলতে চায়।

সকালে সবাই জড়ো হল বটগাছের নিচে। কেউ কেউ বলল, "আমরা ভুল করছি, বটেশ্বরকে বাঁচাতে হবে।" অন্যরা বলল, "এটা তো কেবল একটি গাছ, এতে এত ভয় পাওয়ার কি আছে?"

কিন্তু শচী মা একটিও কথা বললেন না। তিনি শুধু বটগাছটির
15 Views
0 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই