আমার কি কোন দোষ ছিল

স্কুল জীবন হচ্ছে পড়াশোনার জীবন। পড়া শোনা ছাড়া দুষ্টামি, হাসি, কান্না তো আছেই। এসব করতে গিয়ে স্কুল জীবন কখন শেষ হয়ে ঢ়ায় বুঝায় যায় না। আমিও আমার বন্ধুরা মিলে সারাদিন এগুলা করতে থাকি। আমাদের আরেকটা অভ্যাস হচ্ছে ক্লাসে কথা বলা।এটাকে খুব খারাপ অভ্যাসও বলা যায়। ক্লাসের বাইরে কথা তো বলিই। আবার ক্লাসে লুকিয়ে লুকিয়ে কথা বলি।এজন্য স্যার মিসরা আমাদের উপর বিরক্ত। আমাদের অংক স্যারের নাম হচ্ছে জাকির স্যার। একদিন জাকির স্যার ক্লাসে পড়াচ্ছিলেন। আমার কয়েকটা বান্ধবী মিলে কথা বলছিল। আমার একটা বান্ধবীর নাম তানিয়া। আমি অংক করছিলাম ওআমাকে ডেকে একটি অংক বুঝিয়ে দিতে বলল। আমি ওকে অংক বুঝাচ্ছিলাম। আমার আরেক বান্ধবি তাহমিনা আমাকে ডাকল আমি তাকালাম। আরেকজন বলল কমিক্স বইটা এনেছিস আমি বললাম হুম।তখনই দুম দাস। তাকিয়ে দেখি স্যার আমাকে মারছে। সবাই হাসছে। স্যার বলল লুকিয়ে লুকিয়ে কথা বলা বের করছি। তখন আমার খুব মন খারাপ হচ্ছিল মন হলো আমি কি দোষ করেছি যে স্যার আমাকে মারল। ওরাতো অনেকক্ষণ ধরে কথা বলছিল স্যাার তো সেটা দেখলনা। আমি তাকিয়েছি তাতেই আমাকে মারল। যত দোষ নন্দ ঘোষের। আমার কান্না পাচ্ছিল। স্যার মেরেছ ব্যাথা পাইছি এজন্য না।কেদিছি এজন্য আমার কি কোন ভুল ছিল যেজন্য স্যার আমাকে মারল। তারপর থেকে আমি স্যারের ক্লাসে কোন কথা বলতাম না। শুধু অংক করতাম। এভাবেইবএকসময় স্যারের প্রিয় ছাত্রি হয়ে উঠি।পরিক্ষা হলে সবার থেকে বেশি নম্বর পাই। এখন স্যারের উপর আমার কোন রাগ নেই।তিনি এটা না করলে আমি কোন দিন আমার ভুল ঠিক করতে পারতাম না। আসলে স্যার, মিস,বাবা, মা আমাদের কে যা উপদেশ দেন তা আমাদের ভালোর জন্য। তদের কথা যদি আমরা মানি তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভালো হবে। আর না মানলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আমাদের অবিভাবকরা আমাদের ভুল গুলা সব সময় ধরিয়ে দিয়ে আমাদেরকে ভালো মানুষ হতে সাহায্য করে।
18 Views
0 Likes
0 Comments
0.0 Rating
Rate this:
(0)

মন্তব্য

কোন মন্তব্য নেই