পর্ব (০৩)
প্রিন্সিপাল স্যার- I'm so sorry, জিদান আসলে আমি বুঝতে পারিনি যে উই বখাটে গুলো ইভটিজিং করবে আর কেউ কমপ্লেইন ও দেয় নি so, ওদের কলেজে বের করার ও কোনো চান্স ছিল না নেতার ছেলে তো
আমি- it's ok but আব্বুকে কিছু বলেননি কেন,,,,,,???
প্রিন্সিপাল-কেউ যদি কমপ্লেইন দিতো তাহলে তোমার আব্বুকে বলতাম কিন্তু ভয়ে কেউ কমপ্লেইন ই করে নাই
আমি- আচ্ছা no, চিনতা আমি আব্বুকে বলে বের করিয়ে দিব ওই নেতা আমাদের কোনো কিছু করতে পারবে না ইনশাআল্লাহ
প্রিন্সিপাল- হুম তাই করো
এরই মধ্যে সব স্যার মেডাম রাও ক্যান্টিনে এসে হাজির
তারপর স্যার মেডাম রা আমাদের জন্য first aid kit নিয়ে আসলো তারপর আমাদের ইলাজ করতে লাগলো
আমাকে একটা সুন্দরী মেডাম ব্যান্ডেজ ও স্যাভলন লাগিয়ে দিচ্ছিল শুধু সুন্দরী বললে ভুল হবে পুরা কলেজের ক্রাশ কিন্তু আমাকে ছাড়া আমি ঐরকম পোলা না আর আমার ফ্রেন্ডস রাও না 😌😌😌😌😌
এইটা দেখে বৃষ্টির একটুও সহ্য হচ্ছিলো না কারণ ওর স্বামীর কাছে কেউ যদি যায় এটা ওর একটুও পছন্দ না কিন্তু নিজের রাগ কন্ট্রল করে রাখলো কারণ এইখানে কারোর কোনো দোষ নাই।
তারপর সব স্যার মেডাম রা চলে গেল আর আমি আর
বৃষ্টি একসাথে ক্যান্টিনে বসে আছিলাম আর দেখলাম রাগ করে অন্যদিকে তাকিয়ে আছে আমি বললাম
আমি- সরি বউ আর মারামারি করব না এইবার তো ক্ষমা করে দাও
বৃষ্টি-না আমি আপনার উপর রাগ করে নেই(মনে মনে, এইখানে আপনার তো কোনো দোষ নাই তো আমি রাগ করে আছি কেন)
আমি-তাহলে এইভাবে বসে আছো কেন অন্যদিকে,আমার দিকে ঘুরে একটু স্মাইল করো
বৃষ্টি-ওরে আমার জামাই টা (আমার নাক ধরে বললো)
আমি-এই সবাই দেখছে😁😁😁😁😁😁
উই নাক ছেড়ে দিয়ে লজ্জা পেয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে
আমি- আসো বউ ক্লাসে যাই
বৃষ্টি-ওকে আসুন
তারপর সবটা ক্লাস করে বাড়িতে আসলাম আমাকে দেখে আম্মু আর ভাবি দৌড়ে আসলো
আম্মু- কিরে জিদান তোর হাতে ব্যান্ডেজ কেন😰😰😰😰😰
ভাবি- হুম কোথাও কি মারামারি করছিস নাকি😱😱😱😱😱
আমি- আরে ঐটা কোনো বেপার না এমনেই
বৃষ্টি-কিসের কোনো বেপার না আমি বলছি তারপর বৃষ্টি ওনাদের সব বললো
আম্মু-একদম ঠিক করছিস আচ্ছা মত পিটিয়ে
ভাবি- হুম ওদের এইটাই পরিণাম হওয়া উচিত
আমি- হুম ঠিক করছি না কিন্তু বৃষ্টি হুদাই টেনশন নিচ্ছে
ভাবি- না ভাই বৃষ্টির তো টেনশন হবেই এইটা তো টেনশন এর ই বেপার
আম্মু-যদি তোর কিছু হয়ে যেতো
এর মধ্যে আম্মু বৃষ্টি ভাবি সবাই কেঁদে ফেললেন
আমি- তোমরা কাঁদছো কেন এই নাও কান ধরছি আর এরকম হবে না (কান ধরে)
আম্মু-আচ্ছা যা ফ্রেশ হয়ে আয় একসাথে লাঞ্চ করবো
আমি-ওকে আম্মু
বলে আমি আর বৃষ্টি ফ্রেশ হয়ে আসলাম লাঞ্চ করতে তারপর লাঞ্চ করলাম।
তারপর বাইরে গিয়ে একটু আড্ডা দিলাম বন্ধুদের সাথে।
তারপরে আসরের নামাজ পড়ে বাসায় আসলাম
রাতে ডিনার করে একটু ছাদে গিয়ে বসলাম কিছুক্ষণ পর রুমে চলে গেলাম রুমে গিয়ে দেখি বৃষ্টি শাড়ি পড়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছে
আমি-কি হলো বউ হঠাৎ শাড়ি পড়ছো দেখি আজকে কি কিছু স্পেশাল??????
বৃষ্টি-না এমনেই কেন পড়তে পারি না
আমি-হুম ঐটা তো পারো কিন্তু মনে হয় তুমি শাড়ি পড়তে পারো না
বৃষ্টি-হুম জামাই একটু হেল্প করেন না(অনুরোধ করে)
আমি-আচ্ছা আসো
তারপর আমি ওকে শাড়ি পড়াতে লাগলাম আমার চোখ গিয়ে বাঁধলো ওর নাভির দিকে ও এইটা লক্ষ্য করে বললো
বৃষ্টি- এই জামাই কি দেখছেন😳😳😳😳
আমি-এইটা (ওর নাভির দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করে )
তারপর ওর নাভির সাইডে একটা তিল আছে ঐটাই কিস করলাম😘😘😘😘😘 ও এইটাতে অনেক শিহরিত হয়ে চোখ বন্ধ করে নিলো তারপর আমি উঠে ওর কপালে আলতো করে কিস করলাম
তারপর ওকে শাড়ি পড়িয়ে দিলাম। তারপর একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়লাম।
গভীর রাতে মোবাইলে কল আসলো রিসিভ করতেই আলভী বললো
আলভু- এই শুন আজকে কলেজে যাকে পিটাইলাম না ওর নেতা বাপের কারখানায় দুইটা বড় গাড়ির মধ্যে দেখলাম ড্রাগস সাপ্লাই করছে
আমি- কি কস তুই সত্যি 😮😮😮😮😮
আলভী-হুম আমরা রেকর্ড ও করছি
আমি-আচ্ছা তোরা ওখান থেকে বের হয়ে আয় নাইলে যদি তোদের দেখে তাইলে প্রবলেম হবে ডাইরেক্ট আমাদের বাড়িতে আয় তারপর যা চিনতা করার করবো
তারপর আমি ভাইয়ার রুমে গিয়ে ভাইয়াকে সব বললাম একটু পর ওরাও আসলো তারপর প্ল্যানিং করলাম যে ইলেকশন এর রেজাল্ট এর দিন ওদের সব কু কর্ম সবাইকে দেখাবো। তারপরে সবাই মিলে নামাজ পড়তে গেলাম মসজিদে তারপর সবাই তাদের বাড়িতে চলে গেল তারপর ভাইয়া ও তার রুমে চলে গেল
আমিও চলে গেলাম রুমে গিয়ে দেখি বউ আমার মোনাজাত করছে তারপর ওর মোনাজাত শেষ হওয়ার পর
আমি- আসসালামু আলাইকুম বউ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
বৃষ্টি-ওয়ালাইকুম আসসালাম জামাই❤️❤️❤️❤️❤️❤️
আমি-বউ আমার না ক্ষুদা লাগছে 😋😋😋😋😋😋😋😋
বৃষ্টি- ওকে আমি আপনার জন্য কফি আর কিছু নাস্তা নিয়ে আসছি😊😊😊😊😊😊😊😊
আমি- ওকে বউ আমাদের দুজনের জন্য নিয়ে আইসো একসাথে খাবো।
বৃষ্টি-ওকে হাব্বি 😊😊😊😊😊😊
তারপর উই কফি আর খাবার নিয়ে আসলো তারপরে আমরা বারান্দায় বসে একে অপরকে খাইয়ে দিচ্ছি
হালকা হালকা বৃষ্টি পড়ছে so, রোমান্টিক মোমেন্ট ইয়ার কি বলবো😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍।
তারপর আমরা কিছু গল্প করলাম। তারপর ও গোসল করে আসলো ভেজা ভেজা চুল যা লাগছে না বলে বুঝাতে পারবো না 😍😍😍😍😍😍😍😍
তারপর ওকে জড়িয়ে ধরে গালে চুমু দিয়ে আমি গোসল করতে চলে গেলাম এসে সবাই মিলে নাস্তা করতে করতে আম্মু বললো
আম্মু-অনেক দিন ধরে কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না চলো কোথাও ঘুরতে যাই সবাই মিলে
আব্বু-হুম কথা টা খারাপ না
ভাইয়া-কোথায় ঘুরতে যাবো??????
আম্মু-বিদেশে কোথাও
আমি- না না বিদেশে না
ভাইয়া- নিজের দেশ ই বেস্ট
ভাবি-নিজের দেশে অনেক জায়গাই আছে ঐখান থেকে কোথায় যাবে
বৃষ্টি- I guess কক্সবাজার
আম্মু- হুম বৃষ্টি মা ঠিক বলছে
আব্বু-হুম তাইলে আমি আমাদের রিসোর্টে রুম বুক করে নেই
আমি-ওকে done❤️🖤🖤❤️🖤❤️🖤❤️🖤🖤❤️
আম্মু- আচ্ছা তাহলে বৃষ্টির আম্মু আব্বুকে কেউ ও বলে দেই আর জিদান তোর ফ্রেন্ডস দের ও বলে দে আর ওদের ফেমিলির লোকদের ও
আমি-ওকে
আব্বু-done তাইলে আমি ঐ হিসাবে রুম বুক করে দেই ওকে
সবাই-ওকে
তারপর আমি আর বৃষ্টি কলেজে গেলাম গিয়ে ওদের ঘুরতে যাওয়ার কথা টা বললাম সবাই তো আর ফ্রি না so, হাফসা, বাপ্পি,আর আলভী আর ওদের ফেমিলির লোকজন আসবে। I'm so excited for this ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️.।
তারপর পরের দিন সবাই মিলে ঘুরতে যাওয়ার জন্য রেডি হয়ে
এয়ারপোর্ট এ এসে হাজির।
তারপর ফ্লাইট কক্সবাজার যাওয়ার জন্য প্রস্তুত উড়াল দিলো আকাশে।
আমি আর বৃষ্টি একসাথে বসছি
আসলে টিকিট আমি ই বুক করছিলাম so সবার সিট আমি ই নির্ধারণ করছি😁😁😁😁😁🙂🙂😁😁😁😁😁😁😁😁😁😁😁🙂😁😁🙂😁😁😁😁😁😁😁😁😁😁😁
তারপর কক্সবাজার পৌঁছনোর পর রিসোর্টে গেলাম তারপর সবাই মিলে রিসেপশন এ গিয়ে সবার রুমের চাবি নিয়ে নিলাম তারপর আমি আর বৃষ্টি রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। তারপর যোহরের নামাজ পড়ে দুপুরে বের হলাম সবাই।
তারপর আমি আর বৃষ্টি একটু দূরে গিয়ে সমুদ্রের বুকে হাটাহাটি করছি একে অপরের হাত ধরে😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍 তারপর একটা বেঞ্চে বসে পড়লাম উই আমার কাঁধে মাথা রেখে বসে আছে আমার হাত ধরে😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍
আমি-এই মোমেন্ট টা অনেক রোমান্টিক না বউ❤️❤️❤️❤️❤️❤️
বৃষ্টি-হুম জামাই😊😊😊😊😊😊😊😊😊😊
তারপর আমরা অনেক গল্প করলাম
তারপর রিসোর্ট এর রেস্টুরেন্টে গিয়ে লাঞ্চ করে নিলাম। তারপর রাতে আমরা ছেলেরা ছেলেরা আড্ডা দিচ্ছি হঠাৎ করেই কারেন্ট চলে গেল সব কিছু অন্ধকার হয়ে গেল একটু পড়ে বৃষ্টির চিল্লান এর শব্দ আসলো সাথে সাথে ওই দিকে গেলাম আমরা সবাই
গিয়ে দেখি বৃষ্টি মাটিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে তারপর ওকে চেয়ারে বসিয়ে পানি ছিটিয়ে দিলাম ওর মুখে তারপর ওর জ্ঞান ফিরলো উই অনেক ভয়ে ভয়ে বললো
বৃষ্টি- আমি ঐখানে কিছু একটা দেখছি সাদা কাপড়ে অনেক ভয়াবহ কিছু
ভাবি- কি দেখছো (ঘাবড়ে গিয়ে)😰😰😰😰😰😰😰😰😰
বৃষ্টি-জানি না কিন্তু অনেক ভয়াবহ ছিল ওর চেহারা😰😰😰😰😰😰(অনেক ভয় পেয়ে)
আমি- ঠিক আছে আমি গিয়ে দেখছি
বৃষ্টি- না আপনি কোথাও যাবেন না
ভাবি- নিশ্চই কোনো জিন বা শয়তান
আম্মু- হুম তুই বরঞ্চ ওকে নিয়ে রুমে যা
আমি-কিন্তু মা
আব্বু- কোনো কিন্তু না যেটা বলছে ঐটা শুন
আর হ্যা সবাই সবার রুমে চলে যাও আমি রুমে গিয়ে ইলেকট্রিশিয়ান কে কল করে বলে দেই যে চেক করতে কি প্রবলেম হইছে ওকে
সবাই-ওকে
তারপর আমি আর বৃষ্টি রুমে গেলাম। যাইতে সময় আমি কিছু একটা দেখলাম তারপর আমি পুরো মেটার টা বুঝতে পারলাম।
তারপর ওকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম কিন্তু ও কিছুতেই ঘুমোতে চাচ্ছিলো না অনেক ভয় কাজ করছে ওর মনের মধ্যে।
তারপর আমি ওকে জড়িয়ে ধরে ওর কানের কাছে এসে বললাম
আমি- যখন ঘুমাবেই না so, রোমেন্স ই করি 😇😇😇😇😇😇😇
ও কিছু বললো না তারপর আমি ওর ঠোঁটে চুমু দিলাম ও এইটার রেসপন্স করতে লাগলো আরো কিছুক্ষণ রোমেন্স করে ঘুমিয়ে পড়লাম।
তারপর সকালে উঠে দুজন একসাথে নামাজ আদায় করলাম😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍😍
তারপর নাস্তা করতে গেলাম তারপর সবাইকে বললাম আমি-আচ্ছা দুপুরে নামাজ পড়ে রিসোর্টের এর এনট্রেস এ আমার অপেক্ষা কইরেন কিছু দেখাবো
সবাই-ওকে
তারপর দুপুরে যোহরের নামাজ পড়ে নিচে গিয়ে দেখলাম সবাই নিচে এসে হাজির
তারপর সবাই কে বললাম
আমি-কালকে যে বৃষ্টি বলছিলা কাকে জানি দেখছো তুমি অনেক ভয়ঙ্কর ভয়াবহ
বৃষ্টি- হুম কেন
আমি- দাঁড়াও একটু অপেক্ষা করো সব বুঝবে
আলভী-এই নে তোর ভয়ংকর আদমি (একটা লোককে ধরে এনে)
আমি- হুম তো শুনো সবাই আমাদের রিসোর্টের সামনে আরেকটা রিসোর্ট আছে এইটা তো সবাই জানে রাইট
আব্বু- হুম তো
ভাইয়া-হুম তো আমাদের রিসোর্টের এতো ভালো কিছু দেখে সবাই আমাদের রিসোর্টেই আসতে চায় ওই রিসোর্টে না
আম্মু- হা তো কি হইছে
আমি- তো হইছে কি আম্মু এই হলেন ওই রিসোর্টের ম্যানেজার
সবাই- কি
ভাইয়া-জ্বি ওরা আমাদের এই উন্নতি দেখে ওরা জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে গেছে
আমি- হুম এইজন্য ওরা আমাদের রিসোর্টকে বদনাম করার জন্য এই রিসোর্ট ভুতের আড্ডা এইটা প্রমাণ করার জন্য ওর রিসোর্টের ম্যানেজার কে বলছে ভূত সেজে এইখানে মানুষদের ভয় দেখাতে যাতে সবাই ভয় পেয়ে চলে যায়
বৃষ্টি-কিন্তু আমাকে কেন ভয় দেখালো
আমি- because my wife
তোমাকে ভয় দেখানো সহজ এবং আমরাও যদি তোমাকে অবিশ্বাস না করি এবং আমাদের এই রিসোর্ট বন্ধ করে দেই যাতে ওদের ধান্দা ভালো চলুক
সবাই- ওওও
হাফসা- কিন্তু তুই কিভাবে বুঝলি
আমি-কারণ আমি ওকে ওর ভয়ংকর মাস্ক কে খুলতে দেখছিলাম যখন আমি রুমে যাচ্ছিলাম
সবাই- ওওও
আমি- এখন বেবলার মত ওওও ওওও না করে পুলিশ কে কল দাও।
কমিশনার আঙ্কেল- কল দেওয়ার প্রয়োজন নেই আমরা এখানেই
ভাইয়া- কমিশনার আঙ্কেল আপনি এখানে
কমিশনার আঙ্কেল- হুম এক মুজরিম কে ধরার জন্য কক্সবাজার এসেছিলাম তারপর বাপ্পির কল আসলো তো আমি এখানে
আলভী-কিরে কল কখন দিলি
বাপ্পি- যেসময় জিদান বগর বগর করছিলো
আমি-কিরে পাগলা আমি বগর বগর করছিলাম ইয়া সবাইকে বলছিলাম
বাপ্পি- না মানে আমরা বন্ধুরা আর তাসকিন ভাইয়া তো জানি এই জন্য এই ফাঁকে কমিশনার আঙ্কেল কে কল দিলাম
আমি- দেখিস এর পর থেকে তোকে কিছুই জানাবো না
বাপ্পি-না ভাই এরকম করিস না
আমি- আচ্ছা যা তোকে মাফি ভিক্ষা দিলাম
এই বলে সবাই হেসে দিলাম
তারপর আরো কিছুদিন কক্সবাজার থাকলাম তারপর বাসায় চলে আসলাম।
💝💝💝💝💝💝💝কিছুদিন পর💝💝💝💝💝
পিচ্চি বউ ও পিচ্চি বর এর ভালোবাসা 🥰 পর্ব (০৩)
1.56K
Views
46
Likes
7
Comments
3.9
Rating

সকল মন্তব্যগুলো (7)
good
wow
Onek balo lagsa
next part den plz
bhaiaa next den
Please 4 part
next part