_আপনার কী কিছু লাগবে।(পিচ্চি)
--লাগবে মানে আমার আবার কী লাগবে।(আমি)
--বাবা যে বলল আপনার নাকী কি জানি লাগবে তাই বললাম।কী লাগবে তা তো শোনা হয়নি আচ্ছা আমি শুনে আসছি একটু দাড়ান।দৌড় দিব তখনি হাতটা ধড়ে ফেললাম।
--লাগবে মানে অফিস থেকে যে আসলাম আমার সেবা করার কথা বলেছে বুঝেছিস গাধা।
--ও ভাল আপনি ভাল একটা বুড়া ধেমড়া ছেলা হাত পা সবি তো আছে না থাকলেও কথা ছিল।আর আপনি তো অসুস্থ না যে আপনার সেবা করবো কেন তাহলে আমি হা দুষ্টু।
--কেমন ডা লাগে তাহলে কে বুড়া ধেমড়া হা।
--কেন আপনি হি হি হি।
--কী তুই জানস আমার বয়স মাএ ২৫ এতেই বুড়া কেমনে হলাম বল তোকে আজকে আমি খেয়ে ফেলবো।
--ভাইয়া আমাকে খেয়েন না আমার মা কান্না করবে। আমি বলছি বলছি আমার বান্ধবী বলেছে আপনি নাকী বুড়া(ভয়ে ভয়ে)
--কী তোর বান্ধবী মানে।তোর কাছে তো কোন ফোন নেই তহলে কথা বললি।
--ওমা আপনি ভুলে গেছেন মা আসছে না মা এর ফোন থেকে কথা বলছি।
--ও তাহলে কিস করার ভৃতটা ওই সালীই ঢুকাইছে।
--কি ভাবছেন আমি এত চালাক কেম হি হি।
--এখানে চালাক হওয়ার কি হল।
--ওমা আমি তো আপনাকে বোকা বানিয়েছি।জানেন আমার বান্ধবী বলতিছে ওই বুড়া বেটাকে বিয়ে না করে কত সুন্দর সুন্দর ছেলের সাথে তোকে প্রেম করে দিতে চাইলাম করলি না তো।আবার বলল বিড়াল নাকী কি মাড়তে আমি বলছি একটা জীব হয়ে আর একটা জীবকে কিভাবে মাড়ি বলেন তো।ওদের কোন মায়া দয়া নেই।
আমি তোরে আর কিছু বললাম না সালী বান্ধবী বুঝে তুমি বুঝ না না নাকী ভান করিস বুঝেও।কিস করার ভৃতটা তাহলে ওই ঢুকাইছে।আমি ফ্রেশ হতে চাচ্ছি।ফ্রেশ হয়ে বাইরে এসে একি তুই ফোন টিপছিস কেন দে দে বলছি।
--তখন থেকে ফোন টিপছি লক খুলছে না কেন।(পিচ্চি)
--একি মোবাইলে গ্লাস কিভাবে ভাঙ্গল।(আমি)
--আমি ভাঙ্গছি কামুড় দিয়েছিলাম আমি হি হি।
--কী এই এর দাম কত জানিস মেজাজ টা খারাপ দুড়।
--ভাইয়া।
--কী হইছে।
--একটু গেম খেলি দেন না।
--এ আমার ফোনে গেম নেই যা তো।
সন্ধ্যাই বাইরে গেলাম একটু ঘুড়তে ঘড়ের জ্বালা আর ভাল লাগে না অশান্তী লাগতিছে। ইচ্ছে করে প্রিয় মানুষের হাতটা ধড়ে সারা শহর ঘুড়তে।ইচ্ছে করে একগুচ্ছ শিউলী ফুল আর মাথায় একটা ফুলেট মালা দিয়ে লাল শাড়ী পড়িয়ে প্রিয় মানুষের হাতটা ধড়ে রাতে শহরটা ঘুড়াতে।শীতে আধভেজা রাস্তায় কুয়াশার মধ্যে দুজনে এক চাদরে জড়িয়ে ধড়তে।বাসার ছাদে রাতের চঁাদটা দুজনে জড়িয়ে ধড়ে উপভোগ করতে। কিন্তু পাড়ি না কিছু পাড়ি না এরকম একটা গাধীর জন্য।
সব আশা নীরাশা শেষ এখন না জানি কবে সাধারণ হয়ে চলতে পাড়বে এত পাগলামী ছেড়ে।যাইহোক রাতে বাসায় অনেক রাতে বাসাই আসছি তাই সবাই ঘুমিয়েছে বাবা সবাই ঘুমিয়েছে একটা বাড় কেউ খোজ নিয়েও দেখলো না ভালই তো।রুমে ঢুকে মেজাজ টা খারাপ হয়ে গেছে হাত একদিকে পা আর দিকে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে পুরো বেড টা দখল করে নিয়েছে সালী তোরে আমি একটা ফুলের টব নিয়ে মাড়তে গেলাম।না না এ আমি কি করছি যদি মাড়া যায় তাহলে আবার জেলের ভাত খাওয়া লাগবে।আদর করী ডাকী না হলে আবার ভৃত ভৃত করে লাফিয়ে কোলে উঠছে।নীলা এই নীলা
--হুম।(পিচ্চি)
--আবার ঘুমায় নীলা এই নীলা সালী নাকের ডাকে আমার ডাক শুনতে পাড়বী।একটু জোড়ে এই নীলা(রাগ করে)
--কি হইছে এত জোড়ে ষাড়ের মত চিল্লাছেন কেন।(ঘুম চোখে)
--এই বেড টা কে কি তোমার ব্যায়ামাগার মনে হয়।
--না তো কেন।
--তাহলে এক পা উওরে এক পা দক্ষিণে আর এক হাত পর্ব দিক হয়ে আছিস কেন শড়া।
--না আজ আপনি সোফায় ঘুমান।আমি এভাবেই ঘুমাবো।
আর কিছু না বলে বালিশ টা নিয়ে সৌফায় এসে ঘুমিয়ে গেলাম।ভাল লাগে না আর এত জ্বালা।ঘুমিয়ে গেলাম হঠাৎ মাঝরাতে কান্নার শদ্ব আসছে।কে যে কান্না করে ওপাশ হয়ে উল্টা পাশে গিয়ে ঘুমিয়ে গেলাম।এবার কানের কাছে কান্নার শদ্ব কে রে একি তুই।
--ভাইয়া ক্ষুদা পাইছে খুব।
--যখন এসেছি তখন তো বলিস নি এখন কেন বলতে এসেছিস যা এখান থেকে।
--ভাইয়া খুব খুব ক্ষুধা পাইছে। কিছু খাই নি।
--এ যা তো এখান থেকে আমি খাব না যা। এখন এসেছে ভালবাসা দেখাতে।
--আপনাকে কে খেতে বলেছে আমার ক্ষুদা লাগছে খুব ভ্যা ভ্যা।
--কী তোর ক্ষুধা পাইছে আমাকে বলছিস সেইটা।আর আমি যে না খেয়ে আছি সেইটা জানিস রাগাস না আমারে যা এখান থেকে আর ভেড়ার মত ভ্যা ভ্যা দুড়ে গিয়ে কর।
আর কোন কথা না বলে চলে গেল জানিনা কতক্ষণ কান্না করছে সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নিচে নাস্তা করতে গেলাম।
--রাতে খাসনি কেন। (বাবা)
--কি ব্যাপার বাবা একথা কেমনে জানলো।ইয়ে মানে পেট ভড়া ছিল।বলতেই দেখি পিচ্চিটা বাবার পিছনে দাড়িয়ে।আমাকে তাকানো দেখেই বাবার পিছনে লুকিয়ে গেছে।(আমি)
--ঠাসসসস তোর ক্ষুদা নেই বলে মেয়েটাকে কষ্ট দিবি।তোর জন্য কাল না খেয়ে ছিল মেয়েটা বলেছে তোর সাথে খাবে বেয়াদব।(বাবা)
--কী ও আমার জন্য না খেয়ে ছিল(অবাক হয়ে গেলাম এজন্য এত কান্না করল কাল)
--অবাক হয়ে ও আমার জন্য না খেয়ে আছে।ও আমার জন্য না খেয়ে আছে কেন আমি কী ওকে বাড়ন করেছিলাম খাইতে।(আমি)
--না করিস নি কিন্তু মেয়েটা তোর সাথে খাবে বলে রাতে খায়নি।(বাবা)
--বাবা ওনাকে কিছু বলেন না উনি হয়ত রাতে কিছু খেয়ে এসেছিলেন।(পিচ্চি)
আর কিছু না সবাই একসাথে নাস্তা করতে লাগলাম।পিচ্চি টা আজ কোন কথা বললো না নিজের মত করে খেয়ে উঠে চলে গেল।আমিও বেচে গেলাম।রমে এসে অফিসে যাব একি আমার কাপড় গুলো কোথায়।
--বিছানায় রাখা আছে ওইটা পড়েন।
--এই কালারের শার্ট আমি পড়বো না।
--বেশি কথা বলেন কেন প্যান্ট খুলে কিন্তু আমি পড়ে দিব জোড় করে।
--এই বেশি কথা বলস কেন।
--কেবল তো শুরু মশাই আরো অনেক কিছু হবে সামনে।
--মানে কী হবে।
--কিছু না পড়ে নেন অফিসের সময় হয়ে গেছে।আর শোনেন অফিস থেকে লেটে আসা যাবে না।প্রতিদিন আমার জন্য চকলেট ফুচকা আনতে হবে।কোন মেয়ে কলিগ বা পার্টিতে যাওয়া যাবে না।বেশি রাতে বাসায় আসলে সেদিন বাইরে কাটিয়ে দিতে হবে।রাস্তায় হাটার সময় নিচু হয়ে হাটবেন কোন মেয়েদের দিকে তাকাবেন না।ফোনে কোন মেয়ে যদি ফোন করা দেখি সেদিন আপনার কোপালে শনি।আর প্রেম করার ইচ্ছে হলে আমার সাথে করবেন।
--এ কি বলে এসব নীলা তুমি ঠিক আছ তো।
--হ্যা আমি ঠিক আছি।সময় হলে ঠিক সব জানতে পাড়বেন আরো।
বাইরে এসে বোনকে স্কুলে রেখে অফিসে রওনা দিলাম।কাজ করতে করতে দুপুড় হয়ে গেল দুপুরে এক অচেনা নাম্বার থেকে ফোন।ধড়ার সাথেই ওপাশ থেকে
--হ্যাল জানু কি কর(মেয়ের কঠ্নে)
--কে আপনি।
--আরে আমী নীলা।
--ওও তুমি ফোন কোথায় পেলে আর এটা কার নাম্বার।
--কেন আমার নাম্বার বাবা আমায় গিফট করেছে।
--কী এই বাবা আরো একে মাথায় তুলে ফেললো।
--শোনেন আসার সময় চকলেট আর ফুচকা নিয়ে আসবেন।
--ওকে ঠিক আছে বাই।
--ওই শোন আশেপাশে কোন মেয়ে থাকলে তাকাবে না।
--কেন।
--কারন আমি তোমার বউ তাই।
--এ বউ থাকার চেয়ে কোলবালিশ নিয়ে থাকাই ভাল ছিল সালা দুইটাই কার্টুন।
--কি আমি কার্টুন বাসায় আয় শুধু তুই বলে দিল ফেনটা কেটে।
আস্তে বললাম শুনলো কেমনে।যাইহোক সারাদিন কাজ করে বাসায় আসতে একটু লেট হল।কলিং বেল দেওয়ার সাথে মা দড়জা খুললো রুমে গিয়ে দেখি পিচ্চি টা ঘুমিয়ে আছে।ওয়াও অনেক সুন্দর চুলগুলো এলোমেল পরনে লাল শাড়ী এ তো এক পরী।কাপড় টা শড়িয়ে গেল পেট থেকে ও মাই গড এত সুন্দর পেট।
নাভীটা যেন ডিপ হয়ে আছে।থাকতে পাড়ছি না দিলাম একটা পেটে চুমাএকবাড় নড়ে উঠলো। আস্তে করে পেটের ওপর হাত দিয়ে খেলতে লাগলাম এত নড়ম।ওর ঠোটের কাছে গিয়ে দেখতে লাগলাম কি সুন্দরী না দেখতে ওমনি পিচ্চি টা চোখ খুলেই আমার মাথাটা হাত ধড়ে নিয়ে ঠোটে ঠোট লাগিয়ে দিলল কেউ কাহরে ছাড়ছি না। একটা আলাদা ফিলিং লাগছে আজকের কিসটা ঠোট থেকে শুরু করে গালে মুখে সব জায়গায় ভালবাসার দাগ লাগিয়ে দিতে থাকলাম।হঠাৎ নিচ থেকে বোনের ডাকে সজাগ হয়ে গেলাম।একি করলাম আমি যদি আবার বলে দেয় এসব জথা বাবাকে। খুব লজ্জাও লাগছে ওর দিকে তাকাতে।
নিচের দিকে তাকিয়ে পিচ্চিটা পুরো মুখটা লাল হয়ে গেছে গালদুটো যেন রক্ত বর্ন ধারন করেছে।অবশ্য খারাপ লাগছে না ভালই লাগছে।
--ওমন করে তাকিয়ে আছেন কেন আমার লজ্জা লাগে না বুঝি (হাসতে হাসতে নিচের দিকে হয়ে পিচ্চি )
--হুম সেটাই তো দেখছি আমার বউয়ের কোন লজ্জা সরম নেই।
--যা বলেই নিচে দৌড় দিল।
আমিও নিচে গিয়ে কি হইছে ডাকলি কেন।
--এই অংক টা একটু করে দে না কিছিতেই মিলাতে পাড়ছি না।
আমি টেবিলে অংক করতে লাগলাম আর পিচ্চি দাদীর সাথে কথা বলছে অন্য সাইডে।আমি একটু ওর দিকে হয়ে বসললাম যেন দেখতে পাড়ি।অংক অর্ধেক করার পড় এটুকু চেষ্টা কর তো।ও অংক করছে নিচের দিকে হয়ে।আমি পিচ্চির দিকে এক ধন্যানে তাকিয়ে আছি।কি সুন্দর হাসীখানি মুখটা।ও অবশ্য দু একবার তাকাচ্ছে আর লজ্জা পাচ্ছে আমি দেখেই বুঝতে পাড়ছি।কারন একবার শাড়ী ঠিক করছে একবার চুল ঠিক করছে।এবার তাকাতেই দিলাম একটা চোখ টিপ মেড়ে
--আহ লজ্জা পইছি।দাড়া এবার তোকে উম্নহহহহহহ।(পিচ্চি)
আমি তো অবাক ফ্লায়িং কিস ধড়ে নিলাম হি হি
--এই যে হ্যাল এটা কি পার্ক মনে হয় আপনাদের।(বোন)
--মানে কি বলছিস।
--এখানে কি হচ্ছে আমি মনে করছ দেখি নাই।
--চুপ কর বেশি পাকনা হইছিস না।যা চলে গেল তোর জন্য।আমিও একটু পড় উপরে এসে।একি তুমি আমার কাপড় এভাবে ফিকাচ্ছ কেন।
আমার দিকে তাকিয়ে।
ওমা এতো দেখি কখন ভাল কখন খারাপ।এভাবে তাকিয়ে আচ কেন
(জানি আজকের পর্বটা ভাল হয়নি আসলে লেখতে মন চাইছিল না)
(Next........)
পিচ্চি বউ (পর্ব 9)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
765
Views
17
Likes
0
Comments
4.8
Rating