এক মজনু বলে উঠেন-
শুন রে শুন সাদিয়া,
ঢের খাটুনি করে তোরে-
দিতাম বহু হাদিয়া।
তোর কারণে মান ইজ্জত-
একদা পেলো হ্রাস,
পহেলা দেখায় হয়ে গেলি-
মম চোখের ক্রাশ।
ভাবতাম সদা তোকে নিয়ে-
জীবন তরির অরিত্র,
প্রথমাবধি খেয়াল করতাম-
পুষ্পের মতন চরিত্র।
বন্ধুবান্ধব'রা করতো সদা-
তোকে নিয়ে গঞ্জনা,
কল্পনাতে ভাবতাম তখন-
তুই আমার অঞ্জনা।
ছলাকলায় চতুরতা দেখিয়ে -
থাকতি যেন সভ্য,
আমার আরাধনা ছিলো বহু-
তোকে পাওয়ার লভ্য।
যা চেয়েছিস তাই পেয়েছিস-
হয়নি কখনো কটু,
লোকদের কথায় কান দিয়ে-
হয়ে গেলি এক পটু।
স্বপ্নটা ছিলো তোকে নিয়ে-
কাটাবো সারাজীবন,
সুখের-দুঃখের সঙ্গী হয়ে-
থাকবোই আজীবন।
পাগলীরে তুই হঠাৎ আমায়-
গেলে কেনো ভুলে,
ঘুম ভাঙতেই তোরই স্মৃতি-
চোখের সামনে দুলে।

সকল মন্তব্যগুলো (5)
very nice.
লেখায় নতুনত্ব আছে। শুভকামনা রইল
জীবন মানে চতুর বুঝ কারণ জীবনের অংক কেউ মিলাতে পারে নাই
mahi
চমৎকার কবিতা। পড়ে ভালো লাগলো।