পলাশের ভয়ঙ্কর খেলা
লেখক পলাশ
পলাশ, এক গ্রামের ছেলে। তার চোখে ছিল এক অদ্ভুত আকর্ষণ, এক ভয়ঙ্কর রহস্য। সে রাতের অন্ধকারে খেলতো এক ভয়ঙ্কর খেলা।
মানুষের অজান্তে সে তাদের ভয়ের খেলায় অংশ নিতো। ঘুমন্ত মানুষের পাশে বসে কান পেতে শুনতো তাদের গভীর ভয়, তাদের অন্ধকার চিন্তাভাবনা।
এক রাতে পলাশ গ্রামের প্রধানের বাড়িতে ঢুকলো। প্রধান ঘুমিয়ে ছিলেন। পলাশ তার বিছানার পাশে বসে কান পেতে শুনতে লাগলো। প্রধানের মনে ভয় ছিল, গ্রামের বাইরে নতুন এক ডাকাত দল এসেছে।
পলাশ সেই ভয়কে নিজের করে নিলো। তার চোখ জ্বলে উঠলো ভয়ঙ্কর আলোয়। সে ঘুমন্ত প্রধানের মুখের কাছে এগিয়ে গেলো।
হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলো প্রধানের। অন্ধকারে দু'টো জ্বলন্ত চোখ দেখে চিৎকার করে উঠলেন তিনি। গ্রামের সবাই ছুটে এলো।
পলাশ তখন অন্ধকারে মিশে গেছে। কেউ তাকে ধরতে পারলো না।
গ্রামে পলাশের ভয় ছড়িয়ে পড়লো। রাতের বেলা ঘুমাতে ভয় পেতে লাগলো মানুষ।
একদিন গ্রামের কিছু যুবক মিলে পলাশকে ধরার সিদ্ধান্ত নিলো। তারা রাতের বেলা প্রধানের বাড়ির বাইরে লুকিয়ে রইলো।
রাত অনেক গভীর হয়েছে। হঠাৎ অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এলো পলাশ।
যুবকরা তাকে ধরার চেষ্টা করলো। কিন্তু পলাশ ছিল অদৃশ্য।
পলাশ তাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো। তার জ্বলন্ত চোখে ভয়ের আগুন। যুবকরা চিৎকার করে পালিয়ে গেলো।
পলাশ গ্রামে ভয়ের রাজত্ব কায়ম করলো। কেউ তার সামনে টিকতে পারলো না।
অবশেষে এক ঋষি গ্রামে এলেন। ঋষি পলাশের সাথে দেখা করলেন।
ঋষি বুঝতে পারলেন পলাশের ভেতরে এক ভয়ঙ্কর শক্তি লুকিয়ে আছে।
ঋষি পলাশকে শান্ত করার চেষ্টা করলেন। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টার পর ঋষি সফল হলেন।
পলাশ শান্ত হয়ে গেলো। গ্রামের মানুষ আবারও স্বস্তিতে ঘুমাতে পারলো।
কিন্তু কেউ জানে না, কখন আবার জেগে উঠবে পলাশের ভয়ঙ্কর খেলা।
গল্পের শেষে কিছু চিন্তা:
পলাশের গল্প আমাদের ভয়ের শক্তি সম্পর্কে ধারণা দেয়।
ভয় আমাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যদি আমরা তাকে প্রতিরোধ করতে না পারি। শান্তি ও সাহসের মাধ্যমে ভয়কে পরাস্ত করা সম্ভব।
আমি আশা করি এই গল্পটি আপনার ভালো লেগেছে।

সকল মন্তব্যগুলো (9)
সুন্দর ছিল।
very nice.
Nice
boro kore boyanok golpo dile vlo hoi 🙂👍ar eta to porechi kintu notun ar golpo ki pawya jabe?
একেবারে ফালতু একটা গল্প।
অনেক সুন্দর হয়েছে
এই গল্পটি আমি কিছুই বুসতে পারিনি
গল্প টি ভালো
🥇🥎🥎⚾🎗️🎃📢📢📢