নিজের আশে পাশে ঘুরে দেখ

অডিও মোড

00:00 00:00
গতি:
ভলিউম:
আমি মিলা। আমি টাংগাইলে মধুপুরে থাকি। আমি ঘুরতে ভালবাসি এক কথায় ভ্রমনপিপাসু।আমার ইচ্ছা আমি পুরো পৃথিবী ঘুরে ঘুরে দেখবো। তা সম্ভব না হলেও পুরো বাংলাদেশ দেখার ইচ্ছে আছে। বাবা আমাকে বছরে এক বার দূরে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যান । কিন্তু আমি বেশি ছুটি পেলে ঘুরতে যেতে চাই।ইদানিং আমার কোথাও ঘুরতে যাওয়া হচ্ছে না।আমি Google মামাকে লিখলাম " টাংগাইলে মধুপুরের কাছাকাছি ঘুরতে যাওয়ার জায়গা। "Google মামা উত্তর দিল " জামালপুর পার্ক, কাকরাইদ ফার্ম, ধনবাড়ি নবাব বাড়ি, ষাট গম্বুজ মসজিদ, দোখলা জাতীয় উদ্যান, রসুলপুর পার্ক........। আমি ভাবলাম দোখলা যাওয়া যাক। তাই আমি সকল কাজ শেষ করে তারাতারি ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে আযান হতেই নামাজ পড়ে সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম ভ্রমনের উদ্দেশে। আমি যাচ্ছি পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে। পিস ঢালা রাস্তা দুপাশে লাল মাটি বড় বড় গাছ। গাছে বানর ঝুলছে, পাখিরা ডাকছে।আজ সকাল আমাকে মুগ্ধ করেছে। এই মুগ্ধতার বারোটা বাজালেন আমার মা।আমার ফোন বাজছে।আমি ফোন ধরলাম
মিলা : হ্যাঁ মা বলো।
মা : কোথায় তুই।
মিলা: আমি দোখলা যাচ্ছি।
মা: আমাকে বলে যাবিনা।
মিলা: বললে তুমি আসতে দিতে?
মা : চিন্তা হয় তো।
মিলা : রাখি পরে কথা হবে।
মা:সাবধানে যাবি।তারাতারি বাড়িতে ফিরবি।
মিলা: আচ্ছা। বিদায়
ফোন কেটে দিয়ে আবার চললাম। অবশেষে আমি দোখলা পৌছালাম। আমার খুব ক্ষিধে পেয়েছিল।তাই আমি হরিন বাজার নামক একটা বাজারে গিয়ে একটি হোটেল থেকে মিষ্টি দিয়ে রুটি আর চা খেলাম। তারপর আমি চললাম জাতীয় উদ্যানে। সেখানে গিয়ে আমি হরিন দেখেছি, বানর দেখেছি, বানরকে কলা খায়িয়েছি, দোলনা খেলেছি, টাওয়ারে উঠে পুরো জায়গা ভালো করে দেখেছি,বেত ফল খেয়েছি। আজ সারা দিন আমি অনেক মজা করেছি। দূরে গিয়ে যে শুধু মজা করা যাবে কাছে কোথাও গিয়ে প্রকিতির সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবেনা মজা করা যাবেনাএমন তো না।একথা আগে বুঝতাম না। মজা করার জন্য প্রয়োজন সুন্দর একটা মন। এখন আমি যখনই সময় পাই তখনই আমার সাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে যাই। হয়তো আমি একা। সে সময় টাতে প্রকিতি আমার বন্ধু।
245 Views
7 Likes
1 Comments
5.0 Rating
Rate this: