হযরত আজরাইল (আঃ) এর বিকট আকৃতি!

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
** হযরত ইবনে মাসউদ ও ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, যখন আল্লাহ পাক হযরত ইব্রাহীম (আঃ)- এর কাজে সন্তুষ্ট হয়ে তাকে 'খলিলুল্লাহ ' উপাধি দান করেন। তখন আজরাইল (আঃ) বলেন, হে আল্লাহ পাক!  তুমি হুকুম করিলে তোমার খলিলকে এই সু-সংবাদটি আমি শুনাইয়া আসতে পারি। আল্লাহ পাক বলেন তোমাকে অনুমতি দিলাম,।
** আদেশ পেয়ে আজরাইল (আঃ) হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর নিকটে আসলেন ও তাকে সুসংবাদ শ্রবন করলেন। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) আল্লাহ প্রশংসা করে জিজ্ঞাসা করলেন, হে ভাই আজরাইল (আঃ), আপনি তো সকলেরই জান কবজ করেন। কাফেরদের জান কবজ করিবার সময় আপনি কি রুপ আকৃতি ধারণ করেন?  আজরাইল (আঃ) বললেন,আমার সে আকৃতি দেখিবার সাহস আপনার নাই। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) বলেন, তবু নমুনা স্বরুপ কিছু দেখান?  হযরত আজরাইল (আঃ) বলেন, তাহলে আপনি পিছনের দিকে তাকান। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) পিছনে নজর করলেন। ক্ষণিক পর সামনে তাকাইবা মাত্র দেখেন। জমিন হইতে আসমান পর্যন্ত এক দীর্ঘকায় বিকট দর্শন পুরুষ। তার মুখ দিয়া লেলিহান অগ্নিশিখা বাহির হচ্ছে। শরীরের প্রতিটি লোম যেন এক একটি অগ্নি পুরুষের ন্যায়।তার মুখ গহ্বর হতে অগ্নিশিখা বাহির হচ্ছে। এটা এক মুহূর্তের ঘটনা মাত্র। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) বেহুশ হয়ে পড়লেন।
* কিছুক্ষণ পর যখন তার চেতনা ফিরে আসলো, তখন আজরাইল (আঃ) কে দেখলো যে তিনি তার স্বাভাবিক আকৃতি ধারণ করেছেন। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) বললেন, কাফেরদের শাস্তির জন্য আপনার এই আকৃতেই যথেষ্ট। **-
* পরে হযরত ইব্রাহিম (আঃ)  আবার বললেন, হে ভাই আজরাইল (আঃ)। ইমানদারদের জান কবজ করার সময় আপনি কিরুপ আকৃতি ধারণ করে থাকেন?  হযরত আজরাইল (আঃ)  বলেন, তাহলে আরেক বার আপনি পিছনে তাকান। ক্ষণিক  পর সামনের দিকে তাকাইয়া দেখেন, এক অনিন্দ্যসুন্দর যুবক তার সম্মুখে দাড়াইয়া আছে। তার সর্বাঙ্গে সুন্দর ঝকঝকে খুশবুদার পোষাক। যতই তার দিকে নজর করা যাই, ততই তাকে দেখিবার আগ্রহ বাড়িয়া যাই। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) বলেন ঈমানদারগন যদি অন্য কোন প্রকার সুখ না পাই, তবে আপনার এই আনিন্দ্যসুন্দর চেহারার দর্শন করিয়া তারা স্বর্গীয় সুখ অনুভব করতে পারবে।
621 Views
11 Likes
7 Comments
4.0 Rating
Rate this: