সূরা ফাতিহার ফযিলত

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
সূরা ফাতিহা উম্মুল কুরআন কুরআনের জননী।
আবু সাঈদ ( রা) এক বিচ্ছু দংশনকারী সাতবার সূরা ফাতিহা পাঠ করে ঝাড়ফুক করলেন।
এটা শুনে রসূল সা বললেন,
কীভাবে তুমি জানলে এটা দিয়ে ঝাড়ফুক করা যায় ।
এক ফেরেশতা রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
সালাম দিয়ে বললেন,
আপাদমস্তক দুটি নূরের সংবাদ গ্রহণ করুন,
যা আপনার পূর্বে কোনো নবিকে দেয়া হয়নি :
সূরা ফাতিহা ও সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত।
রসূল ( সা) বলেন,
এই সূরা হলো নামাজের প্রতেক রাকাআতের
পঠিত ৭ টি আয়াত এবং মহা কুরআন,
যা আমাকে দান করা হয়েছে ।
হয়রত আলী ( রা) বলছেন,
কোনো বিপদে পতিত ব্যাক্তি যদি এক হাজার বার সূরা ফাতিহা পাঠ করে ওই ব্যাক্তির আর কোনো বিপদ
হতে পারে না ।
হয়রত ইমাম জাফর সাদেক ( রা) বলছেন,
৪১ বার সূরা ফাতিহা পাঠ করে পানিতে ফুক দিয়ে কোনো অসুস্থ ব্যাক্তিকে খাওয়ালে
অসুস্থ ব্যাক্তি সুস্থ হয়ে যাবে ।
সূরা ফাতিহা পাঠ কররার পর যাখন তোমাদের কেউ আমিন বলে, আর আসমানের ফেরেশতারাও আমিন বলে তারপর উভয় আমিন যদি মিলে যায় তাহলে জীবনের সমস্ত পাপ ক্ষমা করে দেয়া হয় ।
সূরা ফাতিহা পড়ে যে ব্যাক্তি আল্লাহর কাছে রোগের শিফা চাইবে, আল্লাহ তাকে ওই রোগ থেকে শিফা দান করবেন।
হয়রত মুহাম্মদ ( সা) বলেছেন,
সন্তান যদি বাবার কবরের পাশে গিয়ে একবার সূরা ফাতিহা পড়ে , এবং সন্তান যদি তার মায়ের কবরের পাশে গিয়ে একবার সূরা ফাতিহা পড়ে তাহলে ৪০ দিন পর্যন্ত ঐ কবরের আজাব মাফ করে দেয়া হয়।
নবি করিম সা : ফরমান সূরা ফাতিহা সর্ব প্রকারে রোগের চিকিৎসা ।
যদি কেউ বিসমিল্লাহ সাথে ৪০ বার পড়ে যদি, রোগীকে দম করে, তবে সে আল্লাহর রহমতে
আরোগ্য লাভ করবে।
সূরা ফাতিহা পাঠ করলে কুরআনের দুই তৃতীয়ংশ পড়ার সমতুল্য সওয়াব লাভ করা যায়।
ফজরের সুন্নত ফরজ এর মাঝখানে বিসমিল্লাহ মিমের সঙ্গে আলহামদু লাম কে মিলিয়ে ৪১
বার করে ৪০ দিন পাঠ করলে যেকোনো
নেক উদ্দেশ্য পূরণ হয়।
সূরা ফাতিহা ৩ বার পাঠ করলে ২ খতম
কোরআনের সমান নেকি
লাভ করা হয়।
সূরা ফাতিহা পড়ে দাঁত মাথা ও পেটের ব্যাথায় ৭ বার
করে দম করলে ব্যাথা দুর হয়।
সূরা ফাতিহার মতো আর কোনো সূরা নেই।
রাসূল ( সা) বলেছেন সেই সত্তার শপথ,
যার হাতে আমার প্রাণ তাওরাত,
যাবূর, এবং কুরআনের সূরা ফাতিহার মতো
কোনো সূরা নাজিল হয়নি।
রাসূল ( সা) বলেন,
সেই ব্যাক্তির নসমাজ হয় না,
যে ব্যাক্তি তাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করে না।
নিয়মিত সূরা ফাতিহা পাঠ করলে,
ঋণ থাকলে ঋণমুক্ত হবে, ও সম্পদহীন থাকলে
সম্পদ লাভ হবে।
সূরা ফাতিহায় এতই বরকত যে,
তা নাজিল হওয়ার সময় শয়তানও কেঁদেছিল।

আশা করেছি সবাই সূরা ফাতিহার ফঢ়িলত বুঝতে পেরেছ। 👏
23 Views
1 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this: