চাচাতো ভাই যখন রোমান্টিক প্রথম পর্ব ১
বন্ধু যখন রোমান্টিক কতই মজা না প্রথম সিজন পর্ব তোমার সাথে প্রেম করি আজকে মেসেজ করি ভালোই লাগে আমার নাম শায়লা শায়লা আক্তার রাতুল চাচাতো ভাই ডাকে শায়লা এদিকে আসো তখন আমি যাই তখন আমার বয়স প্রায় ১১ বছর আমি মাদ্রাসায় পড়তাম অনেক ভালো যেত ভাইয়ার অনেক বড়লোক ছিল মাদ্রাসায় এতক্ষণ পড়াটা শেষ হয়নি শহরে চলে যায় গ্রামে থাকেন মাঝে মাঝে কথা হতো আমার বাবা ছিল অনেক আমার কষ্ট হতো পড়াশোনা আমার অনেক কষ্ট তখন আমার বাবা অনেকদিন সরকারি চাকরি করতে তখন রাতুল ভাই বিদেশে চলে যায় আমাদের আর যোগাযোগ হয় না সেপ্টেম্বর ভাই আমাকে অনেক ভালবাসতে আমরা গরিব বলে আমার কাছে দেখতে পারতেন তবে আমাদের জীবন কাটা তারপর ১০ বছর পর দেখা হয় তখন আমি শহরে যাই আমি ঈদ পর্যন্ত পড়াশোনা করতে থাকে মন্ডলে চলে যায় পড়াশোনা করার জন্য দশ বছর পর দেখা হয় গ্রামের বাড়িতে আসি উনার মা মিষ্টি দিত নামাজের সাথে তখন আমার চাচা ওদেরকে খবর দেয় আমরা দুই বোন চাচা বলে তুমি হ্যাঁ এসেছে চাচ্চু অনেক অপমান করে বলে গরিব আমাদের সাথে তাদের যায় না এজন্য তো আমরা শহরে চলে গেছে আমার ছেলের সাথে মিশর চেষ্টা করবি না তখন আমি বলি আমরা এসেছি কখন আসতাম না এসেছি এই মুহূর্তে চলে যাবে তখন বাড়িতে চলে আসি অনেক কান্না করে আমার বোন বলে কান্না করিস না কপালে ভাগ্য ছিল চিন্তা করি আমরা একদিন সফলতা পাব শেষ পর্যন্ত লেখাপড়া কইরা আমাদের সামর্থ্য হয় আমার বোনে বলে পড়াশোনা সংসারী কাজ করতাম আমার একটা ভাই ছিল তোমার বয়স ছিল তখন ১০ বছর আর তখন আমার বয়স সেলাই করব আমি কোন ফোন চালাইতাম না ছাত্র বলে গ্রামে থেকে কি করবি পড়াশোনা তো করিস না না চাচ্চু চাকরি করলে ভালো হবে তখন আমার বাবা বলে আমার বাবা তখন বলে শহরে আমার মেয়েকে দেবো না আমার মেয়ে গ্রামে ভালো আছে আমি কিছু বলিনি আমার মা বলে ছেলেটা অনেক ছোট ছোট মেয়েটা ও লেখাপড়া করতে তোমার উপ তখন আমার বাবা না করতে পারে ফেলে দিতে পারেন তখন আমি শহরে চলে যাই আমার ঢাকা শহরে তখন যায় শহরের মাঝে অনেক বড়লোক ছিল আমার ছাত্র নাম আর সব চৌধুরী মেরা বেগম আর আমার মায়ের নাম ছিল আমেনা বাবা নাম ছিল বাবুমি অনেক আপনার বাবার শরীর তোমার বোনের নাম ছিল বৃষ্টি আমার কাছের কোন মেয়ে ছিল না এক ছেলে ছিল তখন আমার জীবন ফোনের মত জীবনে আসে তখন আমার চাচা একটা রুম দেখায় সেই রুমে চলে যাই তারপর এর পরের দিন আমি ঘুম থেকে উঠে আমার চাচি বলে নবাবের বেটি বসে বসে খেতে কাজ করবে না শুকনো আমি রান্না করে চলে যাই কাজ করতে গিয়ে কাজ করে খেতে হয় সব কাজ করেন এর পরের দিন আমার চাচু অফিসে নিয়ে যায় তোর ভাইকে বলে ও আজ থেকে আমাদের অফিসে কাজ করবে রাতুল ভাই কখন বলে অফিসে কাজ করবে কেন সেটা আমি বলেছি অথবা বলে তুমি যা মনে কর এখন আমার জীবনে তখন তুফান নেমে আসে আমাকে বিকেলে ডাকে বাসার সবাই চলে যায় তখন অনেক রাত হয় আমি একটু ভয় ভয় করি আমি বাসায় যাব তখন বলো ছোটবেলাই তো বলতেই বাসায় যাব বাসায় যাব কোন বলিস বাসায় যাবি তোমার অনেক ঘুম পাইছে তাই বুঝি তুমি যাবে না আমি এত কাজ করছি ভালো লাগে অনেকদিন কেটে যায় তারপর ভালোই বললে হয়ে থাকে কেটে হিজাব পড়ে যেতাম শাড়ি পড়তাম এক বছর পরে আমাদের সংসার ভালোই কাটছে অনুষ্ঠান হয় একটা ছেলের সাথে আমার পরিচয় হয় কিন্তু আমার সাথে হাত মিলে অনেক আমাকে মারে এ ছেলের মুখে ধরে নিয়ে বাসায় নিয়ে আসি অনেক মারধোর করতে থাকে আমাকে মনি কান্না করি হলে তোরে তোর সাহস বেশি রাত ধরিস এখনো যায়নি তখন আমাকে মেরে চলে যাও তারপরে আমার ছাত্র আছে তখন ডাক্তার নিয়ে আসে দুইদিন পর আমি অনেক ভালো এতক্ষণ রাতুল ভাই বলে ওকে আর অফিসে কাজ করতে হবে না বাসায় থাকতে হবে তখন মিরাজ চৌধুরীর গান ভালই তো ভালোবেসে রাতুল ভাই বলে কি ভাষায় কোন কাজের লোক থাকবে না কাজ করবে ঠিক আছে ভাইয়া আমি দিন যত যাই সুখে থাকো বাসায় থাকো কাকে বলে আজ থেকে কাজের লোক সিজন টু পরের পর্ব দেওয়া হবে
11
Views
0
Likes
0
Comments
0.0
Rating

কোন মন্তব্য নেই