১৪ ই ফেব্রুয়ারি স্যার স্কুলে যেতে বললো সব স্টুডেন্ট দের। যাওয়াটা বাধ্যতামূলক।
তাই না চাইতে ও গেলো সবাই।
স্যার সকাল নয় টায় উপস্থিত হতে বলেছিলেন, আর যে আসবে না তাকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। তাই সকাল নয় টায় সবাই উপস্থিত।
স্কুলের স্যাররা একেক করে বক্তব্য দিয়েই চলেছে।
বক্তব্য চলছে সুন্দর বন দিবস নিয়ে, গাছ লাগালে কতোটা উপকার হবে দেশের এবং পৃথিবীর তাই বুঝাচ্ছেন স্টুডেন্টদের।
ঘন্টার পর ঘন্টা চলে যাচ্ছে কিন্তু বক্তব্য শেষ হওয়ার যেনো নামই নেই।
সব স্যার এর বক্তব্য শেষে এবার এলেন প্রধান শিক্ষক।
বিসমিল্লাহ বলে তিনি তার বক্তব্য শুরু করেন, শেষ হলো বিকেল চার টায়।
প্রধান শিক্ষক এতোক্ষণ তার লিখিত একটি কাগজের টুকরো দেখে দেখেই তার বক্তব্য বলেই চলেছিলো।
বক্তব্য শেষ করে তিনি সবার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখেন, কারো চোখে জল, কারো মুখে হাসি, আবার কেউ থমথমে ভাব নিয়ে বসে আছে।
তিনি মনে মনে ভাবছেন - "আহা! আমার বক্তব্য দেওয়াটা আজ সার্থক হলো। আমার শিক্ষার্থীদের মন ছুঁয়ে গিয়েছে আমার এই লেখনী।"
এদিকে নিব্বা--নিব্বি দের মনে চলছে আজ তো ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসা দিবস। আজ যদি দেখা না হয় নির্ঘাত ব্রেকআপ!
এই ভেবে ভেবেই বেচারা নিব্বা--নিব্বি দের বেহাল দশা।
আর যারা হাসছিলো তারা মূলত তাদের ব্রেকআপ হলেই খুশি।
আর যারা থমথমে ভাব নিয়ে বসে আছে তাদের রিলেশন ই নাই। কিন্তু, এতো লম্বা বক্তব্য শুনতে শুনতেই তাদের এই দশা।

সকল মন্তব্যগুলো (1)
উফ,, হাসতে হাসতে পাগল হয়ে যাব। এতটা হাসির গল্প,, অনেক দিন পর পড়লাম। মুক্তা আপু- এমন গল্প আরো আরো আরো আরো আরো আরো চাই। প্লিজ শিঘ্রই দেবেন। গল্পের আশায় থাকবো। আমার মামাতো বোন যখন রোমান্টিক বউ ধারাবাহিক গল্পটি পড়ার অনুরোধ রইলো। আর লাইক রেটিং, মন্তব্য করে যাবেন। আপনি আমার পাশে থাকলে আমিও আপনার পাশে থাকব! কথা দিলাম।