মহাপ্রলয় কথাটি কেন প্রথম উচ্চারণ করলাম প্রশ্ন তো অবশ্যই জাগবে? কেন এমন অদ্ভুত কথা বললাম যার আগে কোন অর্থবোধক শব্দ নেই পরেও কোন শব্দ নেই তাহলে কেন বললাম?
মহাপ্রলয় কি ? এটার সংজ্ঞা হয় একেক জনের মধ্যে একেক রকম যেমন আমি অধমের একটু বলি মহাপ্রলয় বলতে আমি যা বুঝি বিকট ঝড় তুফান প্রকম্পন সব ধ্বংস হয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়া ইত্যাদি।
তবে বিখ্যাত ও জ্ঞানী ব্যক্তিবর্গরা অনেক ভালো সংজ্ঞা দিতে পারবেন
আচ্ছা মহাপ্রলয় সম্পর্কে তো অনেক আলোচনা করলাম এখন মানে আপনি যে অবস্থায় আছেন এই অবস্থায় যদি মহাপ্রলয় টা শুরু হয় তাহলে আপনি কি করবেন?
এটা আপনার কাছে আমার প্রশ্ন
কেউ হয়তো ধন সম্পদ বউ বাচ্চার চিন্তা করবেন কেউ ব্যাংক ব্যালেন্স কেউ গুপ্তধন আবার কেউ বাঁচার জন্য দৌড়াবেন ।
আমি ভাই বাঁচার জন্য দৌড়াবো
তবে এবার আসি মূল কথায় কেন বা দৌড়াচ্ছে বাঁচার জন্য প্রলয় তো শুরু হয়নি
তবে আদৌ কি বলা শুরু হবে অনেকের মনে দ্বিধা রয়েছে
একটু লেখার মাধ্যমে সে জগত থেকে আপনাকে ঘুরিয়ে আনলাম
তবে এই প্রলয় সত্যি কাছাকাছি যার সতর্ক আমরা পেয়ে গেছি
অতি দ্রুত ধন সম্পদ গুছিয়ে নেন তবে সে গোছানো না যে সাথে নিয়ে যাব গুছিয়ে বলতে কমিয়ে নেন বোঝাটা হালকা করে নেন
সতর্ক এসে গেছে।
সতর্কতা টা কি?
আবহাওয়া অফিসের এক নম্বর সতর্কের মত না এটা এত কঠিন সতর্ক যে আমাদেরকে প্রতিক্ষনে মনে করিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে আসছে মহাপ্রলয় ।
রাব্বুল আলামিন পবিত্র কুরআনের সুরা কারিয়াহ তে
সুস্পষ্ট করে বলেছেন ।
১.মহাপ্রলয়
২.মহাপ্রলয় কি?
এখানে মহান আল্লাহর সাবধানতার ও মনের করিয়ে দেওয়ার জন্য বা মনোযোগের জন্য মহাপ্রলয় কথাটি দুইবার ব্যবহার করেছেন
প্রথম বলেছেন মহাপ্রলয় হে মানব ও জীন সকল মহাপ্রলয় আসছে আবারো বলেন মহাপ্রলয় টা কি রকম জানো তা এটা একটি বিস্ময় সূচক বাক্য আল্লাহ বোঝাচ্ছেন বান্দা সতর্ক হও মনোযোগ দাও মহাপ্রলয় আসছে ।
৩. তুমি কি জানো মহাপ্রলয় সম্পর্কে
আল্লাহ আমাদের প্রশ্ন করছেন কেন করলেন প্রশ্ন কারণ উপরে দুই আয়াতের দ্বারা সতর্ক করার পরও যারা সতর্ক তাদের মনোযোগের জন্য।
তোমরা কি জানো মহাপ্রলয় কি এই প্রশ্নটা মূলত অমনোযোগীদের জন্য তারা যখন মনোযোগী নয় তখন আল্লাহ বললেন তুমি কি জানো মহাপ্রলয় কি এটা স্বাভাবিক যখন কোন ছাত্র ক্লাসে অমনোযোগী থাকে তাদেরকে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি বল ক্লাস কি পড়াচ্ছি আল্লাহ ও ঠিক সেরকম মানুষ যারা অমনোযোগী তাদের প্রশ্ন করছেন বল কি জানো মহাপ্রলয় সম্পর্কে ?
এতে করে তারা মনোযোগী হয়ে যাবে।
একটু আল্লাহ বলা শুরু করলেন।
৪. সেদিন মানুষ হবে বিক্ষিপ্ত পতঙ্গের মতো
৫. এবং পর্বতসমূহ হবে ধূনিত রঙিন পশমের মতো
আমরা প্রথমে মনে মনে যে সংজ্ঞা প্রদান করেছিলাম তার সাথে কোন মিল নেই সেখানে ধন-সম্পদ বাঁচাবার জন্য চেষ্টা ছিল কিন্তু এখানে আসলে আমাদের বাচাবে কে আমরা তো পতঙ্গের মতো হয়ে যাব এত বড় বড় পাহাড় বাতাসে উড়বে ।
একবার ভেবে দেখুন হঠাৎ যদি কোন পাহাড় আপনার সামনে তুলার মত উড়তে থাকে তখন আপনার কি অবস্থা হবে? ভাবতে পারছেন মনে করেন পাহাড়টা ওরে আপনার উপর এসে পড়ার মতো অবস্থা তখন?
আমরা সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও ধন-সম্পদ নিয়ে ব্যস্ত কিন্তু কঠিন সেবার্তা আল্লাহ দিয়ে দিয়েছেন যা আসছে যে কোন সময় আঘাত আনিতে পারে জীবনের হিসাব মিলিয়ে নেন আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুক আমিন ।
মহাপ্রলয়!!
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
538
Views
13
Likes
2
Comments
4.1
Rating