রোমান্টিক গল্প

প্রথম পর্ব 1অনলাইনে বাস্তবতা আমি ফ্যামিলির আদরের মেয়ে সবার ছোট আমাদের যৌথ ফ্যামিলি মিলি থাইকো ধরবো বাসায় আসতে হয়েছে তখনআমার বাবা মা তখন ভালোবাসতেন ভালোবেসে বিয়ে করেছেন তখন আমার চাচা বাবা দুই বান্ধবীকে বিয়ে করে তখন আমার মা কথা দেন আমার বাবাকে তুই আমার বান্ধবীর সাথে আমার একটা ভালো সম্পর্ক তোমরা দুই ভাইকে দুই বোনের বিয়ে করেছি বোন হয় বান্ধবী হয় ও আমার চাচাতো বোন বেলা তাকিয়ে একসাথে বড় হয়েছে আমার মা ছিলেন অনেক সুন্দরী আমার বাবার প্রেমে পড়ে যান আমার মাও ছিলেন অনেক পাগল আমার বাবার জন্য আমার চাচ্চু অনেক ভালো ছিল ছাত্র একজন ব্যবসায়ী অনেক ভালো অনেক সুন্দর আমাদের আমার চাচ্চু একজন ব্যবসায়ী ছিলেন আমার আব্বু সরকারি চাকরি করতে আমার কয়েকজনের চাচাতো ভাই ছিল তখন আমার ভাইয়ের বয়স আপনার প্রায় তখন আমার বয়স পাঁচ বছর আমি আস্তে আস্তে বড় হয়তে থাকি আমাদের সুখে অনেক দিন কাটে তখন আমি আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে ঘুরতে যাই এটা আমার ভাই দেখতে পায় বয়স আমার 17 বছর তখন আমার ভাইয়ের দিকে রেগে যায় তোমার মেয়ে ছেলের সাথে ঘুরতে গেছে তখন আমি বাসায় আসি আমার আম্মু অনেক রাগ করে আমি বলি মো ভাইয়ের সাথে বেড়াইতে রেগে গিয়ে ভাই আমাকে অনেক থাপ্পড় মার বলে কেন ছেলেটার নাম বলি আকাশ আর মেয়ের নাম হইছে পাখি পাখি তখন বলে ভাইয়া আমাকে নিয়ে গেছে আমি তো যাই নাই আমার বান্ধবীর সাথে আমি জিতেছিলাম ছোট-ছাত্রী তো বললে যাওয়ার জন্য রাগ করার কি আছে রাগ করে চলে যায় রাগ করে চলে যায় রাত হয়ে যায় আসেনা মেয়েটা অনেক ভালো তখনপাখির বাবা পাখিকে বিয়ে দিয়ে দেব অনেক পাখি কান্নাকাটি করে অনেক পড়াশোনা করবে তখন পাখির মা বলে পড়াশোনা করতে হবে না। আকাশ বাড়ি ছেড়ে চলে যায় পাখি কান্নাকাটি করার পরও হয় না কোন পাগলি বিয়ে হয়ে যায় পাখির ঢাকা স্বর্গীয় ছেলেটা ব্যবসায়ী ছিল ছয় বছর পর পাখির বাবার বাড়িতে আসে তখন এসে বাবার বাড়িতে আসেনি তখন আকাশ বিয়ে করার জন্য আসে তখন পাখি বলে কেমন আছো ভাইয়া ছলনা করে চলে গেলে ভালবাসলেই যখন চলে গেলে আমার জীবন কখনো চাইনি তোমাকে কষ্ট দিতে এখন আমাকে এত কষ্ট দিলে ভালো থেকো ভাইয়া সখি ও জীবনে বাস্তব জীবন এটা আমার একটা বান্ধবীর গল্প এটার লেখলাম আমি 2শেষের পর্ব
41 Views
0 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই