"আমরা তাদের বিনোদন,খেলাধুলা ও আয়েশি জীবনে ডুবিয়ে রাখবো। তারা শুধু নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত থাকবে এবং অন্য বিষয়ে চিন্তা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে। এভাবে একটা সময় তাদের স্বাধীন চিন্তাশক্তি লোপ পাবে"।
⇨তেরোতম প্রটোকল(সিক্রেট অব জায়োনিজম)
কয়েক মাস আগে দুটো পোস্ট দেখেছিলাম, একটা হলো বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের মধ্যে খেলা হবে আর সেই খেলায় যে টিকেট বিক্রি হবে তার একটা অংশ ফিলিস্তিনে যাবে এখন আল্লাহ ভালো জানেন যাবে কিনা যাবে না আর গেলেও তা পাবে ইসরায়েলের অনুগত আব্বাসের পশ্চিম তীর আর পশ্চিম তীর কখনো গাযার প্রতিনিধিত্ব করে না, আরেকটা হলো সম্ভবত বাংলাদেশ ১-০ তে ফিলিস্তিনের কাছে হেরেছে তাই একজন লিখেছে যে হারেও সুখ আছে একদমই তাই কাফের-মুশরিকরা মুসলমানদের রক্তের বন্যা বইয়ে সুখ নিচ্ছে আর আমরা খেলায় হেরে বা জিতে সুখ নিচ্ছি, কাফের-মুশরিকরা মুসলমানদের হত্যা করতে নতুন পন্থা,উছিলা খুঁজছে আর আমরা খেলাধুলার মধ্যে ইসলামের বিজয় খুঁজছি,খেলোয়াড়দের মধ্যে তারিক বিন যিয়াদ,মুহাম্মদ বিন কাশিম,সালাহউদ্দিন আইয়ুবীকে খুঁজছি।
আর নাটক,সিনেমা,মিউজিক,বিলাসিতা এগুলো তো আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে গেছে যেখানে দেখানো হচ্ছে নারী-পুরুষের অবাধ ও অশ্লীল মেলামেশা,যেখান থেকে যুবক-যুবতীরা হারাম প্রেমে উৎসাহিত হচ্ছে। আর যারা এসব নাটক,সিনেমায় অভিনয় করে অর্থাৎ যাদেরকে আমরা অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে জানি রাজা-বাদশাহদের আমলে তাদেরকে বাঈজী বলে ডাকা হতো যাদের কাজই ছিলো বিভিন্ন দরবার ঘুরে মনোরঞ্জন করা,এদের সমাজে কোনো মূল্য ছিলো না কিন্তু এখন মিডিয়ার বদৌলতে তারা এখন সমাজের কাছে আদর্শ,তাদের মুখের গালিকেও এখন সবাই মোটিভেশন হিসেবে নেয়,সেই সাথে এদেরকে দেখে যুবক-যুবতীরা এখন অতি বিলাসী জীবন-যাপনে আগ্রহী হয়ে উঠছে যার কারণে আমাদের ভোগবাদী মানসিকতা তৈরি হচ্ছে আর সেটা হারাম বা হালাল উপায়ে হচ্ছে কিনা সেটাও খেয়াল থাকছে না।
আর হ্যা,এভাবেই তৈরি হচ্ছে এক বিকারগস্ত সমাজ যেখানে উপভোগ করাটাই মূখ্য স্বাধীন চিন্তা করার মানসিকতাটা বিলুপ্ত
শেষে বলা যায় কাফের-মুশরিকরা যে সিস্টেম তৈরি করেছে সেটা ৯৯.৯৯% সফল
রিমাইন্ডারঃ "অবশ্যই সফলকাম হইয়াছে মু'মিনগণ
যাহারা অসার ক্রিয়াকলাপ হইতে বিরত থাকে"
⇨আল-মু'মিনূন

সকল মন্তব্যগুলো (3)
অনেক অনেক সুন্দর লিখেন আপনি,,,,,আমি আপনাকে ফলো করলাম আসা করি আপনিও করবেন 💗
very nice
nirob