--মা আমি প্রেগনেট ভ্যা ভ্যা।মুখ থেকে পানি বেড় হয়ে পরো টেবিলে ছিটিয়ে গেল এ কি বলে এসব আমি তোর ওর সাথে কিছু করি নি তাহলে প্রেগনেট হল কেমনে তাহলে কী ওর মা আমাকে ফাশিয়ে বিয়ে দিয়েছে।সালী দেখে তো মনে হয় ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানে না। -প্রেগনেট এ তো ভাল কথা কাদছিস কেন তুই তাহলে --আমাদের ক্লাসের একটা মেয়ে এরকম প্রেগনেট হইছিল ওর মা ওকে মাইরাছিল তাই ভয় লাগছিল তোমরা যদি মাড় আমাকে তাই আগে থেকে বলে দিলাম (চোখ মুছতে মুছতে) --আচ্ছা বাচ্চা কতদিন হইছে রে।(মা)--১ ঘন্টা।(পিচ্চি)--কী এক ঘন্টা মানে কী।(মা)--হুম উনি এক ঘন্টা আগে আমাকে কিস করেছে তখন থেকেই পেটের মধ্যে গুড়ুস গুড়ুম শদ্ব হইতিছে মা।মনে হয় বাচ্চাটা এক ঘন্টায় অনেক বড় হইছিস। হি হি হি ।(মা) ওপাশ থেকে বাবা বোন দাদী রা মিটিমিটি হাসছে।রাগ উঠে গেল আমার তোমরা হাসতিছ কেন দেড় খাবই না।কার সাথে কী করেছে আমার নাম দেওয়া হচ্ছে দাড়া রুমে আয় শুধু তোর ভাল মানুষগিরী আমি ছাড়াব। --কি রে আর খাবি না উঠলি কেন।(মা) -না আমার পেট ভড়েছে বলে রুমে এসে বসে পড়লাম।(আমি) রুমে আয় শুধু আজকে তোরে আমি খেয়ে ফেলবো কাচায় অনেক জ্বালিয়েছিস কিছু বলি না কিন্তু এটা মানা যাবে না আয়(মনে মনে বলছি আর আমার মাথাটা ঘুড়ছে)একটু পড় রুমে আসলো আমি ওর দিকে তাকিয়ে। ওমন করে তাকিয়ে আছেন কেন খেয়ে ফেলবেন মনে হয় হি হি হি।-তোর কী মনে হয় না আমি রেগে আছি।-রাগ করে থাকতেই পাড়েন তো আমি কী করবো।--রাগ উঠে গেল প্রচুর গিয়ে দড়জা লক করে। সত্যি করে বল তুই প্রেগনেট কেমনে হলি।(মুখের গাছে গিয়ে)--বাবা ভ্যা ভ্যা। এই আবার বাবাকে ডাকিস কেন চুপ কর কেমনে হল বল।--আপনি তো কিস করেছেন তখন থেকেই এরকম হচ্ছে।-এই কিস করলে কোনদিন কেউ প্রেগনেট হয়।--হি হি হি ভাইয়া আপনি আসলেই বোকা।--এ মেয়ে কী রে এখনি কাদলো আবার এখনি হাসতিছে আমি বোকা কেমনে হলাম বল।--কেন আপনি মুভিতে দেখেন নি নায়ক নায়িকা কিস করলেই প্রেগনেট হয়ে যা আবার তার কিছুদিন পড়েই বাচ্চা হয়।ও ভাইয়া আমার বাচ্চা কবে হবে বলেন তো। কথা শুনে তো অবাক হয়ে গেলাম।একটা মানুষ এতটা বোকা হয় কি রে। যেকিনা এসবের মানেই বুঝে না এর সাথে আমি সংসার করব কিভাবে ওহহ এ তো আমাকে পাগল করে ফেলবে।-ও ভাইয়া বলেন না।--ঔহ একটা কাজ করতে পাড়বি।--কী বল।--আমাকে একটু পাগলা গারদে রেখে আর তোর পেচাল আর ভাল লাগে না।তুই আমাকে পাগল করে ফেললি।--আচ্ছা ভাইয়া রেডি হয়ে নাও আবার যেতে হবে।--কোথায় যাবি।-ওমা রাত পোহাতেই ভুলে গেছেন আমাদের বাসায় যাওয়ার কথা না আজকে। --ও হা আমি যাব না আর শোন গেলেও আমি কিন্তু তখনি চলে আসবো নে রেডি হয়ে নে। --আপনি শুধু আমাকে বাসায় পৌছে দিয়ে চইলা আসেন ওকে ভাইয়া। -এ শোন আমি তোর ভাইয়া না আর একবার যদি ভাইয়া বলে ডাকিস কোন সময় তোরে মেড়েই ফেলবো মনে থাকে যেন। -জি আচ্ছা ঠিক আছে ওকে ভাইয়া আরকখন বলবো না থুক্কু থুক্কু বলেই জিহ্বাই দিল কামুড়।কিন্তু ভাইয়া আমি কি বলে ডাকবো তোমায়।--কিছু বলবি না ওগো শোন আপনি করে বলবি সবসময় ওকে।--ওকে ঠিক আছে তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নিন কতদিন পর বাসাই যাব। কি করবো বাবার ভয়ে রেডি হয়ে নিলাম।আসার সময় -শোন কোন বাদরামী করবা না। (মা) না মা আমি তো বাদরামী করি না।(পিচ্চি) সবার থেকে বিদায় নিয়ে রিকশা নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম শ্বশুড় বাড়ী দিকে।রিকশা করে যাচ্ছি এর মধ্যে আমার এক পুরানো বন্ধুর সাথে দেখা, -এই মামা দাড়াও দাড়াও।আরে আকাশ কেমন আছিস(বন্ধু) -হুম ভাল তুই কবে আসলি বাইরে থেকে।--কালকে রাতে আসছি ভাবলাম তোকে ফোন দিব নাম্বার পাই নাই।সাথে এটা কে তোর(বন্ধু) এটা আমার বউ রে।এর মধ্যে এই ভাইয়া এনার সাথে কী এত কথা চল তো।(পিচ্চি) ভাইয়া আবার তুই বলছিস বউ এটার মানে কী(বন্ধু) যে বোন সেই ভাবী সালা আবাল থাক এই মামা যাও এই সালা যেই বউ সেই বোন মানে কী(পিছন থেকে বন্ধু) ৩০ মিনিটে পৌছে গেলাম।শ্বাশুড়ী গেট খোলার সাথে পিচ্চিকে জড়িয়ে ধড়লো। যান আপনি এখন চলে যান।(পিচ্চি) -যাবে মানে কোথায়। (শ্বাশুড়ী) -মা উনি চলে যাবে আমাকে বলেছে।(পিচ্চি) সালী ডেকে নিয়ে এসে আমাকে অপমান করছিস।(আমি মনে মনে) যাবে মানে আজকে প্রথম বাড় আমার বাড়িতে জামাই এসেছে এসেই চলে যাবে কেন হা।( শ্বাশুীরী) --আরে মা ওনার তাড়া তাড়া ওনাকে যেতে দিন না ঝামেলা একটা জান মা উনি আমাকে কিস করেছিল তাড়পড় থেকে পেটের মধ্যে গু্রুস গুড়ুম শদ্ব হচ্ছে। আমি আর ওনার কাছে থাকবো না উনি খুব খারাপ। হুফ হুফ কাশতে লাগলাম।সালী আমার মান সম্মান কিছু রাখলি না দেড় থাকবোই না।বলেই বেড় হয়ে চলে আসলাম পিছন থেকে শ্বাশুড়ী ডেকেছিল কিন্তু পিছনে তাকাই নি সোজা বাসাই চলে আসলাম।-কিরে চলে আসলি কেন।(মা)--এমনি মা ভাল লাগতিছে না। (আমি) কিন্তু নতুন জামাই গিয়ে চলে আসলি কিছু হইছে নাকী।-আরে না মা আমি একটু ঘুমাবো। বলে উপরে এসে ঘুমিয়ে গেলাম।বিকালে বাবার ডাকে ঘুম ভাঙ্গল।--তোর শ্বাশুড়ী ফোন দিছিল তোকে যেতে বললো।(বাবা)-আর অপমান হতে যাব না।না বাবা আমার কাজ আছে যেতে পাড়ব না।(আমি)--কি এমন কাজ আছে বলতো শুনি।--ইয়ে মানে।-এখুনি রেডি হয়ে চলে যা আর কিছু শুনতে চাই না।--হুম রেডি হয়ে নিচে যাব।--কি বউকে ছাড়া মন মানতিছে না বুঝি।(বোন)আমি হালকা হেসে বাইরে আসলাম।গেলে যে আবার কি অপমান টাই না হই।গিয়ে শুনি পিচ্চি নাকী বাইরে ঘুড়তে গেছে।সবাই মিলে গল্প করছি।আমার দুইটা মামা বড় টা এক মেয়ে এক ছেলে আর ছোটটার একটা মেয়েই আমার বউ।একটু পড় দেখি বড় মামার মেয়ে(যতি নাম)আর পিচ্চি একসাথে আসছে।-ওমা ভাইয়া আপনি আবার এসেছেন।(পিচ্চি)--কী রকম ডা লাগে আবাল হয়ে তাকিয়ে থাকলাম।(আমি)--এই আসবে না মানে এটা ওর শ্বশুর বাড়ী যখন ইচ্ছে আসবে। আর তুই তো দেখি দিন দিন বেয়াদব হয়ে যাচ্ছিস।( শ্বাশুীরী)-কেন মা তুমি তো বলতা বাসাই কোন ছেলে আসলে তার সাথে যেন না মিশি।কিছু বললে তোমাকে জানাতে।জান মা উনি না আমাকে প্রতিদিন জড়িয়ে ধড়ে উনি কী আমার প্রেমে পড়েছে নাকী।--এই চুপ কর যা তো ফ্রেশ হ।।( শ্বাশুীরী)কেমন লাগে শ্বাশুড়ী গত ২ দিনে আমার জীবন ত্যানা ত্যানা করে ফেলেছে।যেমন গাধা বানিয়েছেন।--তুমি ওর কথাই কিছু মনে কর না বাবা সবাই খেতে এস।( শ্বাশুীরী)আমার মামারা জয়েন ফেলেলি সবাই একসাথে খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম।--আমি আপনার সাথে ঘুমাবো না অন্য রুমে ঘুমান।(পিচ্চি)--😠😠😠।(আমি)--বাবা ভ্যা ভ্যা।-এই আবার কাদস কেন গাধীর বাচ্চা এখানে আব্বু আসলো কোথা থেকে।--আপনি ওই রকম চোখ গড়ম করে তাকান কেন।আপনি আমার স্বামী বলে কিছু বললামনা না হলে এতখনে হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতাম।--স্বামী কথাটা শুনে খুব ভাল লাগলো কিন্তু এটা শিখল কোথা থেকে।ওকে ওকে আমি আর রাগ দেখাব না এস ঘুমাও।ঘুমিয়ে গেলাম।সারারাত নাকে ডাকে দুচোখে ঘুম ধড়তেছে না।রাগের মাথায় একবার গলা টিপতে যাই আর একবার বালিশ কানে নেই।সালী এমন করে তো মড়া মানুষ ও ঘুমায় না।কখন যে ঘুমিয়েছি মনে নেই।একটু পড় কানের কাছে কে যেন ভাইয়া একটু পড় পড় ভাইয়া এই ভাইয়া ওঠ না।আমা তো ভয় লাগতিছে এখানেও কি ভৃত আছে নাকী।একটু চোখ খুলতেই কালো কি জানি মুখের সামনে দাড়িয়ে।ভৃত ভৃততততততত আস্তে আাস্তে বলছি।এই সালা ভাইয়া ভৃত কোথায়।-একি তুই ওমন করে ডাকছিস কেন ভোর বেলা।(আমি)--চল।(পিচ্চি)--কোথায় যাবি।--চল না আগে পড়ে দেখবে।--তুই যা আমি যাব না এমনি কিন্তু সারারাত ঘুমাতে দেস নাই শড়।--ভাইয়া ভ্যা ভ্যা এই ভাইয়া।--সালী গড়ুর মতন চিল্লাছিস কেন ভ্যা ভ্যা করে।--ভাইয়া চলেন না।--কোথায় যাবি এত সকালে।--গেলেই দেখতে পাড়বেন ভাইয়া চল না।দেড় বাল চল কোথায় যাবি।বেড় হলাম লুকিয়ে লুকিয়ে।সতযি সকালে গ্রামের পরিবেশ টা অনেক সুন্দর লাগে।শিশিড় ভেজা ঘাস হালকা মৃদু বাতাস পাখির কিচিমিচি ডাক খুব দৌড়াতে ইচ্ছে করতে আকা আাকা পথে।--ই দিকে চলেন।(পিচ্চি)--ওইদিকে কি।(আমি)--ওই যে দেখেন রস খাব।--ওখানে উঠবে কে।--কে আবার আমি।--কী তুই গাছে উঠতে পাড়িস।--এটা কোন ব্যাপার তুমি এখানে দাড়িয়ে পাহাড়া দেও আমি উঠছি।ওমা এতো দেখি বানরের মত গাছ বেয়ে উঠছে এভাবে মেয়ে মানুষ গাছে উঠতে পাড়ে আজি দেখলাম।--ভাইয়া হা করেন।--হা করবো মানে।--আমি এখানে কানা করছি আপনি ওখান থেকে হা করে খেয়ে নিন আমি এখানে একটু খেয়ে নেই।--একটু খেতেই গাছ আলা আসছে নাম নাম।--ওরে বাপরে। --এক লাফে নেমে তাড়াতাড়ি দৌড়ান ধড়া পড়লে কিন্তু ১০০ বেতের বাড়ি খাওয়া লাগবে।এককথা শুনে গলা শুকিয়ে গেল।জীবন ছেড়ে দৌড়াতে লাগলাম।এই সালী তবুও আমার আগে যায় কি করে।গাছ আলা পিছনে দৌড়ে আসছে।দৌড় দিয়ে বাসাই চলে এসে হাফাতে লাগলাম।পানি পানি -হি হি হি ।--সালী পড়ে হাস পানি দে মড়ে গেলাম।-ভাইয়া ওইটা না আমাদের গাছ আমি আপনাকে ইচ্ছে করে দৌড়ানি খাওয়াইছি হি হি।😡😡😡😡😡
Next....
পিচ্চি বউ (পর্ব০৪)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
1.29K
Views
29
Likes
2
Comments
4.7
Rating