--নিন একটা চকলেট খান তবুও বর কখন ওরকম করে তাকাবেন না।মা বলেছে কারো নজরের জিনিস একা খেতে নেই লোন পড়ে তার।নিন তো চকলেট টা।(পিচ্চি)
--এই আমি কী কখন বলছি আমি যে আমি খাব। আর আমি কখন তোকে নজর দিলাম রে ।আর কার লোন পড়ছে আমার কখোন লোন পড়ে নি।
--এই থাম তো।ছোটবেলায় পড়ত বালিশ একদম ভিজিয়ে ফেলতা দাদী বলেছে আমায়।
--কী এই মিছা কথা আর একবার বললে তোরে আমি এর মধ্যে ।
--কি ব্যাপার ভাবী ওই দিক হয়ে কী খাচ্ছেন লুকিয়ে লুকিয়ে।(বোন)
--তোমাকে বলবো কেন হা।আর তুমি কেন এসেছ এখানে। (পিচ্চি)
--ভাবী সবাই কে কিন্তু বলে দিব।(বোন)
--দৌড়ে গিয়ে এই না না প্লিজ কাহকে বল না তুমি গো এই নাও যতগুলো চকলেট খাইতে ইচ্ছে করে খাও তাও বল না।(পিচ্চি)
--আমি এবার থেকে তাহলে আমারো এটাই সুযোগ।(আমি)
--তোমরা নিচে যাও মা তোমাদের দুজনকে ডাকতিছে।(বোন)
আমি আগে নিচে নেমে এলাম।মা তুমি কি ডাকছ।পিছন থেকে।
--মামি খেতে দাও খুব ক্ষুধা লাগছে আমার। (পিচ্চি)
--ওই তুই মামি কাকে ডাকছিস আমি আর এখন তোর মামি না মা বলে ডাকবি।(মা)
--কিন্তু আমি তো তোমাকে আগে থেকে মামি বলেই ডাকতেছি (পিচ্চি)
--হা এখন তুই আমার বউ মা তাই আমাকে মা বলে ডাকবি।(মা)
--আর আমাকে বাবা বলে ডাকবি ওকে।(বাবা)
--ওকে এখন খেতে দাও তো।(পিচ্চি)
--আজকে তোরা দুজন সব রেডি করে রাখবি কাল নীলাদের (পিচ্চির নাম)বাসাই যেতে হবে।(মা)
--মা আমি যাব না।(আমি)
--কেন কি হইছে।বিয়ের পড় শ্বশুর বাড়ী যেতে হয়।(মা)
--আমার অফিসে কাজ আছে এমনি অনেকদিন ছুটি খাওয়া হয়ে গেছে তাই।(আমি)
--আর কিছুদিন ছুটি নিবি তো কি হইছে।(বাবা)
--বা বাবা আসলে(আমি বাবাকে অনেক ভয় করি)
--আচ্ছা ঠিক আছে।(আমি)
--ভাইয়া আসুন না আপনিও আমার সাথে খাবেন।(পিচ্চি)
--তুই খা নতুন বউ হয়ে সবাই কে আগে খাওয়াবি তা না নিজেই আগে বসেছে খাইতে।একী বাবা আমার দিকে এভাবে রেগে আসতিছে কেন।কোন ভুল করলাম নাকী আমার দিকেই তো আসছে।
--ঠাসসসসসসসস বেয়াদব নিজের বউকে সামাল দিতে পড় না আজো ভাইয়া বলে ডাকছে কেন।আর তুই কেমন ব্যাবহার এখন থেকে তুমি করে বলবি।আর নীলা মা ও তোমাকে কিছু বললে আমাকে জানাবে।(বাবা)
--আচ্ছা মামা ও থুক্কু বাবা।(পিচ্চি)
আমি গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে থাকলাম সবাই খেয়ে চলে গেল)
--হি হি।(পিচ্চি)
--হাসতেছিস কেন।(আমি)
--ভাইয়া খুব লেগেছে কী হি হি।
--তোরে আজকে আমি তোর জন্যই আমাকে মেড়েছে।
--মামা থুক্কু বাবা।
--এই এই বাবাকে ডাকিস কেন।
--বাবা তো বললো আপনি কোন কিছু বললে জানাতে।
--না না বাবাকে ডাকিস না তুই প্লিজ।
--হি হি হি ।
আমি রুমে এসে শুয়ে পড়লাম।রাতে সবাই মিলে আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে গেলাম।
--কোথায় যান গো।(পিচ্চি)
--কোথায় আবার মড়তে।সোফাই যাচ্ছি তোর সাথে তো আর ঘুমানো হবে না।
--কে বলেছে আসুন আজকে আমরা একসাথে ঘুমাবো।
--এ মেয়ে কখন কী বলে কিছু তো বুঝি না। সত্যি বলছ তুমি।
--হুম।
আমি তো খুশিতে নাচ দিতে দিলাম।একসাথে ঘুমিয়ে গেলাম কিছুতেই ঘুম আসছে না।সাথে একটা সুন্দরী মেয়ে আছে কেমনে ঠিক থাকী আমি।ওর মুখটার দিকে তাকিয়ে আছি ঠোঁট গুলো অনেক সুন্দর লাগছে।ইচ্ছে করছে একটা কামুড় দিয়ে দেই কিন্তু যে পাগলী মেয়ে কী করে। কী জরব জড়ীয়ে ধড়বো কী না আজকে প্রথম দিন আজকে থাক।হঠাৎ।
--ভাইয়া আপনি কী আমায় জড়িয়ে ধরবেন একটু।
--একী তো দেখী মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।হুম ধড়বো কী তোকে জড়িয়ে।
--ধড়েন না কেন সব কী বলে দিতে হয়।
--আমি তো মাঝখান থেকে কোলবালিশ শড়িয়ে জড়িয়ে ধড়লাম।
--আহ ছাড় ছাড় মড়ে গেলাম রে।
--কী হইছে।
--এত জোড়ে কেন জড়িয়ে ধড়েন মেড়ে ফেলবেন নাকী।
--(দীর্ঘ ২৫ বছর পড় একটা মেয়েকে জড়িয়ে ধড়ে খুব ভাল লাগছে)
আচ্ছা এবার আস্তে করে জড়িয়ে ধড়বো।বলে আলতে করে জড়িয়ে ধড়লাম।আমি যেন ঠিক থাকতে পাড়ছি না নরম শরীল টা যেন মাতাল করে দিচ্ছে।আচ্ছা নীলা তুমি কখন প্রেম কর নি।
--না না ছি ছি ওসব করা হয় না।মা বলেছে ওসব খারাপ মেয়েরা করে তাই আমি করি নি।আমি আমার মা কে বলি সব কথা মা যা বলে তাই করছি।
--ওও আচ্ছা তুমি ঘুমাও।দুজনে জড়িয়ে ঘুমিয়ে গেলাম।হঠাৎ মাঝরাতে একটা বিরাট শদ্ব হচ্ছে কিছুক্ষণ পড় পড়।ঘো ঘো ঘো ঘো এরকম শদ্ব কোথায় থেকে হয় ভৃত আসছে নাকি আবার জোড়ে শুরু হল।আমার ভয়ে ঘাম ঝড়তিছে ওমা বাচাও ভৃত ভৃত।আমি তো লাফ দিয়ে দেওয়ালের সাথে লেগে গেলাম বাচাও দুচোখ বন্ধ করে।
আওয়াজ শুনে বাবা মা দৌড়ে আসছে।দড়জা তো খোলাই ছিল তাই সবাই আসলো ভিতরে।
--কি হইছে এভাবে চিল্লাছিস কেন।(মা)
--মা ভৃত।(আমি)
--ভৃত কোথায় ভৃত।চোখটা খুলে দেখ তে একবার।কি করছিস তোরা দুজন।(মা )
--চোখ খুলে দেখি একি তুই।ওই তুই আমার কোলে কেন উঠছিস ওই গাধী চোখ খোল বলছি।(বাবা মা তো হাসতে হাসতে চলে গেল)
--না না ভৃত ভৃত আসছে আমি নামবো না।
--দুচোখ বন্ধ করে আমার কোলে উঠে আছে।একবার চোখটা খুলে দেখ তুই কোথায় উঠেছিস।
--দুই চোখ আস্তে করে খুলে।একি আমি আপনার কোলে কখন উঠলাম।
--তুই যে আমার পিছনে দৌড়ে এসে লাফ দিয়ে আমার কোলে উঠেছিলি মনে নেই নাম বলছি।
--থাকি না আপনার কোলে তো ভালই লাগছে।
--আমি কী তোর মা লাগী গাধা একটা।নাম সালী দিলাম ফ্লোরে ফেলে সালি।
--ওমারে বাচাও কোমড়া টা গেল রে।আমি বাবাকে বলে দিব।
--কি বলবি তুই।
--আপনি আমাকে জড়িয়ে ধড়েছেন আবার ভয় দেখাইছেনন।বাবা।
--থাম বোন প্লিজ বাবাকে ডাকিস না ওনাকে আমি খুব ভয় পাই।
--হি হি হি পা ছাড়েন আমি ডাকবো না।আচ্ছা তুমি ওভাবে কেন চিল্লানি দিলেন ভাইয়া।
--কি জানি একটা শদ্ব হইছিল ভুতের মতন খুব ভয় লাগছিল এজন্য।
--হি হি হি ।
--হাসতিছিস কেন তুই।আয় ঘুমাবো এখন।
--আহ ভাইয়া আমি তো পাড়ছি না।খুব ব্যাথা করতিছে তো।একটু কোলে করে নিয়ে চলেন না।
--তুই পাড়লে আয় না হলে ওখানেই ঘুমা আমি গেলাম।
--আব্বু ভ্যা ভ্যা।
--এই আব্বুকে ডাকিস না আমি তোকে কী করব কোলে করে বিছানায় নিয়ে আগের মতন করে ঘুমিয়ে গেলাম।
হঠাৎ একটু পড় আবার ঘো ঘো করতিছে কি ব্যাপর আবার কি ভৃত আসলো নাকী।না এটা তো আমার বুক থেকে শদ্ব আসতিছে।ওমারে এই সালী তুই নাক ডাকিস আর আমি ভৃত বলে চিল্লানি দিছিলাম।এজন্য হাসলি তখন তোকে আমি বলেই ধড়লাম নাক দুটো ঠেসে সালী আমায় ভয় দেখাইছিস।গরুও তো এতজোড়ে নাক ডাকবে না সালী একটু পড় লাফালাফি শুরু করছে দিলাম ছেড়ে।
--আপনি আমার নাক ওভাবে ধড়েছিলেন কেন।
--আমি ঠোট কামড়াতে লাগছি।
--কি ওমন ভাবে তাকিয়ে আছ কেন ভ্য ভ্য আমি কিন্তু বাবা কে বলে দিব।
--কি বলবি সালী নাক ডাকস কেন তোর নাক ডাকার জন্য তো মনে হয় পরো ব্লিডিং কেপে উঠছে।
--আমি কী নাক ডাকি নাক থেকে শদ্ব বেড় হলে আমি করব।আমি তো ইচ্ছে করে করি না।
--এরকম নাক ডাকা নিয়ে তোর মা তোর পাশে ঘুমাতে কেমনে।
--হি হি হি আমার সাথে কেউ ঘুমায় না জানেন।নাক ডাকি বলে মা আমার পাশে শুয় না আমি একা একটা রুমে ঘুমাই। জানেন একবার আমি আমার এক বান্ধবী একসাথে ঘুমিয়েছিলাম আমি নাক ডাকি বলি আমাকে থাকতে দিবে না ওর কাছে।আমার সাথে রাগারাগি করছে।আমিও কম কিসে আমি বলেছি নাম ডাকবো না। তাড়পড় কি করেছি জানেন।
--না বললে জানবো কেমনে আমি বল শুনি।
--আমি ঘুমায় নি শুধু কখন ও ঘুমিয়ে যায় এর অপেক্ষায়।দুচোখ শুধু বন্ধ করে রাখছি আর মিটিকরে খুলছি।
--হুম তাড়পড়।
--যেই ঘুমিয়ে গেছে।কোমড় উজু দিয়েছিলাম এক লাথী লাথী খেয়ে কান্না করা শুরু করেছিল।
--আমি কী বলে এই।কিন্তু মাড়ছো কেন
--আমাকে সাথে নিবে না নাক ডাকি বলে তাই। পড়ে ওকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।সেই থেকে আমার বান্ধবী টা আর আমার সাথে কথা বলে না।
--আমার তো গলা শুকিয়ে গেল ওর কথা শুনে ডিরেক্ট হাসপাতালে পাঠিয়েছে।না না এর সাথে বেশি কথা বলা যাবে না।এই এখনি হাসলো আবার কাদছে কেমন ডা লাগে।কখন কি করে তার ঠিক নাই।ভাগ্যিস এখন আমি দাড়িয়ে আছি।সালী যে পাগলীর পাগলীর কখন জানি আমার কোমড়ে লাথী মেড়ে হাসপাতালে পেঠে নিয়ে।হে আল্লাহ্ তুমি ভড়সা তুমি ছাড়া এর হাত থেকে কেউ আমাকে বাচাতে পাড়বে না।আচ্ছা আস তুমি ঘুমাও।
--ভাইয়া আমাকে একটু ঘুম পাড়ানি গানটা শুনাবেন তাহলে আমার তাড়াতাড়ি ঘুম ধড়বে।
--তুই না ঘুমালে আর ভাল হত নাক ডাকাটা শুনতে পাড়তাম না(মনে)এই শোন ঘুম পাড়ানি নামে কোন গান নেই।
--আছে আমার যখন মন খারাপ হত মা আমাকে শুনিয়ে দিয়ে ঘুম পাড়াতো।ও ভাইয় শুনান না গো।
--এই সালী আমি তোর মা লাগী তাই গান গেয়ে ঘুম পাড়াবো।(রাগ করে)
--তুমি খুব পচা তোমার সাথে আর কথা বলব না।
বলেই মুখটা ঘুরিয়ে অভিমান করে পা দুটো ছোট করে মুড়ি হয় ঘুমিয়ে গেল।আমিও আর কিছু বললাম না।সারাটা রাত আবার নাক ডাকা ওহহ অসহ্য সালী তোরে আমি।এত জোড়ে নাক ডাকে এই কী আরো ইচ্ছে করে জোড়ে নাক ডাকতিছে নাকী।কি আর কবো মানুষ বালিশের ওপরে মাথা দিয়ে ঘুমায়।আর আমি মাথার ওপরে বালিশ নিয়ে ঘুমিয়ে গেলাম।কখন ঘুমিয়েছি সঠিক মনে নেই। পাখিদের কিচমিচ আওয়াজে সকালে ঘুম ভাঙ্গল পিচ্চিটার দিকে তাকিয়ে দেখি এখন ঘুমিয়ে আছে।অনেক সুন্দর লাগছে।আমি ফ্রেশ হয়ে এসে দেখি ঘুমুয়ে আছে।কি সুন্দর দেখেই যেন কেমন লাগতিছে।কত সুন্দর গুটিমুটি হয়ে ঘুমাইছে।একদম একটা পিচ্চি মেয়ে।একদম পরীদপর মতন একটা মেয়ে।এত সুন্দর লাগছে ঠোট দুটো যেন সুদ্রের ঢুউয়ের মতন ভাজ পড়েছে অনেক জায়গায়।একটু তাকিয়ে থাকতেই কেমন জানি ফিলিং হচ্ছে। না আর সইতে পাড়ছি না কি করব। না না কিছু করা যাবে না যে পাগলী মেয়ে আবার অঘটন ঘটাবে।একটু যেতেই আবার ঘুড়ে আসলাম আমার বউ কে আমি যে কোন কিছু করতে পাড়ি। সইতে না পেড়ে দিলাম ঠোটে একটা কিস ভালই লাগলো পিচ্চিটা একটু নাড়া দিয়ে উঠলো।
--ভাইয়া ভাবিকে নিয়ে নাস্তা করতে আয়(নিচ থেকে বোন)
আমি আর ওকে ডাকলাম না ঘুমাক।নিচে গিয়ে
--কিরে তুই একা কেন আসলি। (মা)
--আরে ও ঘুমাচ্ছে আমায় খেতে দাও।
বাবা,মা,বোন,দাদী সবাই মিলে নাস্তা করতে লাগলাম।একটু পড় দেখি পিচ্চিটা কেদে কেদে নিচে নামতিছে।কি ব্যাপার কাদছে কেন ও রাতের কথা বলে দিবে নাকী তাহলে তো বাবা আমায় শেষ করে দিবে।গলাটা শুকিয়ে গেল।একটু পানি নিয়ে গিলতে যাব তখনি
--কিরে মা কাদছিস কেন তুই।(মা)
--মা আমি প্রেগন্যাট ভ্যা ভ্যা।
মুখ থেকে পানিগুলো পুরো টেবিলে ছিটে গেল বলে কী এই আমি তো ওর সাথে তেমন কিছু করি নাই প্রেগনেন্ট কেমনে হল।
Next......
পিচ্চি বউ (পর্ব ৩)
অডিও মোড
00:00
00:00
গতি:
ভলিউম:
1.2K
Views
26
Likes
2
Comments
4.6
Rating