আগামী প্রজন্ম সোচ্চার ,
বুঝিয়ে দিতে হবে ন্যায্য অধিকার।
মেধাবী ছেলেটা বেকার,
অধিকার চাওয়া মাএই বানিয়ে দেওয়া হলো রাজাকার।
বিষয়টি যদি এমনই হয়,
দেশপ্রেমিক হয়েও বয়ে বেড়াতে হবে নমুনা পরিচয়।
দেশের মানুষের জন্যই হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ,
এসবের উপর করতে যেওনা বাকরুদ্ধ।
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর রুখতে পারতে যদি স্বার্থ না থাকত নাতির,
আর কত রক্ত ঝড়লে অধিকার ফিরে পাবে জাতির।
দেশের মানুষের জন্যই মুক্তিযোদ্ধারা করল লড়াই,
কৌটা দিয়ে আম পেড়ে খেল নাতি পুতিরা আর করল বড়াই।
নদী পার করে দিয়ে নায়ের ভাড়া না নেওয়া মাঝিটিও মুক্তিযুদ্ধের একটি অংশ,
কৌটার কারণে মাঝির ছেলের ভবিষ্যৎ হবে কেন ধ্বংস।
আন্দোলনে সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলে সঙ্গী,
আনদোলনে যেয়ে বিরুদ্ধে গেলে জঙ্গী।
চাইছি শুধু অধিকার,
বানিয়ে দিল রাজাকার।
ভাতা টা সম্মানের আর কৌটা টা বড্ড বাড়াবাড়ি,
রাজপথের ছাএরা এবার সমাধান চাই তাড়াতাড়ি।
আসলে দেশটা কার আর দোষ টা কার,
ন্যায্য অধিকার চাইলেই শুনি আমি নাকি রাজাকার!
যদি এমনই হয় তবে বন্ধ করে দেন পড়ালেখা অন্ধ হয়ে যাক জাতি,
আগামীতে দেশ চালাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি।

কোন মন্তব্য নেই