সকল প্রশংসা মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আকাশ জমিন পাহাড় নদনদী অতএব সকল কিছু সৃষ্টিকারী।
আজকে আমি একটি নান্দনিক দিক নিয়ে কথা বলব বিষয়টি মূলে রয়েছে যা তা হচ্ছে সূরাতুল ফাতেহা।
সূরা ফাতিহা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা আমি অধমের পক্ষে অসম্ভব কারণ এই সূরা হল সকল কোরআনের মূল কোন কোন রেওয়াতে বলা হয়েছে উম্মুল করা অর্থাৎ কোরআনের মা সূরা ফাতিহা কুরআনের ভূমিকা ও বলা হয় কোরআনে যা লিখা আছে এর সকল অর্থ সূরা ফাতেহায় মহান রাব্বুল আলামিন সারসংক্ষেপ সূরা ফাতিহা বলে দিয়েছেন।
আচ্ছা আরো সহজ ভাষায় আমরা আলোচনা করি মনে করেন আপনি বাংলাদেশ সম্পর্কে রচনা লিখলেন প্রথমে আপনাকে রচনা স্টেপ হিসেবে যা লিখতে হবে সেটা হল ভূমিকা
অর্থাৎ রচনার সারসংক্ষেপ তারপর অবস্থান বৈশিষ্ট্য তারপর উপসংহার মানে আপনার মনের ভাব মহান রব্বুল আলামীন সূরা ফাতিকে ঠিক সেরকম ভাবে সাজিয়েছে পুরো কোরআনের সারসংক্ষেপ আলোচনা করেছেন যেমন 1 থেকে 3 নং আয়াত পর্যন্ত বলেছেন ভূমিকা
4 নং এতে আমরা আল্লাহর অবস্থান দেখতে পাই 4 নং আয়াতে বলা হয়েছে আমরা শুধুমাত্র আপনার ইবাদত করি এটা তারা কি এরকম বুঝায় না তিনি একমাত্র ইবাদত পাওয়ার মতো অবস্থান আছে তা আমরা যখন যেখানেই যায় সে যে আমল করে একমাত্র তিনি হকদার এবং সেই অবস্থানে আছেন এবং গুণ হচ্ছে আমরা যে তারই ইবাদত করি তিনি আসমান জমিন সৃষ্টি করেছেন আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন অতএব সকল গুণ তো তারে অর্থাৎ ৪ হলো তার অবস্থান সম্পর্কে তারপর পাঁচ থেকে সাত নং আয়াতে হচ্ছে উপসংহার।
যেমন আমাদেরকে সঠিক পথে চালান যে পথে নবী রাসুল আল্লাহর ওলীরা চলে গেছে এবং সে পথে চালিয়ে না যে পথে কাফির ও জালিমরা গেছে চলে এ হল সূরা ফাতিহার ভূমিকায় হিসেবে অবস্থান।
আচ্ছা এবার তাহলে আসল কথায় আসা যাক সুরা ফাতেহা তিনভাগ আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই সূরা ফাতিহা তো একটাই তাহলে তিন ভাগ কিভাবে হলো আচ্ছা সব বলবো আপনি আমাকে এই প্রমান দেখাতে পারেন যে কোরআন সকল সূরার মধ্যে সম্পূর্ণরূপে একবারে সুরা ফাতেহা নাজিল হয়েছে তাহলে সূরা ফাতিহা তিনভাগের কিভাবে হয়?
আচ্ছা বিচলিত হওয়ার কারণ নেই আচ্ছা আমরা কি জানি সূরা ফাতিহা কে মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের জন্য স্বাগতম প্রেরণ করেছেন এটাও মাথায় ঢুকছে তো আচ্ছা বলছি আমরা আগে স্বাগতম জানা প্রয়োজন স্বাগতম হলো কোন সম্মানিত ব্যক্তিবর্গকে সদরে আপ্যায়নের মাধ্যমে আমন্ত্রণ এই স্বাগতমকে আমরা তিনটি ভাগ করতে পারি তা হলো ঔ গুণ পরিচয় ও দাবি এই তিনটি রূপকে আমরা একটু বিশ্লেষণ করি মনে করেন আপনাদের এলাকায় এমপি মহোদয় আসবে আপনাকে সেই অনুষ্ঠানে এমপি মহোদয়কে স্বাগতম জানানোর জন্য বলা হলো আই মিন স্বাগতম বক্তব্য হিসেবে আপনাকে নির্বাচন করা হলো তখন আপনি ঠিক এরকম বলবেন।
যেমন মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আগমনে আমরা আজকে খুশি আমাদের কাছে আপনাদের মত সম্মানিত ব্যক্তি আশা সত্যিই আমরা ভাগ্যবান ইত্যাদি ইত্যাদি মানে তার গুণগান প্রথম অবস্থায় করবেন তারপর আপনার পরিচয় দিবেন এরকম যে হে প্রিয় নেতা আমরা সব সময় আপনার সাথে ছিলাম সব সময় থাকবো আপনি এগিয়ে যান ইত্যাদি ইত্যাদি
পরিচয় পর্ব শেষ তারপর কি বলবেন আপনারা চাওয়া পাওয়া এরকম এই নেতা আমাদের গ্রামের কোন ভালো রাস্তা নেই ভালো ব্রিজ নেই এই প্রতিষ্ঠান এটা নেই ওটা নেই ইত্যাদি ইত্যাদি অর্থাৎ আপনার দাবিদাওয়া এরকম হবে ঠিক আপনার বক্তব্য মহান রব্বুল আলামীনের ঠিক এরকম ভাবে সুরা ফাতেহারকে তিনটি রূপ দিয়ে স্বাগতম সূরা হিসাবে পাঠিয়েছেন।
সূরা ফাতেহার প্রথম আয়াতে কি বলা হয়েছে সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ তাআলার ২ নং আয়াত বলা হয়েছে তিনি পরম করুনাময় দয়ালু ৩ নং আয়াতে বলা হয়েছে তিনি বিচার দিনের মালিক
1. all praise due to Allah Lord of the world's
2. the entirely merciful the specially merciful
3.Sovereign of the day of recompense
এই প্রথম তিন আয়াতে দ্বারা গুণ সম্পর্কে মানে মহান আল্লাহর গুণ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে ।
তারপর ৪ নং আয়াতে বলা হয়েছে আমরা তোমার ইবাদত করি এবং তোমারই কাছে প্রার্থনা করি
4. it is you we worship and you we ask for help
এ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে নিজের পরিচয় দেওয়াকে অর্থাৎ মহান রব্বুল আলামীনের কাছে আমরা আমাদের পরিচয় দিতেছি।
তারপরের ৫ ও ৬ নং আয়াতে বলা হয়েছে আমাদের কে সঠিক পথে চালান যে পথে নবী রাসুল আমাদেরকে সঠিক পথ দেখান।
এবং ৭ নং আয়াতে বলা হয়েছে তাদের প্রতি নয় যাদেরকে তুমি পথভ্রষ্ট কর
5. guide us to the straight path
6. the path of those upon whom you have bestowed favor not of those who have avoid your angry or of the those who are stray.
অতএব আমরা বুঝতে পেরেছি যে মহান আল্লাহতায়ালা এই সুরা কে কত তাৎপর্যময় করে তৈরি করেছেন।
আশা করি সুরা ফাতেহা তিনভাগ বুঝতে পেরেছেন আল্লাহ সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুক আমিন
সূরা ফাতিহা তিনভাগ!!!
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
1.18K
Views
24
Likes
3
Comments
4.1
Rating