হিন্দু মুসলিম সব ধর্মের মানুষকে, আমার এই ধারাবাহিক টা পড়ার অনুরোধ রইলো ।আসা করি অনেক অনেক অজানা বিষয় জানতে পারবেন ইন শা আল্লাহ।
জাহান্নাম সেই আগুনের বাসস্থানকে বলা হয়, যেখানে রেখে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তার অবাধ্যদেরকে শাস্তি দেবেন। ফারসীতে একে ‘দোযখ’ বলা হয়, বাংলাতে নরক।
এটিকে আগুনের কারাগার বা জেলখানাও বলা যেতে পারে, যেখানে আল্লাহদ্রোহীরা চিরবন্দী থাকবে। যারা আল্লাহকে অবিশ্বাস করে, জান্নাত-জাহান্নাম অবিশ্বাস করে, নবী-রসূলকে মিথ্যা মনে করে, যারা পাপ করে, অন্যায় ও অপরাধ করে, তাদের পারলৌকিক ঠিকানা হবে এই দোযখ।
এই জাহান্নাম হল মানুষের সবচেয়ে বড় লাঞ্ছনা, সবচেয়ে বড় ক্ষতি। মহান আল্লাহই সে কথা বলেছেন,
অর্থাৎ, হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি যাকে দোযখে প্রবেশ করাবে, তাকে নিশ্চয় লাঞ্ছিত করবে। আর অত্যাচারীদের জন্য কোন সাহায্যকারী নেই। (আলে ইমরানঃ ১৯
অর্থাৎ, তারা কি জানে না যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাহলে সুনিশ্চিতভাবে তার জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন; সে তাতে অনন্তকাল থাকবে। এটা হচ্ছে চরম লাঞ্ছনা। (তাওবাহঃ ৬৩)।
অর্থাৎ, বল, আসল ক্ষতিগ্রস্ত তো তারাই; যারা কিয়ামতের দিন নিজেদেরকে ও নিজেদের পরিজনবর্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। জেনে রাখ, এটিই সুস্পষ্ট ক্ষতি৷’ (যুমারঃ ১৫)
জাহান্নাম জাহান্নামীদের বড় নিকৃষ্ট ঠিকানা, দোযখ দোযখীদের বড় নিকৃষ্ট বিশ্রামাগার, নিকৃষ্ট শয়নাগার। মহান আল্লাহ বলেন,
অর্থাৎ, নিশ্চয় তা আশ্রয়স্থল ও বসতি হিসাবে অতীব নিকৃষ্ট! (ফুরকানঃ ৬৬
অর্থাৎ, এ হল (সাবধানীদের জন্য) আর সীমালংঘনকারীদের জন্য রয়েছে নিকৃষ্ট পরিণাম; জাহান্নাম, সেখানে ওরা প্রবেশ করবে, সুতরাং কত নিকৃষ্ট সে শয়নাগার। (স্বাদঃ ৫৫-৫৬)
অর্থাৎ, বল, ‘সত্য তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে সমাগত; সুতরাং যার ইচ্ছা বিশ্বাস করুক ও যার ইচ্ছা প্রত্যাখ্যান করুক। আমি সীমালংঘনকারীদের জন্য প্রস্তুত রেখেছি অগ্নি, যার বেষ্টনী তাদেরকে পরিবেষ্টন করে থাকবে। তারা পানীয় চাইলে তাদেরকে দেওয়া হবে গলিত ধাতুর ন্যায় পানীয়; যা তাদের মুখমন্ডল দগ্ধ করবে; কত নিকৃষ্ট সেই পানীয় এবং কত নিকৃষ্ট সেই (অগ্নির) আশ্রয়স্থল। (কাহ্ফঃ ২৯)
আজকে এই পযন্তই,,,,,,,,,
সবার রিভিও দেখে দ্বিতীয় পর্ব দিবো ইন শাল্লাহ।
জাহান্নাম (পর্ব ১)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
723
Views
14
Likes
6
Comments
4.4
Rating